চট্টগ্রাম র‌্যাব-৭ এর এলিট হলকে বানানো হলো আইসোলেশন সেন্টার

৪:৪৮ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, মে ২৬, ২০২০ চট্টগ্রাম
hall

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: চট্টগ্রামে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-৭ এর ২৮ জন সদস্য করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে একজন সদস্য ইতোমধ্যে সুস্থ হয়েছেন। বাকি সদস্যরা চিকিৎসাধীন রয়েছেন। কয়েকজন সদস্য চট্টগ্রাম সেনানিবাসের সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল ও নেভী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

চট্টগ্রামে করোনা রোগীদের জন্য প্রস্তুত করা হাসপাতালগুলোতে বেড সংকট ও করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় র‌্যাব-৭ এর সদস্যদের চিকিৎসার জন্য নিজেরা উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। পতেঙ্গায় র‌্যাব-৭ পরিচালিত এলিট হলকে সদস্যদের জন্য আইসোলেশন সেন্টার হিসেবে প্রস্তুত করা হয়েছে। এলিট হলের আইসোলেশন সেন্টারে র‌্যাবের নিজস্ব উদ্যোগে আনা হয়েছে ভেন্টিলেটর। এছাড়া অক্সিজেন সাপোর্টের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

র‌্যাব-৭ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. মশিউর রহমান জুয়েলের উদ্যোগে এ আইসোলেশন সেন্টার তৈরি করা হয়েছে। উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন হলে র‌্যাব সদস্যদের স্থানান্তরের জন্য একটি হেলিকপ্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে র‌্যাব সূত্রে জানা গেছে।

র‌্যাব সূত্র জানায়, করোনা ভাইরাসের সংকট তৈরি হলে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে র‌্যাব-৭ নিজস্ব উদ্যোগে বেড ক্রয় করে সদস্যদের ব্যারাকে ব্যবহারের জন্য। সেই বেড এখন আইসোলেশন সেন্টার তৈরিতে ব্যবহার করা হচ্ছে।

র‌্যাব-৭ এর আক্রান্ত ২৮ জন সদস্যের মধ্যে একজন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। বাকি ২৭ জন সদস্যের মধ্যে চট্টগ্রাম সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ৭ জন, নেভী হাসপাতালে ১ জন, আন্দরকিল্লা জেনারেল হাসপাতালে ১ জন ও এলিট হলের আইসোলেশন সেন্টারে বাকি ১৮ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এলিট হলে দায়িত্ব পালন করার জন্য সিভিল সার্জন অফিস থেকে একজন চিকিৎসককে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

র‌্যাব-৭ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. মশিউর রহমান জুয়েল বলেন, পরিস্থিতি বিবেচনায় আমরা আমাদের এলিট হলকে সদস্যদের চিকিৎসার জন্য আইসোলেশন সেন্টার হিসেবে প্রস্তুত করেছি। সেখানে উন্নতমানের ভেন্টিলেটর ও অক্সিজেন সাপোর্টের ব্যবস্থাও করেছি। সিভিল সার্জন অফিস থেকে আমাদের জন্য একজন চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন হলে সদস্যদের স্থানান্তরের জন্য র‌্যাবের নিজস্ব হেলিকপ্টারও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামে করোনা রোগীদের জন্য প্রস্তুত করা হাসপাতালগুলোতে বেড সংকট ও করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় র‌্যাব-৭ এর সদস্যদের চিকিৎসার জন্য এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, কাজ করতে গিয়ে এখন পর্যন্ত র‌্যাব-৭ এর মোট ২৮ জন সদস্য করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে একজন সুস্থ হয়েছেন। বাকিরা চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এমন সংকটের মধ্যেও র‌্যাব-৭ এর নিয়মিত কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানান র‌্যাব-৭ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. মশিউর রহমান জুয়েল।