সংবাদ শিরোনাম
  • আজ ২৪শে আষাঢ়, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

মানানো যাচ্ছে না সরকারি নির্দেশ, বেড়েই চলেছে করোনা রোগীর সংখ্যা

৩:২৬ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ১৬, ২০২০ ঢাকা, দেশের খবর

মোঃ রুবেল ইসলাম তাহমিদ, মুন্সীগঞ্জ থেকে- দেশে কোভিড-১৯ রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। একই সাথে আক্রান্তের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যাও। সরকারের পক্ষ থেকে বারবারই বলা হচ্ছে-সবাই সতর্ক হন, একান্ত প্রয়োজন ছাড়া কেহ বাইরে যাওয়া থেকে বিরত থাকুন।

কিন্তু তাতেও ঘরে রাখা যাচ্ছে না মানুষকে। প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে অনেকেই রাস্তায় চলাফেরা করেই যাচ্ছে। তাই পরিস্থিতি সামাল দিতে একের পর এক জেলা ও উপজেলাকে লকডাউন (অবরুদ্ধ) করছে স্থানীয় প্রশাসন। অনেক আগেই রাজধানীর সঙ্গে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে মুন্সীগঞ্জসহ সারাদেশের যোগাযোগ।

এরই মধ্যে বেশ কয়েকটি জেলাসহ ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন এলাকা সীমিত পরিসরে অবরুদ্ধ করা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনায় সম্পূর্ণ ও আংশিক লকডাউন করে দেওয়া হয়েছে সে সময়ে ৪২ জেলাকে। এরমধ্যে গত মঙ্গল ও বুধবার নতুন করে ৮ জেলা এবং বেশ কয়েকটি উপজেলা ও গ্রামকে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে মূলত ‘যেখানে করোনা রোগী, সেখানেই লকডাউন’ নীতিতে চলছে প্রশাসন। কিন্তু তাতেও সামাজিক দূরত্ব মানানো সম্ভব হচ্ছে না সাধারণ মানুষকে।

মহামারী করোনা ভাইরাসের সংক্রমণনে দেশের সর্ব প্রকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের পাশাপাশি বন্ধ রয়েছে দোকানপাট-হোটেল রেস্তুরা-ব্যবসা বাণিজ্য, তবে থেমে নেই দেশের বহু আলোচিত মাওয়া মৎস্য আড়তের বেচাকেনা। সরগম ভোর ৫ টা থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত। এখানে হাজার হাজার মানুষের নেই কোনো নিরাপত্তা। করোনা আক্রান্ত রোধে চিকিৎসকেরা দিয়েছে দূরত্ব বজায় রাখাসহ নানা পরামর্শ। কিন্তু এসব পরামর্শ কর্ণপাতই করেছে না বহু আলোচিত মাওয়া মৎস্য আড়তে ব্যবসায়ীরা।

প্রায় দুইযুগেরও বেশি আগে প্রতিষ্ঠিত পদ্মা পাড়ের এ মাছের বাজার নামক মাওয়া মৎস আড়ৎ হিসেবে পরিচিত। তাছাড়া পাইকারী বাজার নামে রূপলাভ করেছে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে যেমন মাছ ব্যবসায়ীরা তাদের মাছ বিক্রির জন্য আসে, তেমনি ঢাকাসহ দূর দূরান্তের পাইকারাও মাছ কিনতে। তবে মাওয়ার মছের আড়তটির সদস্যরা সূর্য্য উদয় থেকে অর্ধবেলা পর্যন্ত চলে প্রায় হাজার লোকের ক্রয়-বিক্রয়।

মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার খ্যাত পদ্মার পাড়ে প্রতিদিনের মত জমে উঠেছে মাছের আড়ৎ। প্রায় হাজার হাজার লোকের সরগরমে চলছে মাছ ক্রয় ও বিক্রয়। লোকের সরগরম সরকারের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও কোনো লোকেই নির্দিষ্ট দূরুত্ব বজায় রাখছে না। বেশির ভাগ মানুষের মুখে নেই মাস্ক। শুধু তাই নয় অনেক বিদেশ ফেরত ব্যক্তিরাও মাছ কিনতে ভীড় জমিয়েছে এখানে।

