গত এক দশকে ধনী বৃদ্ধির হারে শীর্ষে বাংলাদেশ

৮:৪৯ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, মে ২৮, ২০২০ অর্থনীতি
ban

অর্থনীতি ডেস্কঃ ধনীর সংখ্যা বৃদ্ধির হারের দিক দিয়ে গত দশকে বিশ্বের বহু বড় অর্থনীতিকে পেছনে শীর্ষে রয়েছে বাংলাদেশ। ধনীর সংখ্যা বৃদ্ধির হারের দিক দিয়ে বাংলাদেশ তথা এশিয়ার অবস্থান চোখে পড়ার মতো।

যুক্তরাষ্ট্রের সম্পদ গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওয়েলথ- এক্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠেছে। ‘আ ডিকেড অব ওয়েলথ’ শীর্ষক গবেষণায় দেখা গেছে যে, ২০১০ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত গত ১০ বছরে দেশে ধনীর সংখ্যা গড়ে ১৪.৩ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

গবেষণায় ধনী দেশগুলোর প্রথম ১০টির মধ্যে এশিয়ার ৬ টি দেশ রয়েছে। এই তালিকার শীর্ষে বাংলাদেশ ও ভিয়েতনাম। উভয় দেশেই তরুণ কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী ও আঞ্চলিক উৎপাদন বৃদ্ধির কারণে অর্থনৈতিক প্রসার ঘটেছে।

বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের পর তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে চীন। দেশটিতে ধনীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ১৩.৫ শতাংশ হারে। এছাড়া কেনিয়ায় ১৩.১ শতাংশ, ফিলিপাইনে ১১.৯ শতাংশ, থাইল্যান্ডে ১০.৬ শতাংশ, নিউজিল্যান্ডে ৮.৭ শতাংশ, যুক্তরাষ্ট্রে ৮.২ শতাংশ, পাকিস্তানে ৭.৫ শতাংশ এবং আয়ারল্যান্ডে ৭.১ শতাংশ হারে ধনীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।

এই গবেষণায় সম্পদশালী জনগোষ্ঠীকে তিনটি ভাগে ভাগ করেছে ওয়েলথ এক্স। (১) ১০ লাখ থেকে ৫০ লাখ ডলার সম্পদের অধিকারী, (২) ৫০ লাখ ডলার থেকে ৩ কোটি ডলার সম্পদের অধিকারী বা ভেরি হাই নেট ওর্থ (ভিএইচএনডব্লিউ), (৩) ৩ কোটি ডলারের ওপর সম্পদশালী বা আলট্রা হাই নেট ওর্থ (ইউএইচএনডব্লিউ)।

ওয়েলথ এক্স বলছে, ২০১৯ সালে এসে ধনী ব্যক্তিরা বিশ্বব্যাপী ব্যক্তিগত সম্পদের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ নিয়ন্ত্রণ করছে, যা প্রায় ১০৪ ট্রিলিয়ন ডলার। ২০০৫ সালে যা ৫০ ট্রিলিয়ন ডলার ছিল।

প্রতিটি দেশের জনসংখ্যার উপর ভিত্তি করে এই অনুপাত ধরা হয়েছে। এশিয়ায় ৫০ লাখ ডলারের বেশি সম্পদশালী মানুষের সংখ্যা তিনগুন হয়েছে। এক দশকে ১০ শতাংশ বেড়ে ২৭ শতাংশ হয়েছে। যদিও অঞ্চলভিত্তিক সম্পদশালীর সংখ্যায় উত্তর আমেরিকা এখনো আধিপত্য বজায় রেখেছে, ৩৯ শতাংশ। ২০০৮ সালের অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে খুবই শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তি নিয়ে এগিয়ে চলেছে এই অঞ্চল।

-খবর ওয়েলথ-এক্স ও ভিএন এক্সপ্রেসের