সংবাদ শিরোনাম
রাস্তা ভেঙ্গে পুকুরের পেটে ৩ মাস, সংস্কারের উদ্দ্যোগ নেই কতৃপক্ষের! | ‘প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী হওয়া স্বত্ত্বেও আমার মায়ের কোনো অহমিকা ছিল না’- শেখ হাসিনা | বঙ্গবন্ধুর খুনি রাশেদ চৌধুরীকে ফেরত পাঠাতে ট্রাম্পকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি | নিরবে নিভৃতে বাঙালি জাতির জন্য কাজ করে গেছেন বঙ্গমাতা: মেয়র তাপস | ‘বঙ্গমাতা ছিলেন বঙ্গবন্ধুর সার্বক্ষণিক রাজনৈতিক সহযোদ্ধা’- কাদের | ভারতে আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা | সহকারী কোচসহ জাতীয় দলের ১৮ ফুটবলার করোনা আক্রান্ত! | ভারতে বিমান দুর্ঘটনা: দুই পাইলটসহ ২০ জনের মৃত্যু | করোনা ভ্যাকসিনের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু করছে সিঙ্গাপুর | বিশ্বে একদিনেই ৬ হাজারের বেশি মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৭ লাখ ২৪ হাজার |
  • আজ ২৪শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

আল আকসাকে স্বাধীন করার ঘোষণায় ইহুদি গোষ্ঠীর সমালোচনার মুখে এরদোয়ান

৫:৩৬ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, জুলাই ১৬, ২০২০ আন্তর্জাতিক
erd

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ‘আয়া সোফিয়া’কে মসজিদ হিসেবে পুনঃপ্রতিষ্ঠার পর এবার ইসরাইলের কাছ থেকে মুসলিমদের তৃতীয় পবিত্র স্থান আল আকসা মসজিদ উদ্ধার করার ঘোষণা দিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোগান। জেরুজালেম পোস্ট, ইসলামিক ইনফর্মেশন এর প্রতিবেদনে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

তুরস্কের প্রেসিডেন্টের ওয়েবসাইটে বলা হয়, ‘আয়া সোফিয়াকে মসজিদ হিসেবে পুনঃরূপান্তরের মাধ্যমে আল আকসা মসজিদ স্বাধীন করার যাত্রা শুরু হয়েছে। আয়া সোফিয়া পুনরুদ্ধার মুসলমান ও নির্যাতিত, নিষ্পেষিত মানুষদের আশার পুনর্জাগরণের প্রথম পদক্ষেপ।’

তুর্কি প্রেসিডেন্টের এমন ঘোষণার তীব্র সমালোচনা করেছে ৫৩টি ইহুদি সংগঠনের দল। এক বিবৃতিতে তারা বলে, ‘এরদোয়ানের এমন উস্কানিমূলক এবং আপত্তিকর বক্তব্যে আমরা হতবাক। তিনি জেরুজালেমের পবিত্র জায়গা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন। এর তীব্র নিন্দা জানাই আমরা।’

এতে আরো জানানো হয়, তুর্কি প্রেসিডেন্টের এমন বক্তব্য ঐ অঞ্চলে আরও সংঘাতময় পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। তাই দ্রুত এ বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিতে এরদোয়ানের প্রতি আহ্বান জানান তারা।

এর আগেও পবিত্র মসজিদ আল আকসাকে ইসরাইলের হাত থেকে মুক্তি করতে বিশ্ব মুসলিমদের এক হওয়ার আহ্বান জানান তুর্কি প্রেসিডেন্ট।

প্রসঙ্গত আয়া সোফিয়ার ইতিহাসের সূচনা ৫৩৭ খ্রিস্টাব্দে, যখন বাইজান্টাইন সম্রাট জাস্টিনিয়ান ইস্তাম্বুলের গোল্ডেন হর্ন নামে এক জায়গায় একটি বিশাল গির্জা তৈরির সিদ্ধান্ত নেন। সে সময় বিশাল গম্বুজের এই গির্জাকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় গির্জা এবং দালান বলে মনে করা হতো। ১২০৪ সালে ক্রুসেডারদের হামলার ঘটনা বাদে কয়েক শতাব্দী ধরে আয়া সোফিয়া বাইজান্টাইনদের নিয়ন্ত্রণে ছিল।

ওসমানীয় বংশীয় সুলতান তৃতীয় মেহমেদ ১৪৫৩ সালে বাইজান্টাইন শাসকদের হাত থেকে ইস্তাম্বুল দখল করে নেন। তার আগ পর্যন্ত শহরটির নাম ছিল কনস্টান্টিনোপল। ইস্তাম্বুল দখলের পর বিজয়ী মুসলিম বাহিনী প্রথমবারের মতো গির্জার ভেতরে নামাজ আদায় করে।

ওসমানীয় শাসকেরা এরপর আয়া সোফিয়াকে মসজিদে রূপান্তর করেন। মসজিদের চারপাশে চারটি মিনার তৈরি করেন। গির্জার সব খ্রিস্টান প্রতিকৃতি এবং সোনালি মোজাইকগুলো কোরানের বাণী দিয়ে ঢেকে দেয়া হয়। এর পরের কয়েক শ’ বছর ধরে আয়া সোফিয়া ছিল ওসমানীয় মুসলমান সাম্রাজ্যের কেন্দ্রবিন্দু।

৪৮১ বছর পর ১৯৩৪ সালের ২৪ নভেম্বর কামাল আতাতুর্কের মন্ত্রীপরিষদ এটিকে জাদুঘরে পরিণত করে। ৮৬ বছর পর আবার তা মসজিদ হিসেবে ব্যবহারের সিদ্ধান্ত হয়।

Skip to toolbar