এমন ভাবে চলতে থাকলে প্রাণঘাতী করোনা ছড়িয়ে পরবে মাওয়ার পাড়া বা মহল্লায়। স্থানীয়রা বলছেন, আমাদের নিরাপত্তার জন্য হলেও মাছঘাটের মাছের আড়ৎ বন্ধ করা দরকার বা অতি দ্রুতই মাছের আড়ৎ নিয়ম-নীতি মধ্যে আনবে প্রশাসন, এমন টাই প্রত্যাশা সকলের। এখানে বেচা কেনার জন্য জায়গা খোবই কম।

এদিকে লকডাউন হওয়া জেলার মধ্যে নারায়ণগঞ্জ ও কক্সবাজার রয়েছে উচ্চঝুঁকিতে। বিশেষ করে কক্সবাজারের বিভিন্ন ক্যাম্পে বসবাসকারী প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গার মধ্যে দূরত্ব” নিশ্চিত করা অসম্ভব। তাই করোনা রুখতে ক্যাম্পগুলোতে যাতায়াতে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে আগে ভাগেই । সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রাজধানীসহ সারাদেশে যে হারে করোনা রোগীর সংখ্যা বাড়ছে এবং বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ছে, এটির বিস্তার রোধে লকডাউনই একমাত্র সমাধান। কিন্তু সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে থাকা ঢাকা পুরোপুরি লকডাউন করা হয়নি। দেশে এ পর্যন্ত শনাক্ত হওয়া ১ হাজার ২৩১ জনের মধ্যে বেশিরভাগই ঢাকার।

এমন বাস্তবতার পরও রাজধানীর প্রায় প্রতিটি এলাকায় নানা অজুহাতে ঘর থেকে বেরিয়ে পড়ছেন সাধারণ মানুষ। অলিগলিতে চলছে আড্ডাবাজি। লকডাউনের মধ্যেই পুলিশ ও প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে করোনার ‘হটস্পট’ ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ থেকে এখনো প্রামে পালিয়ে যাচ্ছে মানুষ। তাদের অনেকে করোনার উপসর্গ নিয়ে বাড়ি ফিরে মৃত্যুর কোলেও ঢলে পড়েছেন। ফলে সারাদেশে উচ্চমাত্রায় করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, লকডাউন পুরোপুরি কার্যকর না হওয়ায় পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। অবরুদ্ধ ঘোষণা করতে হবে পুরো ঢাকা শহরকেই। প্রয়োজনে ‘কারফিউ’ জারি করা উচিত। ঢাকায় এ ধরনের কঠোর পদক্ষেপ নিয়ে এর কার্যকারিতা দেখে পুরো দেশেই পদক্ষেপ নিতে হবে। সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে পুলিশ ও প্রশাসনকে হতে হবে আরও কঠোর।

গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। এর ১১ দিন পর ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে মাদারীপুরের শিবচর উপজেলাকে সর্ব প্রথম লকডাউন ঘোষণা করে প্রশাসন। সাধারণ মানুষকে ঘরে রাখা এবং সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে গত ২৬ মার্চ থেকে ঘোষণা করা হয় সাধারণ ছুটি। তবে এর পর থেকেই অধিকাংশ নিম্ন মধ্যবিত্ত এবং শ্রমজীবী মানুষের আয়ের পথ বন্ধ হয়ে যায়। তাদের অধিকাংশের ঘরেই প্রয়োজনীয় খাবার নেই। এমন পরিস্থিতিতে প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। তবে খাদ্য ব্যবস্থাপনায় পুরোপুরি শৃঙ্খলা না থাকায় সাধারণ মানুষকে ঘরে রাখাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। দেশের কোথাও কোথাও ত্রাণের দাবিতে বিক্ষোভ করতেও দেখা গেছে।

তবে খাদ্য সহায়তা থেকে শুরু করে যে কোনো সমস্যায় হটলাইনে যোগাযোগ করার জন্য সবাইকে বলা হয়েছে। প্রতি বিভাগের -জেলা (ডিসি) অফিস থেকে মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক (ডিসি) মনিরুজ্জামান তালুকদার বলেন, জেলায় যেখানে করোনা রোগী শনাক্ত হচ্ছে, সেখানেই লকডাউন করে দেওয়া হচ্ছে। করণীয় বিষয়ে দেয়ালে দেয়ালে সেঁটে দেওয়া হচ্ছে লিফলেট। তাদের যে কোনো প্রয়োজনে পুলিশের সহায়তা নিতেও বলা হচ্ছে। খাদ্য নিশ্চয়তা থেকে শুরু করে যে কোনো সমস্যায় আমরা তাদের সহায়তা দিচ্ছি।

