সংবাদ শিরোনাম
  • আজ ২৩শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

তিনদিন বন্ধ থাকার পর ফের নমুনা পরীক্ষা শুরু করেছে যবিপ্রবি

১০:১৯ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, জুলাই ৭, ২০২০ খুলনা
Pic

মোসাব্বির হোসাইন, যবিপ্রবি প্রতিনিধি: যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) জিনোম সেন্টারে আবারও শুরু হয়েছে নোভেল করোনাভাইরাস (কভিড-১৯) রোগীর নমুনা পরীক্ষার কাজ। তিনদিন বিরতির পর গতকাল সোমবার রাত থেকে আবার পরীক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। যশোর, মাগুরা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলার মোট ২৩১ টি সন্দেহভাজন করোনা রোগীর নমুনা পাঠায় সংশ্লিষ্ট জেলার সিভিল সার্জনগণ। আজ মঙ্গলবার থেকে যথারীতি করোনা টেস্টের ফলাফল দেয়া হবে বলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ও পরীণ দলনেতা ড. ইকবাল কবীর জাহিদ জানান, যবিপ্রবি অ্যাকাডেমিক ভবনে বিদ্যুতের ক্যাপাসিটি বাড়ানোর জন্য গত বৃহস্পতিবার থেকে জেনোম সেন্টারে করোনা রোগীর নমুনা পরীক্ষা কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হয়। এ সুযোগে গত তিনদিনে আরো কিছু কাজ সেরেও ফেলা হয়েছে। তিনি বলেন, গত প্রায় এক মাস যাবৎ একটানা ল্যাব চলেছে। ভাইরাস নিয়ে কাজ করা ল্যাব নির্দিষ্ট সময় পর পর জীবাণুমুক্ত (ডিকন্টামিনেট) করার সময়ও হয়ে যায়। তাই এ বিরতির মধ্যে সেই কাজটি করে ফেলা হয়েছে। পাশাপাশি পিসিআর মেশিনের পুনঃযাচাইয়ের কাজটিও (ক্যালিব্রেশন) করা হয়েছে। এজন্য পিসিআর মেশিনটির সরবরাহকারী ওভারসিজ মার্কেটিং কোম্পানির এক্সপার্টরা পুনঃযাচাইকরণের কাজটাও সেরে ফেলেছেন।

তিনি আরও বলেন, বিষয়টি গত মঙ্গলবার সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোর সিভিল সার্জনদের লিখিতভাবে অবহিত করে অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে খুলনা বা অন্য কোনো ল্যাবে নমুনা পাঠাতে অনুরোধ করা হয়। সেই অনুযায়ী সিভিল সার্জনরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছেন। তবে এ সময়ে করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় বিভিন্ন জেলা থেকে আমাদের ল্যাবটি দ্রুত চালু করার জন্য যোগাযোগ করা হচ্ছিল। সেই তাগিদেই আমরা অনেকটা দ্রুত ল্যাব চালুর উদ্যোগ নিয়েছি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জিনোম সেন্টারে করোনাভাইরাস পরীক্ষণ দলের সদস্য, পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক ড. শিরিন নিগার জানান, তিনদিন বিরতির পর সোমবার থেকে আমরা আবার নমুনা নিতে শুরু করি। এদিন যশোর জেলার ১২০টি, মাগুরা জেলার ৩৪টি, সাতক্ষীরা জেলার ৩৯টি ও বাগেরহাট জেলার ৩৮টি নমুনা সংশ্লিষ্ট সিভিল সার্জন অফিস থেকে পাঠানো হয়েছে। এসব নমুনা প্রসেসিং করে সোমবার রাতেই পিসিআর মেশিনে তুলে দেয়া হয়েছে। ফলে আশা করছি মঙ্গলবার (আজ) যথারীতি ফলাফল দিতে পারবো।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জিনোম সেন্টারে করোনাভাইরাস পরীক্ষণ দলের সদস্য, পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক ড. শিরিন নিগার জানান, তিনদিন বিরতির পর সোমবার থেকে আমরা আবার নমুনা নিতে শুরু করি। এদিন যশোর জেলার ১২০টি, মাগুরা জেলার ৩৪টি, সাতক্ষীরা জেলার ৩৯টি ও বাগেরহাট জেলার ৩৮টি নমুনা সংশ্লিষ্ট সিভিল সার্জন অফিস থেকে পাঠানো হয়েছে। এসব নমুনা প্রসেসিং করে সোমবার রাতেই পিসিআর মেশিনে তুলে দেয়া হয়েছে। ফলে আশা করছি মঙ্গলবার (আজ) যথারীতি ফলাফল দিতে পারবো।

Skip to toolbar