• আজ ২৮শে আষাঢ়, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

আবারো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়লো

৫:৫৪ অপরাহ্ণ | বুধবার, মে ২৭, ২০২০ শিক্ষাঙ্গন
school;

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ সাধারণ ছুটি বাড়ানো না হলেও শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ানো হয়েছে। শিক্ষাবর্ষের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী আগামী ৫ জুন থেকে ছুটি বাড়িয়ে ১৫ জুন করা হয়েছে। বুধবার (২৭ মে) বিকালে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

ফরহাদ হোসেন বলেন, আমরা প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষরিত প্রজ্ঞাপন কিছুক্ষণ আগে পেয়েছি। দেশে করোনা প্রাদুর্ভাবের কারণে গত ২৬ শে মার্চ থেকে বেশ কয়েকদফা সরকারি ছুটির মেয়াদ বাড়ানো হলেও এবার ৩০শে মে’র পর আর ছুটির মেয়াদ বাড়ানো হবে না। তবে ১৫ই জুন পর্যন্ত গণপরিবহন ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।

তিনি আরও বলেন, ৩১শে মে থেকে সরকারি আধা-সরকারি সব অফিস খুলবে। তবে ১৫ই জুন পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্যক্তিগত গাড়ি চলাচল করবে। চলবে না গণপরিবহণ, রেল ও যাত্রীবাহী নৌযান। তবে বেসরকারি বিমানগুলো নিজ ব্যবস্থাপনায় বিমান চলাচল শুরু করতে পারবে।

এদিকে, গণ জমায়েত ও সভা সমাবেশ নিষিদ্ধ থাকলেও ধর্মীয় উপাসনালয় খোলা থাকবে। এক জেলা থেকে অন্য জেলায় যাত্রী পরিবহণে নিষেধাজ্ঞা বলবত থাকবে। বন্ধ থাকবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, তবে অনলাইনে ক্লাস নেয়া যাবে।

করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে গত ১৭ মার্চ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত সাধারণ ছুটির সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। এই ছুটির সময় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ছুটির সময় ঘরে বসেই শিক্ষার্থীদের অনলাইনে পাঠদানের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ‘আমার ঘরে আমার স্কুল’ শিরোনামে সংসদ টেলিভিশনে ক্লাস চলছে এবং ইউটিউব চ্যানেলে ভিডিও ক্লাস আপলোড করা হচ্ছে শিক্ষার্থীদের জন্য। এছাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ‘ঘরে বসে শিখি’ শিরোনামে সংসদ টেলিভিশনে ভিডিও ক্লাস চলছে। এই নামে একটি ওয়েব পোর্টালও ডেভেলপ করা হচ্ছে।

ছুটির পর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন বলেন, ‘বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা ও আন্তর্জাতিক নিয়ম মেনে একটি গাইডলাইন তৈরি করছি। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হলে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালিত হবে।’

এর আগে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের পরিচালক (কলেজ ও প্রশাসন) অধ্যাপক শাহেদুল খবির চৌধুরী বলেন, করোনা বিস্তার কমে গেলে যদি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হয়, তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চলবে। আগের মতো করে স্বাভাবিক নিয়মে ক্লাসসহ শিক্ষা কার্যক্রম চালানো সম্ভব হবে না।