এইডস নিয়ে কিছু ভ্রান্ত ধারণা ও সত্যতা

⏱ ২:৫১ অপরাহ্ন | শুক্রবার, জুলাই ৩১, ২০২০ 📂 জানা-অজানা
aides

জানা-অজানা ডেস্কঃ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, এ পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী এইচ.আই.ভি ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সাড়ে তিন কোটি (৩৫ মিলিয়ন) মানুষ মারা গেছে। প্রতি বছর নতুন করে আরও ১৮ লাখের মতো মানুষ এই ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছেন। এটি বিশ্বের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য বিষয়ক সংকটগুলোর একটি। এইচআইভি ভাইরাস থেকেই শুধুমাত্র আপনি এইডস আক্রান্ত হবেন। এইচ.আই.ভি ভাইরাস মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (অনাক্রম্যতা) নষ্ট করে দেয়, ফলে নানা সংক্রামক রোগ ও কয়েক রকম ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে রোগী মৃত্যু মুখে ঢলে পড়ে।

সারা বিশ্বজুড়ে ১ ডিসেম্বর বিশ্ব এইডস দিবস পালিত হয়ে থাকে। সারা বিশ্বে প্রচার সত্ত্বেও আজও এইডস নিয়ে মানুষের মনে রয়েছে অজানা ভয়। যে ভয়ের জন্ম ভ্রান্ত কিছু ধারণা থেকে। জেনে নিন এমনই কিছু ভ্রান্ত ধারণা ও সত্যতা-

আক্রান্তদের সাথে সাধারণ মেলামেশা-

২০১৬ সালে যুক্তরাজ্যের জনসংখ্যার ২০ শতাংশ মানুষ বিশ্বাস করতো যে এইচআইভি আক্রান্ত ব্যক্তিকে স্পর্শ করলে বা তার ত্বক ও মুখের লালা দ্বারা আপনিও আক্রান্ত হবেন।

কিন্তু এটি কোন ছোঁয়াচে রোগ নয়। একই বাতাসে নিশ্বাস নিলে, হাত মেলালে, জড়িয়ে ধরলে, চুমু খেলে, একই পাত্রে খাবার খেলে, পানি খেলে, আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত ব্যক্তিগত সামগ্রী ব্যবহার করলে, তার ব্যবহৃত টয়লেট ব্যবহার করলে আপনিও এইচআইভি ভাইরাসে আক্রান্ত হবেন না।

এইচআইভি পজিটিভ হলে সুস্থ সন্তানের জন্ম সম্ভব নয়-

যদিও চিকিত্সকরা এমন কোনও গ্যারান্টি দিতে পারেন না সন্তানের মধ্যে সংক্রমণ ছড়াবে না। কিন্তু চিকিত্সকরা এও বলেন যে এইচআইভি পজিটিভরাও সুস্থ সন্তানের জন্ম দিতে পারেন।

এইচআইভি পজিটিভ মানেই অবাধারিত মৃত্যু নয়-

চিকিত্সকরা জানাচ্ছেন আধুনিক চিকিত্সা ও সাবধানতার মাধ্যমে মৃত্যু এড়ানো সম্ভব।

এইচআইভি ইনফেকশন রয়েছে কিনা মুখ দেখে বোঝা যায় না-

এই ইনফেকশনের সাধারণত কোনও লক্ষণ থাকে না। তাই দেখে বোঝা যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।

হেটরোসেক্সুয়ালদের এইচআইভি সংক্রমণ নিয়ে চিন্তার প্রয়োজন নেই-

যদিও আমরা জানি সমকামীদের মধ্যেই এইচআইভি সংক্রমণের সম্ভাবনা বেশি। সারা বিশ্বে এইচআইভি আক্রান্তদের ৭৮ শতাংশ সমকামী ও ২৪ শতাংশ হেটরোসেক্সুয়াল। তাই শুধু সমকামীরাই আক্রান্ত হতে পারে এই ধারণা একেবারেই ভুল।

মশা দ্বারা ছড়ায় না-

মশা একই ঘরে থাকা মানুষজনে কামড়াতে থাকে। আক্রান্ত ব্যক্তিকে কামড়ে যদি অন্য কামড়ায় তাহলেও এটি ছড়াতে পারে সেটি ভুল ধারনা। যদিও রক্তদ্বারা এই ভাইরাস ছড়ায় কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে মশা বা রক্ত খায় এমন কিট দ্বারা আপনি আক্রান্ত হবেন না।

তার দুটি কারণ। একটি হল একজনের শরীর থেকে রক্ত খেয়ে সে সেই রক্ত দ্বিতীয় কোন ব্যক্তির শরীরে ইনজেকশন দেয়ার মতো করে রক্ত ঢুকিয়ে দেয়না। আর মশা বা অন্য কিটের শরীরে এই জীবাণু খুব সামান্য সময় বেচে থাকে।

সুত্রঃ বিবিসি

dohaskyline বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ১০ দেশ

⊡ শনিবার, নভেম্বর ২১, ২০২০

komola ইতিহাস গড়লেন কমলা হ্যারিস!

⊡ শনিবার, নভেম্বর ৭, ২০২০

President Jo Biden কে এই জো বাইডেন?

⊡ শুক্রবার, নভেম্বর ৬, ২০২০

infertility পুরুষের বন্ধ্যাত্বের সমস্যা বাড়ছে যেসব কারণে

⊡ বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২০