বগুড়ায় করোনাভাইরাসের প্রভাবে চিকিৎসা ব্যবস্থাতেও স্থবিরতা

৪:১৬ অপরাহ্ণ | বুধবার, এপ্রিল ১, ২০২০ রাজশাহী

সাখাওয়াত হোসেন জুম্মা,বগুড়া প্রতিনিধি:বগুড়ায় করোনাভাইরাসের প্রভাবে চিকিৎসা ব্যবস্থাতেও দেখা দিয়েছে নানামূখী স্থবিরতা। সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা সেবা নিতে আসা জনসাধারনকে নানা বিড়ম্বনার শিকার হতে হচ্ছে।

০১ এপ্রিল বুধবার বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সহ শহরের বেশ কিছু বেসরকারি হাসপাতাল ও কিনিক ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে সরকার ঘোষিত ছুটির কারণে হাসপাতালগুলোতে এমনিতেই রোগীর চাপ আগের তুলনায় অনেকাংশেই কমে গেছে। তারপরও জরুরি চিকিৎসা নিতে আসা লোকজন ভিড় করছেন হাসপাতালগুলোতে। চিকিৎসক আসলেও ঠিক মত রোগী দেখছেন না ।

বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিতে আসা শহরের জ¦লেশ^রীতলা এলাকার হাসান উদ্দিন বলেন, তার ৪ বছর বয়সী শিশু সন্তান জ্বরে অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাকে প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় খ্রিষ্টান মিশনারি হাসপাতালে। সেখানে ডাক্তার না থাকায় মঙ্গলবার বিকেলে ভর্তি করেন শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেখানে ভর্তি করালেও বুধবার সকাল পর্যন্ত কোনো চিকিৎসক বা নার্স তার সন্তানকে দেখতে আসেনি।

হাসপাতালের বহিঃবিভাগ ঘুরে দেখা গেছে, চিকিৎসা নিতে আসা লোকজন বসে আছেন ডাক্তারের অপোয়। সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত বহিঃবিভাগে চিকিৎসা দেওয়ার কথা থাকলেও সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত বহিঃবিভাগে কোনো চিকিৎসককে দেখা যায়নি।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের পাশে জ্বর, সর্দি, কাশি নিয়ে আসা রোগীদের চিকিৎসা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হলেও সেখানেও কোনো চিকিৎসকের দেখা পাওয়া যায়নি। হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা লোকজন বলেন ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপো করার পর চিকিৎসক আসলেও তারা দূরত্ব বজায় রেখে রোগীর সমস্যা শুনে ব্যবস্থাপত্র লিখে দিচ্ছেন।

এদিকে শহরের বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল, কিনিক এবং ডায়াগনষ্টিক সেন্টার ঘুরে দেখা গেছে অধিকাংশ ডাক্তার চেম্বারে বসছেন না।

বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডাঃ আরিফুর রহমান সময়ের কন্ঠস্বরকে বলেন, বহিঃবিভাগে চিকিৎসা সেবা অব্যাহত রয়েছে। এছাড়াও করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে জ্বর, সর্দি, কাশি নিয়ে আসা রোগীদের জন্য আলাদাভাবে চিকিৎসা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন..বগুড়ায় পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু…

সাখাওয়াত হোসেন জুম্মা,বগুড়া প্রতিনিধি: বগুড়ার শেরপুরে পুকুরে মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে ডুবে লিখন (৯) নামের এক শিশুর মৃত্যুর হয়েছে।
০১ এপ্রিল বুধবার সকালে শেরপুর উপজেলার শাহ্ বন্দেগী ইউনিয়নের শেরুয়া নামাপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

লিখন শেরুয়া নামাপাড়া গ্রামের আব্দুল ওয়াহাবের ছেলে।

জানা গেছে, আব্দুল ওয়াহাবের বাড়ির পার্শ্বে একটি পুকুরে প্রতিদিন সকালে মাছ মরে ভেসে ওঠে। লিখন প্রতিদিন ভোরে সেই পুকুরে ভেসে থাকা মাছ ধরতে যায়।

বুধবার ভোরে লিখন মাছ ধরতে গিয়ে আর বাসায় ফেরেনি। সকালে জাহিদুল নামের এক ব্যক্তি পুকুরে লিখনের মৃতদেহ ভাসতে দেখে উদ্ধার করে।

শেরপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফজলুর রহমান বলেন, আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি এলাকাবাসী জানান শিশুটি পানিতে ডুবেই মারা গেছে।