এদিকে লৌহজং থানার ওসি মোঃ আলমগীর হোসাইন বলেন, আমরা এরই মধ্যে অসহায় ও দরিদ্র লোকদের তালিকা করেছি। নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত যাদের ঘরে খাবার নেই, তাদের তালিকাও করা হয়েছে। যারা লাইনে দাঁড়াতে পারেন না, তাদের আমরা দুভাবে চিহ্নিত করছি। একটি হলোÑ ইউনিয়ন এবং উপজেলা থেকে তালিকা প্রণয়ন। অন্যটি ফেসবুকে গুগলের একটি ডিজিটাল ফরম দেওয়া হয়েছে, তারা সেখানে নিবন্ধন করছেন। এরই মধ্যে প্রায় হাজার লোক নিবন্ধন করেছেন। সেগুলো উপজেলা পাঠানো হচ্ছে এবং তাদের খাবারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

লকডাউনের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘জেলার প্রবেশমুখগুলোতে সেনাবাহিনী ও পুলিশের চেকপোস্ট রয়েছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটও সেখানে কাজ করছেন। কেউ এ জেলায় আসতেও পারছেন না এবং বেরও হতে পারছেন না। এটি নিশ্চিত করা হয়েছে। তার পরও কিছু অসচেতনতা আছে। সেগুলো নিয়ে আমরা কাজ করছি। লকডাউন নিয়ে কেউ যেন আতঙ্কিত না হন, সে জন্য চেষ্টা করছি। লোকাল মিডিয়াগুলোতেও এ বিষয়ে প্রচার চালাচ্ছি। ফেসবুকে ও ইউনিয়নে মাইকিং করেও বিষয়টি প্রচার করছি।

সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং মানুষকে ঘরে অবস্থানের বিষয়টি নিশ্চিতে কাজ করছে পুলিশ। এরই মধ্যে সবার জীবনযাত্রা স্বাভাবিক রাখার জন্য যে কোনো জরুরী প্রয়োজন ছাড়া এককভাবে বা দলবদ্ধভাবে বাইরে ঘোরাফেরা বন্ধ করতে মাঠপর্যায়ে পুলিশ কাজ করছে। এমনকি সরকারি নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত জরুরী সার্ভিস ছাড়া লোকজনকে ঢাকায় প্রবেশ অথবা ত্যাগ করতে দেওয়া হচ্ছে না।

মাওয়া ট্রাফিক ইনচার্জ মোঃ হিলাল উদ্দিন এর তথ্য মতে জানাগেছে নারায়ণগঞ্জ থেকে যাত্রী বোঝাই একটি প্রাইভেটকার ভোরে উপজেলার লৌহজংয়ে মাওয়ায় যাওয়ার পথে ওই এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। শুধু মাওয়া নয়, দেশের বিভিন্ন এলাকায়ই এভাবে লোকজন ছড়িয়ে পড়েছেন। তাছাড়া অনেকেরই করোনা উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে বলেও খবর পাওয়া যায়। পরীক্ষা করে কারও কারও মধ্যে করোনা ভাইরাসও শনাক্ত হয়।

‘সম্প্রতি যারা জেলার বাইরে থেকে এসেছেন, তাদের চিহ্নিত করা হয়েছে। এরমধ্যে কহেক জনকে প্রাতিষ্ঠানিক ও বাকিদের রাখা হয়েছে হোম কোয়ারেন্টিনে।’

নারায়ণগঞ্জ থেকে এসেছেন উপজেলার লৌহজংয়ের নাগের হাটের গ্রামে করোনার উপসর্গ নিয়ে সেখানে এক নারী সহ ৬টি পরিবার কে লকডাউন করা হয়েছে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এর তত্বাবধানে। এ উপজেলায় এর আগে মৃত্যু হয় এক ব্যক্তির সে ঢাকা থেকে গ্রামে এসে ফের চলে যান ঢাকায় সেখানে তার মৃত্যু হয়।

