• আজ ১২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

ঈদে নিজস্ব পরিবহনে বাড়ি ফেরা যাবে

১০:৩৪ পূর্বাহ্ণ | শুক্রবার, মে ২২, ২০২০ স্পট লাইট
nijoss

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ করোনা মহামারির কারণে সরকারের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়েছিল এবার যে যেখানে আছেন, সেখানেই পবিত্র ঈদুল ফিতর পালন করবেন। এর কিছুদিন পর বলা হল, ঈদের আগের চার দিন এবং পরের দুই দিন রাস্তায় কোনো গাড়ি চলাচল করতে পারবে না। তারপরও অনেকেই গ্রামের বাড়ি ফিরছিলেন।

তবে তাদেরকে পুলিশি নানা বাধার সম্মুখীন হতে হয়েছে। কেউ কেউ ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় মাঝপথ থেকে ফিরে আসতে বাধ্য হয়েছে। এবার তাদের জন্য একটি সুযোগ করে দিয়েছে সরকার। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ঈদের ছুটিতে যারা গ্রামের বাড়িতে ফিরতে একান্তই ইচ্ছুক, তারা নিজস্ব পরিবহনে বাড়ি ফিরতে পারবেন। তাদের বাধা দেওয়া হবে না।

বৃহস্পতিবার সরকারের উচ্চমহল থেকে পুলিশকে এ ধরনের একটি মৌখিক নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ছুটিতে জরুরি কাজের জন্য কেউ যদি গ্রামের বাড়ি ফিরতে চায় তাহলে পুলিশ যেন তাদের অনুমতি দেয়। তাদের যেন খুব বেশি হয়রানি বা প্রশ্নোত্তরের শিকার না হতে হয়। তবে গণপরিবহন চলবে না।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) দুইজন অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। একজন বলেন, পুলিশ সদরদফতরের এ ধরনের একটি বার্তা পাওয়ার পর আমরা গাবতলী থেকে চেকপোস্ট তুলে দিয়েছি।

ঢাকায় কর্মরত পুলিশের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, ‘সরকারের উচ্চমহল থেকে মৌখিক এই নির্দেশনাটি প্রথমে পুলিশে আসে। নির্দেশনায় বলা হয়, যারা কষ্ট করে বাড়ি ফিরছেন তাদের যেন বাড়ি ফিরতে দেয়া হয়। তবে তারা গণপরিবহনে বাড়ি ফিরতে পারবেন না।’

উল্লেখ্য করোনা ভাইরাসের কারণে সাধারণ ছুটির মধ্যে গত ২৬ মার্চ হতে গণপরিবহন চলাচল বন্ধ রেখেছে সরকার। পণ্যবাহী যানবাহনে যাত্রী পরিবহন করলে আইনের কঠোর প্রয়োগের কথাও জানায় সড়ক পরিবহন বিভাগ।

আগামী ৩০ মে পর্যন্ত বর্ধিত ছুটি পর্যন্ত এই নির্দেশনা কার্যকর থাকবে বলে জানিয়ে সরকার বলেছিল, জরুরি সেবার বাহন ছাড়া অন্য যানবাহন কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। পুলিশও জানিয়েছিল, ঢাকায় প্রবেশ ও বের হওয়া কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত হবে।

তবে ঈদের আগে বাড়ি ফিরতে মানুষ ফেরিতে পারাপার এবং পণ্যবাহী যানবাহনে ব্যবহার করছে। পুলিশের চোখ এড়াতে রড বোঝাই ট্রাকের ওপরে ত্রিপল বেধে যাওয়ার সময় গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে বৃহস্পতিবার দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান ১৩ জন।