সংবাদ শিরোনাম
বিআইটিআইডির ল্যাব প্রধান ডা. শাকিল করোনায় আক্রান্ত | দিনাজপুরে নতুন করে ১৬ জন করোনায় আক্রান্ত, মোট ১৪৮ | চীনের সঙ্গে ইসরাইলের বিকাশমান সম্পর্ক ছিন্ন করার আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের | আগামী পাঁচদিন সারাদেশে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা | চট্টগ্রামে নতুন শনাক্ত আরও ৯৮, মোট ১৯৮৫ | চট্টগ্রামে ইম্পেরিয়াল ও বঙ্গবন্ধু হাসপাতালে হবে করোনা চিকিৎসা | সীমান্তে চরম উত্তেজনা, তিন বাহিনী প্রধানের সঙ্গে বৈঠক মোদির | করোনার টিকা না আসা পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে: ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট | আবারো মুখোমুখি চীন ও ভারতের সৈন্যরা, যুদ্ধের আশঙ্কা | ডা. জাফরুল্লাহর জন্য ফুল-ফল পাঠালেন খালেদা জিয়া |
  • আজ ১৩ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

সাবধান, মাস্ক থেকেও বাড়তে পারে করোনার ঝুঁকি!

১:২০ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, মার্চ ১০, ২০২০ জানা-অজানা, তথ্য জাদুঘর

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক- বিশ্বে করোনা ভাইরাস দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে দেশে মাস্কের চাহিদা বাড়তে থাকে। এরইমধ্যে রোববার দেশে তিনজনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হওয়ার পর এই চাহিদা বেড়েছে কয়েকগুণ। আর এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ব্যবসায়ীরা বাড়িয়ে দিয়েছেন সব ধরনের মাস্কের দাম।

যদিও চিকিৎসকরা বলছেন, সবার মাস্ক ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা বিভিন্ন দেশের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মাস্ক পরলে সংক্রমণ থেকে বাঁচার চেয়ে সংক্রমিত হওয়ারই আশঙ্কা বেশি।

আপাতত করোনাভাইরাসের কোনো প্রতিষেধক আবিষ্কার না হওয়ায় হাত ধোয়াসহ বিভিন্ন পদক্ষেপেরই পরামর্শ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিস কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি)।

ফক্স অ্যান্ড ফ্রেন্ডসকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ডা. অ্যাডামস বলেন, এমনকি মাস্ক পরলে ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। তিনি বলেন, যারা সঠিকভাবে মাস্ক পরতে পারে না তাদের মুখে হাত দেয়ার প্রবণতা বেশি এবং এর কারণে করোনা ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঘটার পর থেকেই বিভিন্ন দেশে মাস্কের সংকট দেখা দিয়েছে। চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন দেশের সুপার মার্কেটগুলোয় মাস্ক নেই, এমন প্ল্যাকার্ডও দেখা গেছে। এরপরই প্রশ্ন উঠেছে, মাস্ক কি আসলেই করোনাভাইরাস প্রতিরোধ করতে পারে?

যুক্তরাষ্ট্রের ভ্যানডারবিল্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের সংক্রামক রোগ বিভাগের মেডিসিনের অধ্যাপক ডা. উইলিয়াম স্ক্যাফনার বলেছেন, সহজাতভাবেই মানুষ মনে করে, তার নাক ও মুখ স্কার্ফ বা মাস্ক দিয়ে ঢেকে রাখলে চারপাশে ঘুরতে থাকা এসব ভাইরাস থেকে কিছুটা হলেও মুক্তি মিলবে; কিন্তু শ্বাসযন্ত্রের সম্পর্কিত রোগ যেমন, ফ্লু এবং কোভিড-১৯-এর ক্ষেত্রে এটি কার্যকর নয়।

যদি তাই হতো তাহলে সিডিসি বহু বছর আগেই এমন পরামর্শ দিত। কিন্তু তারা এমনটি করেনি। কারণ, তারা বিজ্ঞানভিত্তিক সুপারিশ করে থাকে।

সিডিসি বলছে, সংক্রমণ ঘটাতে পারে এমন ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণা যেগুলো বাতাসে ঘুরে বেড়ায় তা সার্জিক্যাল মাস্ক পরলেও আটকানো সম্ভব না। এমনকি এসব মাস্ক চেহারার চারপাশে স্নাগসিলও তৈরি করে না।

বরং যাদের মধ্যে ইতিমধ্যে করোনার লক্ষণ দেখা গেছে এবং বাইরে যেতে হবে, তাদের মাস্ক পরার পরামর্শ দেয় সিডিসি; কেননা করোনার লক্ষণযুক্ত ব্যক্তি যখন কাঁশি বা হাঁচি দেয় তখন যেন তার চারপাশের মানুষজন সুরক্ষিত থাকতে পারে। এ ছাড়া করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের সেবাকারী ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও এসব মাস্ক পরার পরামর্শ দিয়েছে সিডিসি।

এমনকি স্বাস্থ্যকর্মী ছাড়া অন্যদের ক্ষেত্রে এন৯৫ রেসপিরেটরস মাস্ক ব্যবহারের পরামর্শ দেয় না সিডিসি। এরই মধ্যে মাস্ক কেনা বন্ধে মানুষজনকে আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।