তবে লকডাউনের পরও নৌপথে নারায়নগঞ্জ থেকে নবাবগঞ্জ-দোহার হয়ে মুন্সীগঞ্জ এবং নারায়ণগঞ্জ বর্ডার দিয়ে কিছু লোক বরগুনার আমতলীতে গেছে। কিন্তু সড়কপথে কেউ নারায়ণগঞ্জ থেকে যেতে পারেনি। হেঁটে বিচ্ছিন্নভাবে কেউ কেউ অবশ্য বাড়ি ফিরেছে।’

এখনো লকডাউন মানছেন না গ্রাম ও নগরবাসী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়লেও এখনো সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না। গতকাল নগরীর বিভিন্ন এলাকার অলিগলিতে সাধারণ মানুষের আনাগোনা দেখা গেছে। মাওয়া-হলোদিয়া – লৌহজং -উত্তরাসহ বিভিন্ন এলাকায় লকডাউন না মেনে তারা রাস্তায় নেমে আসছেন প্রয়োজনে-অপ্রয়োজেন।

এ বিষয়ে মেদিনী মন্ডল ইউনিয়ন পরিয়দ চেয়ারম্যান হাজী আশরাফ হোসেন বলেন, সাধারণ মানুষকে ঘরে রাখার জন্য আমরা চেষ্টা করছি। যারা অপ্রয়োজনে বের হচ্ছেন, তাদের ঘরে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তাদের সচেতন করতে সব ধরনের চেষ্টা চলছে। করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় একমাত্র উপায় শৃঙ্খলা মানা, সরকার ও চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে ঘরে অবস্থান। এটি নিশ্চিত করতেই সরকার ছুটি ঘোষণা করেছে। কিন্তু সাধারণ মানুষ এটিকে উৎসব মনে করে চূড়ান্ত রকমের বিশৃঙ্খলা দেখিয়েছে। এখন পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসনকে চূড়ান্ত রকমের কঠোর হতে হবে। কঠোর হওয়া মানে আমি বলছি কাউকে মেরে ফেলতে হবে সেটি নয়, বলছি-নমনীয়ভাবে কঠোর হওয়া। আমরা যদি ইতালি, স্পেন বা যুক্তরাষ্ট্রের মতো অবস্থা দেখতে না চাই, তবে সাধারণ মানুষকে ঘরে রাখার একমাত্র উপায় হচ্ছে কারফিউ জারি করা। এর কোনো বিকল্প নেই। এ এলাকার চেয়ে আক্রান্তের সংখ্যা অনেক বেশি।অন্নান্ন এলাকায়। এটি ক্রমান্বয়ে বাড়ছে ঢাকায় অন্ততপক্ষে কারফিউ জারি করা হোক। তা না হলে পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হবে। ঢাকায় কারফিউ দিয়ে আগে প্রভাব যাচাই করে দরকার হলে সেটি সারাদেশে জারি করা প্রয়োজন।’

খাদ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে তিনি বলেন, ‘এ সংকটে শ্রমজীবী মানুষের খাবারের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। সবচেয়ে ভালো হয় তাদের ঘরে যদি খাবার পৌঁছে দেওয়া যায়। তা হলেই তারা ঘরে থাকবে। আমাদের দেশে খাদ্য ব্যবস্থাপনায় চূড়ান্ত রকম বিশৃঙ্খলা আছে। এ ক্ষেত্রে খাবার ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব সেনাবাহিনীকে দেওয়া উচিত। তাদের সহযোগিতা করবেন জনপ্রতিনিধিরা। যদি সেনাবাহিনীকে দায়িত্ব দেওয়া হয় এবং লোকাল ফোর্স যারা আছেন তারা সহযোহিতা করেন, তবে এ সমস্যা থেকে উত্তরণ ঘটানো সম্ভব।’

করোনার কারণে মধ্যবিত্তরা সংকটে আছেন উল্লেখ করে বলেন, যে কোনো সংকট যখন দীর্ঘমেয়াদি হয়, তখন মধ্যবিত্ত শ্রেণিকে নিয়ে চিন্তিত হতে হয়। কারণ তাদের সংকট মোকাবিলায় সক্ষমতা সেটি একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত। সরকারের এখন তাদের নিয়েও ভাবতে হবে। যদিও মধবিত্তদের সহায়তা করতে পুলিশ ও প্রশাসন চেষ্টা করছে। তাদের চাহিদা ও জীবনযাপনের যে অভাব সেগুলো পূরণ করতে হবে বলে, আমি মনে করছি।