সংবাদ শিরোনাম
সরকার গণপরিবহন সিন্ডিকেটের কাছেই আত্মসমর্পণ করেছে: রিজভী | সব বাধা অতিক্রম করে দেশ এগিয়ে যাবে: প্রধানমন্ত্রী | করোনা চিকিৎসায় গেম চেঞ্জার ওষুধের অনুমোদন দিলো রাশিয়া | ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই চলছে গণপরিবহন | ‘১৫ জুনের মধ্যে হজের বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে’- ধর্ম প্রতিমন্ত্রী | করোনায় প্রথমবারের মতো এক রোহিঙ্গার মৃত্যু | ভারতে করোনা আক্রান্ত প্রায় দুই লাখ, মৃত্যু ৫ হাজার ৬শ’ | আম্পানের রেশ না কাটতেই ভারতে আঘাত হানতে যাচ্ছে ঘূর্ণিঝড় ‘‌নিসর্গ’ | ঘাটাইলে টাঙ্গাইল-জামালপুর মহাসড়কে জলাবদ্ধতা, যানজটের ভোগান্তি | চট্টগ্রামে করোনা উপসর্গ নিয়ে আইনজীবীর মৃত্যু |
  • আজ ১৯শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

পাকিস্তানে বিমান দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৯৭

১১:২৬ পূর্বাহ্ণ | শনিবার, মে ২৩, ২০২০ আন্তর্জাতিক
pak

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ পাকিস্তানের করাচিতে বিমান দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৯৭ জনে দাঁড়িয়েছে। দুজনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডন এ খবর জানিয়েছে।

শুক্রবার বিকেলে ৯১ জন যাত্রী ও আটজন ক্রু নিয়ে দেশটির আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্সের একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়। এ-৩২০ এয়ারবাস মডেলের বিমানটি লাহোর থেকে করাচি যাচ্ছিল। বেলা আড়াইটার সময় করাচির জিন্নাহ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামার কথা ছিল বিমানটির। বন্দর কর্তৃপক্ষের অনুমতিও মিলেছিল। এমন কাছে অবতরণেরর কিছু আগে মডেল কলোনি এলাকায় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। এতে ৯১ জন যাত্রী ও ৮ জন ক্রু ছিল বলে পাকিস্তানের বিমান চলাচলকারী কর্মকর্তারা জানান।

বিমাটি বিধ্বস্ত হওয়ার কিছুক্ষণ আগে যান্ত্রিক ত্রুটির কথা জানিয়েছিল। কন্ট্রোল টাওয়ার থেকে এ সময় পাইলটকে জানানো হয় বিমানবন্দরের দু’টি রানওয়েই উন্মুক্ত রয়েছে তিনি যে কোনো একটিতে অবতরণ করতে পারেন। কিন্তু পাইলট মধ্য আকাশে বিমানের গতি পরিবর্তন করেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘটনাস্থল থেকে কালো ধোঁয়া উড়তে এবং মানুষকে দৌড়ে পালিয়ে যেতে দেখা গেছে। স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, বিমানটি প্রায় পাঁচটি বাড়ি জুড়ে বিধ্বস্ত হয় এবং এসব বাড়িতেও আগুন ধরে গেছে। এ ঘটনায় হতাহতের বিবরণ এখনো প্রকাশিত হয়নি। বিমানের কিছু যাত্রীর বেঁচে যাওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে পাকিস্তানের একাধিক গণমাধ্যম।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান এ ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। দুর্ঘটনার কারণ জানতে যথাযথভাবে তদন্তের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।

উল্লেখ্য পাকিস্তানের সাম্প্রতিক উড়োজাহাজ দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় দুর্ঘটনাটি ঘটে ২০১০ সালে ইসলামাবাদে। ওই দুর্ঘটনায় বেসরকারি বিমান সংস্থা এয়ারব্লুর একটি যাত্রবাহী উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে ১৫২ আরোহীর সবাই নিহত হন।