সংবাদ শিরোনাম
  • আজ ২৪শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

সাহেদকে নিয়ে মধ্যরাতে ডিবির অভিযান, অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার

১২:৩৪ অপরাহ্ণ | রবিবার, জুলাই ১৯, ২০২০ আলোচিত

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- করোনা টেস্টের ভুয়া রিপোর্ট প্রদান, অর্থ আত্মসাতসহ প্রতারণার অভিযোগে গ্রেফতার রিজেন্ট গ্রুপ ও রিজেন্ট হাসপাতাল লিমিটেডের চেয়ারম্যান সাহেদ করিম ওরফে মো. সাহেদকে নিয়ে রাতের গভীরে অভিযান চালিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তপন চন্দ্র সাহা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, শনিবার দিবাগত মধ্যরাতে ডিবি তাকে নিয়ে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে মদ, ফেন্সিডিল ও পিস্তল উদ্ধার হওয়ায় দুইটি মামলা হয়।

উত্তরা পশ্চিম থানা সূত্র জানায়, রাতে ডিবি সদস্যরা সাহেদকে নিয়ে উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরের সোনারগাঁও জনপদ রোডের ৬২ নম্বর বাসার সামনে অভিযান চালায়। সেখানে সাহেদের নিজস্ব সাদা প্রাইভেটকার ছিল। সেই প্রাইভেটকারে তল্লাশি চালিয়ে ডিবির সদস্যরা ৫ বোতল বিদেশি মদ, ১০ বোতল ফেন্সিডিল ও একটি পিস্তল উদ্ধার করে। একটি গুলিও উদ্ধার করা হয়। এরপরই অস্ত্র ও মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে দুটি মামলা দায়ের করা হয়। এই থানায় এ পর্যন্ত সাহেদের বিরুদ্ধে ৫ টি প্রতারণাসহ মোট ৭ টি মামলা হলো।

এর আগে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে উত্তরার অফিসে যাওয়া হয় তাকে। সেখানে তল্লাশি শেষে এক লাখ ৪৬ হাজার টাকা সমমূল্যের জাল নোট উদ্ধার করা হয়।

সাতক্ষীরার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গত বুধবার ভোরে সাহেদকে গ্রেফতার দেখায় র‍্যাব। এদিন বিকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সাহেদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। পরে তাকে ডিবির কাছে হস্তান্তর করে র‍্যাব। রিজেন্টের জাল-জালিয়াতি অভিযোগের তদন্ত করছে ডিবি।

টিভি টক শোর নিয়মিত আলোচক ও প্রভাবশালীদের সঙ্গে অসংখ্য সেলফি ও ছবি তুলে নিজেকে জাহির করতেন সাহেদ। কিন্তু কোভিড চিকিৎসার নামে প্রতারণা করে শেষ পর্যন্ত ফেসে যান।

৬ জুলাই র‍্যাব সাহেদের মালিকানাধীন রিজেন্টের উত্তরা ও মিরপুর শাখায় অভিযান পরিচালনা করে। জানা যায়, করোনার ৬ হাজার ভুয়া প্রতিবেদন দিয়েছে এই হাসপাতাল। হাসপাতালের লাইসেন্সও নবায়ন করেনি। সাহেদকে এক নম্বর আসামি করে মামলা করে র‍্যাব। তারপরই তাকে খুঁজতে সারাদেশে তৎপরতা শুরু করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

সাহেদের পৈতৃক বাড়ি পশ্চিমবঙ্গের বশিরহাট। ২০০৮ সালের দিকে বহুধাপ বিপণন (এমএলএম) ব্যবসায় সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা-পয়সা আদায় করে চম্পট দিয়েছিলেন তিনি। সে সময়ও আশ্রয় নিয়েছিলেন উত্তর ২৪ পরগনার বারাসাতে।

Skip to toolbar