• আজ ১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
  • f

খুলে দেওয়া হলো ঢাকার সব প্রবেশপথ, ব্যক্তিগত গাড়িতে বাড়ি ফিরছে মানুষ

⏱ ৪:০১ অপরাহ্ন | শুক্রবার, মে ২২, ২০২০ 📂 ফিচার

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে লকডাউনে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাতায়াতে ছিল পুলিশি নিষেধাজ্ঞা। তবে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশনায় সে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিচ্ছে পুলিশ। ইতোমধ্যে যাতায়াত ঠেকাতে সড়কে বসানো চেক পোস্টও তুলে নিয়েছে পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

তাই, আসন্ন ঈদ উপলক্ষে মানুষজন নিজস্ব পরিবহনে ফিরতে পারবেন গ্রাম কিংবা যেকোনো স্থানে। তবে কোথাও মিলবে না গণপরিবহন। শুধুমাত্র নিজস্ব পরিবহন ব্যবহার করেই চলাচল করতে পারবে।

পুলিশ সদর দফতর থেকে পাঠানো নির্দেশনায় বলা হয়েছে, লোকজন ব্যক্তিগত গাড়িতে বাড়ি ফিরতে পারবে। তবে গণপরিবহন বন্ধ থাকবে। ঘুরমুখো মানুষদের বাধা না দিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সদস্যদের বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) মধ্যরাত থেকেই রাজধানীতে এ নির্দেশনা বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, ইতোমধ্যে গাবতলী, উত্তরা, বাবুবাজার, সায়েদাবাদ চেকপোস্ট থেকে পুলিশ সরে গেছে। যে কেউ চাইলে নিজস্ব পরিবহনে তার গন্তব্যপথে যেতে পারবেন।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগ) ওয়ালিদ হোসেন বলেন, সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী যারা বাড়ি যেতে চায় তারা বাড়ি যেতে পারবে। পুলিশ পথে নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে এবং গণপরিবহন বন্ধ থাকবে।

ডিএমপির একাধিক কর্মকর্তা জানান, গণপরিবহন বন্ধ থাকলে ব্যক্তিগত পরিবহন ব্যবহার করে বাড়ি ফেরা যাবে। পুলিশ সদস্যরা রাস্তায় থাকবেন। কেউ যেন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাড়ি না ফিরেন তা নিশ্চিত করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে শুক্রবার সকাল থেকেই ব্যক্তিগত গাড়ি, মাইক্রোবাস চলাচলের পরিমাণ বেড়েছে।

মহাসড়কে চলাচল করা ব্যক্তিগত গাড়িতে যাতায়াতকারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, যাতায়াতে পুলিশি নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ায় পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে নিজস্ব গাড়ি নিয়ে ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়ি যাচ্ছেন তারা।

এদিকে গণপরিবহন না চললেও অনেকে যাত্রাবাড়ি ও সায়দাবাদের বিভিন্ন পরিবহনের কাউন্টারের আসছেন। তাদের পাশাপাশি পরিবহন শ্রমিকরাও সায়দাবাস টার্মিনাল অঞ্চলে ঘোরাঘুরি করছেন।

সায়েদাবাদ টার্মিনালের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা মালেক নামের একজন বলেন, ঈদ করতে কুমিল্লার গ্রামের বাড়ি যাবো। সকাল থেকে অপেক্ষায় আছি, যদি কোনা সুযোগ পাই চলে যাবো। এভাবে ঢাকায় পড়ে থাকতে আর ভালো লাগছে না। আমার তো নিজস্ব গাড়ি নেই। তাই ট্রাক, কাভার্ডভ্যানের অপেক্ষা করছি।

এর আগে, গত ১৭ মে ঢাকার বাইরে যাওয়া এবং প্রবেশের ক্ষেত্রে বাড়তি কড়াকড়ি আরোপ করে পুলিশ। যা ৩০ মে পর্যন্ত অর্থাৎ ‘সাধারণ ছুটি’ চলাকালীন অব্যাহত থাকার কথা ছিল।

কিন্তু এরপরেও অনেক মানুষ ঢাকা ছাড়ায় পুলিশের মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ বলেন, ‘মানুষ যেন গ্রামের বাড়ি না গিয়ে যে যেখানে আছেন সেখানেই থাকেন।’

করোনাভাইরাসের আরও ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে ঢাকা থেকে কাউকে বের হতে কিংবা ঢুকতে না দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।

এই নির্দেশনার তিন দিনের মাথায় এবার ব্যক্তিগত পরিবহনের ক্ষেত্রে কড়াকড়ি শিথিল করার কথা বলা হচ্ছে। তবে ব্যক্তিগত পরিবহনে যাতায়াতের ক্ষেত্রেও প্রত্যেককে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে পুলিশ।

শিম বগুড়ায় শিমের মাচায় বাম্পার ফলনের ঝিলিক

⊡ মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ১, ২০২০

করোনায় মৃত্যু করোনায় একদিনে আরও ৩১ জনের মৃত্যু

⊡ মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ১, ২০২০

হিলি এইডস ঝুঁকিতে হিলি স্থলবন্দর

⊡ মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ১, ২০২০

বাংলাদেশ গৌরবময় বিজয়ের মাস শুরু

⊡ মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ১, ২০২০

আগুন রাজধানীর শনিরআখড়ায় পিকআপে আগুন

⊡ সোমবার, নভেম্বর ৩০, ২০২০