সংবাদ শিরোনাম
করোনায় আক্রান্ত মৃত ব্যক্তির শরীর থেকে করোনা ভাইরাস কি সত্যিই ছড়ায় ? | স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা করোনা পজিটিভ | সীমিত আকারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কার্যালয় খোলার নির্দেশনা | করোনায় দেশে পারিবারিক আয় কমেছে ৭৪ শতাংশ, চাকরি হারিয়েছেন ১৪ লাখ প্রবাসী | ‘যে ওষুধ সাধারণদের কেনার সামর্থ্য নেই, সেই ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা করব না’ | প্রতিবন্ধী বাবার প্রতিবন্ধী মেয়ে জাহানারা পেলেন জিপিএ-৫ | তানোরে এবার ঢাকা ফেরত দম্পতি করোনায় আক্রান্ত | নওগাঁয় করোনায় আক্রান্ত হয়ে কাপড় ব্যবসায়ীর মৃত্যু | চট্টগ্রামে ৬২১ নমুনা পরীক্ষায় ২০৮ জনের করোনা পজিটিভ | লালমনিরহাটে দুর্গম চরাঞ্চলে গিয়ে বাল্যবিয়ে বন্ধ করলেন এসিল্যান্ড |
  • আজ ১৯শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশের উপকূলের ৩৯০ কিলোমিটারের মধ্যে ‘আম্পান’

৮:১৭ পূর্বাহ্ণ | বুধবার, মে ২০, ২০২০ Breaking News

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- সময় যত গড়াচ্ছে উপকূলের সঙ্গে ঘুর্ণিঝড় আম্পানের দূরত্ব ততোই কমছে। বুধবার (২০ মে) সকাল পর্যন্ত মোংলা সমুদ্র বন্দরের ৩৯০ কিলোমিটার ও পায়রা সমুদ্র বন্দরের ৪১০ কিলোমিটারের মধ্যে চলে এসেছে সুপার এই সাইক্লোন।

ফলে এই দুই বন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোও এই ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে। তবে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরে ৬ নম্বর বিপদ সংকেতই দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়ার বিশেষ বুলেটিনে জানানো হয়েছে, বুধবার বিকাল থেকে সন্ধ্যার মধ্যে সুন্দরবনের কাছ দিয়ে অতি প্রবল এ ঘূর্ণিঝড় পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে। তখন এর বাতাসের শক্তি থাকতে পারে ঘণ্টায় প্রায় দেড়শ কিলোমিটার বা তার বেশি।

আবহাওয়াবিদ আব্দুল হামিদ বুধবার সকালে বলেন, ঝড়ের সময় উপকূলীয় জেলার দ্বীপ ও চরের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ১০-১৫ ফুট বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।

আম্পান ধেয়ে আসায় ভারত ও বাংলাদেশে মঙ্গলবার থেকে উপকূলের বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়ার কাজ চলছে। বাংলাদেশে ২২ লাখ মানুষকে ১২ হাজার ৭৮টি আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে সরকার।

১৬ মে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট একটি নিম্নচাপ থেকে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়া আম্পান ধাপে ধাপে শক্তি বাড়িয়ে সুপার সাইক্লোনের রূপ পায়। তবে উপকূলের দিকে এগিয়ে আসার পথে কিছুটা শক্তি হারিয়ে এটি এখন অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের আকারে রয়েছে।

আবহাওয়ার সর্বশেষ বুলেটিনে বলা হয়, উত্তর পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তরপূর্ব বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় আম্পান উত্তর-উত্তর পূর্ব দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

বুধবার সকাল ৬টায় ঘূর্ণিঝড়টি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৫৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণ পশ্চিমে; কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৫৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণ পশ্চিমে; মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৩৯০ কিলোমিটার দক্ষিণ পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৪১০ কিলোমিটার দক্ষিণ পশ্চিমে অবস্থান করছিল।

তখন ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৮৫ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ২০০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ২২০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছিল।