সংবাদ শিরোনাম
করোনায় ঢাকার সাবেক এমপি মকবুলের মৃত্যু | বরিশালে ঘূর্ণিঝড়ে বিধ্বস্তদের ঘর মেরামত করে দিলেন সেনাবাহিনী | এবার প্রবাসীদের বাড়িতে ঈদ উপহার পাঠালেন মাশরাফি | ইতালিতে ঈদুল ফিতর উদযাপন করলেন ২৫ লাখ মুসল্লি | করোনাকালে “এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট” হিসেবে দায়িত্ব পালনের গল্প | ঠাকুরগাঁওয়ে কর্মহীনদের ঈদ উপহার দিল সেনাবাহিনী | করোনা চিকিৎসায় ১৩টি হাসপাতালে রেমডেসিভির সরবরাহ শুরু | কৃষকদের ধান কেটে দেওয়ায় ছাত্রলীগকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন | জীবিকার স্বার্থে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড চালু করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী | “পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সরকারি সহায়তা অব্যাহত থাকবে” |
  • আজ ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

বস্তিতে করোনার হানা, ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখে মুম্বাই

৪:২৬ অপরাহ্ণ | রবিবার, মার্চ ২৯, ২০২০ আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ করোনা ভাইরাসের সংমণের ভয়াবহ ঝুঁকিতে রয়েছে ভারত। ঘনবসতিপূর্ণ দেশে কমিউনিটি ট্রান্সমিশন শুরু হয়ে গেলে তা ভারতের পক্ষে খুবই বিপদজনক বলে আশঙ্কা করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

এরই মধ্যে পাওয়া গেল ভয়াবহ তথ্য। ভারতের মহারাষ্ট্রের মুম্বাইয়ের বস্তিগুলোতে ছড়িয়ে পরেছে করোনা ভাইরাস। মুম্বায়ের এ বস্তিগুলোতে চার জন করোনা আক্রান্ত রোগীকে শনাক্ত করা হয়েছে।

এর মধ্যে পারেলে ৬৪ বছর, জামভিপাড্ডায় ৩৭ বছর বয়স্ক, এছাড়া ঘাটকোপার বস্তিতে ২৫ এবং ৬৮ বছর বয়স্ক চার জনকে করোনায় আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন।

মুম্বাইয়ের এ বস্তিগুলোতে একটা ১০ ফুট বাই ৮ ফুট ঘরে ৬-৭ জন মানুষ বাস করেন। বস্তিগুলোতে এ রকম পরপর ২০০০ থেকে ২৫০০ ঘর রয়েছে এক একটি বস্তিতে। প্রতি ২০০ পরিবার পিছু একটি সাধারণ শৌচাগার। এদিকে মুম্বাইয়ের কালিমবার জামবালিপাড়া বস্তিতে ৩৭ বছরের এক যুবকের শরীরে মিলেছে করোনা ভাইরাস।

প্রায় ৮০০ পরিবারের বাস এবং তাদের জন্য বরাদ্দ মাত্র কয়েকটি শৌচাগার। আক্রান্ত যুবক বিদেশ থেকে ফিরেছেন কিছুদিন আগে। বিমানবন্দরে তার পরীক্ষায় কোনো অসুস্থতার লক্ষণ দেখা যায়নি। পরবর্তীসময়ে তার শরীরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ে। বর্তমানে তার চিকিৎসা কস্তুরবা হাসপাতালে চলছে। ওই বস্তিতে আর কেউ করোনাতে আক্রান্ত কিনা তা জানার জন্য পরীক্ষা চালাচ্ছে প্রশাসন।

ফলে এখানে সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং বজায় রাখা কী সম্ভব নয়, বলে জানাচ্ছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তাদের আশঙ্কা যদি একবার করোনা কোনোভাবে এ বস্তিগুলোতে থাবা বসাতে পারে তবে ভারত করোনার তৃতীয় দফা সংক্রমণের পর্যায়ে প্রবেশ করে যাবে।