সংবাদ শিরোনাম
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রচলিত আজব কিছু কুসংস্কার | টিকটক সেলিব্রেটি ‘অফু বাই’ গ্রেফতার | শচীনের ব্যাটেই ৩৭ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন আফ্রিদি! | বাউফলে পানিতে ডুবে একই পরিবারের তিন বোনের মর্মান্তিক মৃত্যু | হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িতে হামলা: যুবলীগ নেতাসহ জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি | ‘শেখ হাসিনা প্রমাণ করেছেন সঠিক নেতৃত্বে দুর্যোগ মোকাবেলা করা সম্ভব’- তথ্যমন্ত্রী | সাবেক সেনা কর্মকর্তার মৃত্যুতে মির্জা ফখরুলের বিবৃতি | কুড়িগ্রামে করোনার উপসর্গ নিয়ে পুলিশ সদস্যের মৃত্যু | নেপালে ভূমিধসে আট নির্মাণশ্রমিকসহ ১০ জনের মৃত্যু | কোরবানির মাংস সংগ্রহ করতে গিয়ে নিখোঁজ, পানি থেকে ভাসমান মরদেহ উদ্ধার |
  • আজ ২০শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

ছাত্রীর সঙ্গে ফোনালাপে অশ্লীলতার অভিযোগ, ইবি অধ্যাপককে শোকজ

৫:১১ অপরাহ্ণ | শুক্রবার, জুলাই ৩, ২০২০ শিক্ষাঙ্গন
iuuu

ইবি প্রতিনিধিঃ ছাত্রীর সঙ্গে অশ্লীল প্রেমালাপের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমানকে শোকজ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আগামী সাত দিনের মধ্যে তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বরাবর কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। একইসাথে ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রীয় মিলনায়তনের (টিএসসিসি) পরিচালকের দায়িত্ব থেকেও অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এস এম আব্দুল লতিফ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

জানা যায়, গত মঙ্গলবার ঐ শিক্ষকের সাথে এক ছাত্রীর (অজ্ঞাতনামা) অশ্লীল প্রেমালাপের দুটি অডিও ক্লিপ ফাঁস হয়। ১৪ মিনিট ১৯ সেকেন্ড ও ৯ মিনিট ৯ সেকেন্ডের এ ফোনালাপে দৈহিক সম্পর্কসহ বিভিন্ন অশ্লীল আলাপচারিতা শোনা যায়। অডিও ক্লিপের একটিতে ঐ ছাত্রীকে শিক্ষকের বাসায় আসার প্রস্তাব দিতেও শোনা যায়।

পরে ক্লিপ দুটি সামাজিক যােগাযােগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হলে তা কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগােচর হয়। পরে বৃহস্পতিবার এক অফিস আদেশে ঐ শিক্ষককে টিএসসিসি’র পরিচালকের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি ও কারন দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়।

অফিস আদেশে বলা হয়, অধ্যাপক মিজানুর রহমান ও নারী শিক্ষার্থীর মধ্যে অডিওতে যেভাবে অশ্লীল ও আপত্তিকর কথা হয়েছে তা শিক্ষক হিসেবে নৈতিক স্খলনের শামিল। যাতে শিক্ষক সমাজসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি এবং শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর মধ্যকার সম্পর্কের পবিত্রতা ক্ষুণ্ন হয়েছে।

এদিকে ফোনালাপ দুটির কন্ঠ তার নয় বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত ঐ শিক্ষক। ঘটনাটি অস্বীকার করে তিনি বলেন, এ কণ্ঠ আমার না। বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু কুচক্রীমহল আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে এ কাজটি করেছে। আমি তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহন করব।

এদিকে ঘটনার তদন্তে তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এতে আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. হালিমা খাতুনকে আহবায়ক করা হয়েছে। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন দেশরত্ন শেখ হাসিনা হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. শেলীনা নাসরিন ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন উর রশিদ আসকারী বলেন, আমরা তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। আগামী সাত দিনের মধ্যে তাকে জবাব দিতে বলা হয়েছে। তিনি জবাব দিলে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহন করব এবং ঐ ছাত্রীকেও তদন্ত কমিটি অনুসন্ধান করবে।

Skip to toolbar