সংবাদ শিরোনাম
জীবনসঙ্গিনী খুঁজে নিলেন চাহাল | এবার ১২০০ কোটি রুপি ব্যয়ে আকাশছোঁয়া ‘হনুমানের মূর্তি’ তৈরি হচ্ছে ভারতে | লাদাখ সীমান্তে উত্তেজনা বৃদ্ধি, আবারো চীনা সেনা মোতায়েনের দাবি ভারতের | হাজিদের পাথর নিক্ষেপে পদদলিত হয়ে মৃত্যু থামিয়ে ছিলেন এই বাংলাদেশি ইঞ্জিনিয়ার | লামায় ৯ বছরের শিশু ধর্ষিত, ধর্ষক আটক | পিরোজপুরে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের দুই ভুয়া কর্মকর্তা গ্রেপ্তার | বঙ্গমাতার জন্মদিন উপলক্ষে তানোরে সেলাই মেশিন বিতরণ | ‘করোনার চেয়েও বড় সংকট হয়তো সামনে আসছে’- বিল গেটস | সিফাতের মুক্তির দাবিতে মানববন্ধনে পুলিশের লাঠিচার্জ | কাউখালীতে পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী ধর্ষণের চেষ্টা, লম্পট গ্রেফতার |
  • আজ ২৫শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

৮৬ বছর পর বিখ্যাত ‘আয়া সোফিয়ায়’ আজানের ধ্বনি

৩:৪৯ অপরাহ্ণ | শনিবার, জুলাই ১১, ২০২০ ইসলাম
hagia-sofia

ইসলাম ডেস্কঃ বিশ্বস্থাপত্যের অনন্য নিদর্শন তুরস্কের আয়া সোফিয়াকে জাদুঘর রাখার সিদ্ধান্ত বাতিল করেছে তুরস্কের সর্বোচ্চ আদালত। শুক্রবার তুরস্কের সর্বোচ্চ আদালত ১৯৩৪ সালের নভেম্বরে কামাল আতাতুর্কের মন্ত্রীপরিষদের গৃহীত সিদ্ধান্ত বাতিল করে তা মসজিদে রূপান্তরের নির্দেশ দেয়। এই রায়ের পর ইস্তাম্বুলের খ্যাতনামা আয়া সোফিয়ায় আজান দেয়া হয়েছে।

আয়া সোফিয়ার ইতিহাসের সূচনা ৫৩৭ খ্রিস্টাব্দে, যখন বাইজান্টাইন সম্রাট জাস্টিনিয়ান ইস্তাম্বুলের গোল্ডেন হর্ন নামে এক জায়গায় একটি বিশাল গির্জা তৈরির সিদ্ধান্ত নেন। সে সময় বিশাল গম্বুজের এই গির্জাকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় গির্জা এবং দালান বলে মনে করা হতো। ১২০৪ সালে ক্রুসেডারদের হামলার ঘটনা বাদে কয়েক শতাব্দী ধরে আয়া সোফিয়া বাইজান্টাইনদের নিয়ন্ত্রণে ছিল।

ওসমানীয় বংশীয় সুলতান তৃতীয় মেহমেদ ১৪৫৩ সালে বাইজান্টাইন শাসকদের হাত থেকে ইস্তাম্বুল দখল করে নেন। তার আগ পর্যন্ত শহরটির নাম ছিল কনস্টান্টিনোপল। ইস্তাম্বুল দখলের পর বিজয়ী মুসলিম বাহিনী প্রথমবারের মতো গির্জার ভেতরে নামাজ আদায় করে।

ওসমানীয় শাসকেরা এরপর আয়া সোফিয়াকে মসজিদে রূপান্তর করেন। মসজিদের চারপাশে চারটি মিনার তৈরি করেন। গির্জার সব খ্রিস্টান প্রতিকৃতি এবং সোনালি মোজাইকগুলো কোরানের বাণী দিয়ে ঢেকে দেয়া হয়। এর পরের কয়েক শ’ বছর ধরে আয়া সোফিয়া ছিল ওসমানীয় মুসলমান সাম্রাজ্যের কেন্দ্রবিন্দু।

১৯৩৪ সালে তুরস্কে ধর্মনিরপেক্ষতা চালু করার প্রক্রিয়ায় মসজিদটিকে জাদুঘরে পরিণত করা হয়।

আয়া সোফিয়া এখন তুরস্কের সবচেয়ে দর্শনীয় স্থান বলে স্বীকৃত। প্রতিবছর ৩৭ লাখ পর্যটক এটি দেখতে আসেন।

সূত্র : বিবিসি, ডেইলি সাবাহ

Skip to toolbar