• আজ ২০শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

‘ব্যক্তিগত’ গাড়িতে ঈদযাত্রায় ছাড়, পাটুরিয়ায় বেড়েছে ঘরমুখো যাত্রীদের চাপ

৮:১৮ অপরাহ্ণ | শুক্রবার, মে ২২, ২০২০ ঢাকা, দেশের খবর

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক- মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ফেরিঘাট দিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের চাপ বেড়েছে। ব্যক্তিগত যানবাহন চলাচলের মৌখিক অনুমতি এবং পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথের ফেরি চলাচল পুনরায় চালু হওয়ায় মানুষ এখন গ্রামে ছুটছেন।

প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস, পিকআপ ভ্যান ও মোটরসাইকেলযোগে যাত্রীরা ঢাকা থেকে পাটুরিয়া ফেরিঘাটে আসছেন। তবে বন্ধ রয়েছে বাস চলাচল।

ঘাটসংশ্লিষ্ট মানুষদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গতকাল রাত ১১টার পর ফেরি চালু হলে উভয় ঘাটে আটকে থাকা কয়েক শ গাড়ি ও কয়েক হাজার যাত্রী দ্রুত নদী পাড়ি দেয়। বিশেষ করে পাটুরিয়া ঘাট থেকে ছেড়ে আসা প্রতিটি ফেরিতে ঈদে ঘরমুখী মানুষের ব্যাপক ভিড় ছিল। এ সময় কোনো ফেরিতেই সামাজিক দূরত্ব বজায় বা স্বাস্থ্য সুরক্ষার কোনো বালাই ছিল না।

আজ শুক্রবার দুপুরের আগ পর্যন্ত দৌলতদিয়ায় দেখা যায়, আটকে থাকা অধিকাংশ গাড়ি নদী পাড়ি দিয়ে চলে গেছে। পুনরায় ফেরি চালু হওয়ার খবর অনেকের জানা না থাকায় দৌলতদিয়া ও পাটুরিয়া ঘাটে যাত্রীদের তেমন চাপ ছিল না। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় বিভিন্ন উপায়ে দৌলতদিয়া ঘাটে আসা যাত্রীরা সহজেই ফেরিতে উঠছে। দুই-তিনটি যে গাড়ি পাচ্ছে, তাই নিয়ে ফেরি ছেড়ে যাচ্ছে।

পাটুরিয়া ঘাটে শিবালয় সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তানিয়া সুলতানা বলেন, গত দুদিন ফেরি চলাচল বন্ধ থাকার কারণে পাটুরিয়া ঘাট এলাকায় ৬ কিলোমিটার জুড়ে পচনশীল ও জরুরি পণ্যবাহী গাড়ি আটকা পড়ে। নির্দেশনা অনুযায়ী, পাটুরিয়া ঘাটে আটকে থাকা ওইসব গাড়ি পার করা হচ্ছে। পাশাপাশি ব্যক্তিগত গাড়ি ও যাত্রী পার করা হচ্ছে।

তবে মহাসড়কগুলোতে থাকা চেকপোস্টে কোনো ধরনের কড়াকড়ি আরোপ করা হচ্ছে না। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য সচেতন করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন সংস্থা (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ-মহাব্যবস্থাপক জিল্লুর রহমান বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় বৃহস্পতিবার রাত ১১টা থেকে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক করা হয়। রাত থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত ছয় শতাধিক পণ্য বোঝাই ট্রাক পারাপার করা হয়েছে। এছাড়া ব্যক্তিগত গাড়ি, মাইক্রোবাস এবং অন্য যাত্রীদেরও অনায়াসে পার করা হচ্ছে।

বর্তমানে ১৬টি ফেরি প্রস্তুত আছে। যাত্রীদের মাঝে যেন সামাজিক দূরত্ব বজায় থাকে সেজন্য প্রতিটি ফেরিতে সর্বোচ্চ ৫০ থেকে ৬০ জন যাত্রীকে উঠতে বলা হচ্ছে।

Skip to toolbar