বগুড়ায় পৃথক সড়ক দূর্ঘটনায় এনজিওকর্মী ও দিনমজুরের মৃত্যু

⏱ ৬:০০ অপরাহ্ন | শুক্রবার, জুলাই ৩১, ২০২০ 📂 রাজশাহী
Barura

সাখাওয়াত হোসেন জুম্মা, বগুড়া প্রতিনিধি:  ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফেরার পথে ও কাজের সন্ধানে বের হওয়ায় বগুড়ায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় এনজিওকর্মী শাপলা খাতুন(২৮) ও দিনমজুর চাঁন মিয়া (৪৫) মারা যায়।

ঘটনাটি ৩১ জুলাই শুক্রবার সকাল ৭টায় জেলার নন্দীগ্রাম উপজেলার রনবাঘা ও সকাল ৮টার দিকে শেরপুর উপজেলার শেরুয়া বটতলা এলাকায় ঘটে।

ট্রাকচাপায় নিহত এনজিওকর্মী শাপলা খাতুনের স্বামী তাইজুল ইসলাম ও মেয়ে সিদ্দিকা (৭) আহত হয়েছে। অপরদিকে অজ্ঞাতনামা যানবাহনের চাপায় নিহত চাঁন মিয়া শেরপুর উপজেলার শাহবন্দেগী ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর নামাপাড়া এলাকার মৃত রহমত আলীর ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ঈদের ছুটিতে শাপলা স্বামীর সঙ্গে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন।  শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে জেলার নন্দীগ্রাম উপজেলার রনবাঘার মিজান অটো রাইস মিলের সামনে পৌঁছালে পাবনাগামী একটি পাথরবোঝাই ট্রাক মোটরসাইকেলটিকে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে শাপলা ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। তার স্বামী ও সন্তান মোটরসাইকেলসহ রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ে গিয়ে আহত হন। স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। রনবাঘা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত শাপলা বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলার মালবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি পাবনার ঈশ্বরদীতে টিএমএসএস নামের একটি এনজিওতে চাকরি করতেন।

এ ব্যাপারে নন্দীগ্রাম হাইওয়ে কুন্দারহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনার পরপরই ট্রাক নিয়ে চালক পালিয়ে গেছেন। ট্রাকটি জব্দ করার জন্য বিভিন্ন থানায় বার্তা পাঠানো হয়েছে।

অপরদিকে একই দিন সকাল ৮টার দিকে ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের শেরপুর উপজেলার শাহবন্দেগী ইউনিয়নের শেরুয়া বটতলা এলাকায় দিনমজুরে মৃত্যু হয়।  স্থানীয়রা রাস্তার পাশে নিহতের লাশ পড়ে থাকতে দেখে দমকল বাহিনীকে খবর দেন। পরে হাইওয়ে পুলিশ ও দমকলবাহিনী তার লাশ উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

এ প্রসঙ্গে হাইওয়ে পুলিশ শেরপুর ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. রফিকুল ইসলাম জানান, তার শরীরে দুর্ঘটনায় আহত হবার চিহ্ন রয়েছে। তাই তার লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে শেরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ জানান, প্রতিদিনের মত বাড়ি থেকে রণবীরবালা ঘাটপাড় এলাকায় যাবার উদ্দেশ্যে সে বের হলেও সেখানে যাবার আগেই রাস্তায় তার মৃত্যু হয়। অজ্ঞাত যানের চাপায় তার মৃত্যু হওয়ায় লাশ পরিবারের কাছে দেয়া হয়েছে।