সংবাদ শিরোনাম
চাঁদপুর প্রেসক্লাব সভাপতি ইকরাম চৌধুরী আর নেই | ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুর তালিকায় আরও ৩২ জন, শনাক্ত ২৬১১ | ‘ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন হবার নয়’- পররাষ্ট্রমন্ত্রী | বঙ্গমাতার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে হিলিতে সেলাইমেশিন বিতরণ | চুয়াডাঙ্গায় বেপরোয়া বাসের ধাক্কায় ঝরে গেল ৬ জনের তাজা প্রাণ | করোনা কেড়ে নিল আরও ৩২ জনের প্রাণ, নতুন শনাক্ত ২৬১১ | রাস্তা ভেঙ্গে পুকুরের পেটে ৩ মাস, সংস্কারের উদ্দ্যোগ নেই কতৃপক্ষের! | ‘প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী হওয়া স্বত্ত্বেও আমার মায়ের কোনো অহমিকা ছিল না’- শেখ হাসিনা | বঙ্গবন্ধুর খুনি রাশেদ চৌধুরীকে ফেরত পাঠাতে ট্রাম্পকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি | নিরবে নিভৃতে বাঙালি জাতির জন্য কাজ করে গেছেন বঙ্গমাতা: মেয়র তাপস |
  • আজ ২৪শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

আসল এন৯৫ মাস্ক যেভাবে চিনবেন

৬:৩৭ অপরাহ্ণ | রবিবার, আগস্ট ২, ২০২০ জানা-অজানা

জানা-অজানা ডেস্কঃ করোনাভাইরাস থাবা বসিয়েছে ৬ মাস হয়ে গেল। এতদিন পরও প্রকোপ কমেনি। বরং আরও বেশি বিস্তার লাভ করেছে। এই মহামারি কীভাবে প্রতিরোধ করা যায় তার উপায় খোঁজার চেষ্টা করছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রাথমিকভাবে করোনা সংক্রমণ রোধ করতে মাস্ক ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

করোনা প্রতিরোধে আমরা নানা ধরনের মাস্ক ব্যবহার করছি। তবে বলা হচ্ছে সবচেয়ে কার্যকর হচ্ছে আসল এন-৯৫ মাস্ক। তবে চিন্তার বিষয় হচ্ছে অনেক মাস্কের গায়েই লেখা থাকছে এন-৯৫ বা কে-এন-৯৫ আর এগুলোর কোনটি যে আসল এটা বুঝতে সাধারণ মানুষ তো দূরের কথা, অনেক বড় বড় প্রতিষ্ঠানও ভুল করছে। আর এই না জানা ও সরলতার সুযোগ নিচ্ছে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এন-৯৫ হলো যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি হওয়া বিশেষ ধরনের মাস্ক। এটি সঠিক নিয়মে ব্যবহার করলে ৯৫ শতাংশ ভাইরাস প্রতিরোধ করা সম্ভব। আবার একই ধরনের মাস্ক চীন তৈরি করেছে যাকে বলা হচ্ছে কেএন-৯৫। ইউরোপে যেসব মাস্ক তৈরি হচ্ছে তাকে বলা হচ্ছে এফপিটু।

এছাড়া এসব মাস্কের আধুনিক কিছু সংস্করণ বের হয়েছে। এর মধ্যে এফএফপি-১ ৮০ শতাংশ, এফএফপি-২ ৯৪ শতাংশ, এন-৯৯ বা এফএফপি-৯৯ ৯৯ শতাংশ, পি-৩ ৯৯.৯৫ শতাংশ, এবং এন-১০০ ৯৯.৯৯ শতাংশ দূষণ ও ভাইরাস প্রতিরোধ করতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যেসব এন-৯৫ মাস্কে ভালভ রেসপিরেটর নেই, সেই মাস্কই সবথেকে ভালো। তবে আরেকটি বিষয় লক্ষণীয়, যে মাস্ক সঠিকভাবে মুখে চেপে বসে থাকে না এবং যারা চশমা পরেন, তাদের ক্ষেত্রে মাস্ক পরে শ্বাস-প্রশ্বাসের সময় চশমা ঝাপসা হয়ে গেলে বুঝতে হবে মাস্ক খুব ভালো সুরক্ষা দিচ্ছে না।

এছাড়া আরেকটি উপায় হলো আমেরিকান ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর অকুপেশনাল সেফটি অ্যান্ড হেলথ (এনআইওএসএইচ) দ্বারা মাস্ক অনুমোদিত কি না তা পরখ করে দেখে নেওয়া। এন-৯৫ মাস্ক কেনার সময় নির্দিষ্ট একটি নম্বর মাস্কের গায়ে উল্লেখ করা থাকে। সঙ্গে থাকে এনআইওএসএইচের এর কথাও। মাস্কের গায়ে লেবেলে বা প্যাকেটেও উল্লেখ থাকে। যে নম্বরের মাস্ক বাজারে আছে তার গায়ের নম্বরটি তাদের ওয়েব সাইটে এন্ট্রি করা থাকে। এই সংস্থার ওয়েবসাইটে গিয়ে সেটি মিলিয়ে নিলেও এন-৯৫ মাস্ক সহজেই শনাক্ত করা যায়।

সাধারণ কিছু বৈশিষ্ট্যের কথা উল্লেখ করেছেন আমেরিকান ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর অকুপেশনাল সেফটি অ্যান্ড হেলথ। তারা বলছে, যদি ব্যবহৃত মাস্কের ক্ষেত্রে ফিল্টারিং রেসপিরেটরে কোনো মার্কিং না থাকে বা ফিল্টারিং মাস্কে কোনো টিসি নম্বর না থাকে তবে তা আসল এন-৯৫ নয়। যদি মাস্কের গায়ে ক্যাপিটাল লেটারে এনআইওএসএইচ লেখা না থাকে বা ভুল বানানে লেখা কিংবা সিকোয়েন্স বা কোনো নকশাদার কাপড় ব্যবহার হলেও সেটি নকল এন-৯৫ মাস্ক। এফডিএ কর্তৃক অনুমোদনের প্রমাণ হিসেবে এফডিএ নিবন্ধকরণ নম্বর লেখা থাকে।

এছাড়া ফিল্টারিং রেসপিরেটর মাস্কে হেডব্যান্ড থাকার কথা। ইয়ারলুপ নয়। কারণ হেডব্যান্ড থাকলেই তা মুখে চেপে বসবে। সংক্রমণের আশঙ্কা কমবে। পাশাপাশি এর গায়ে লেখা থাকবে, মাস্ক শিশুদের জন্য অনুমোদিত।

যেসব দেখলে বোঝা যাবে যে মাস্কটি আসল এন৯৫ নয়ঃ

১. ফিল্টারিং রেসপিরেটরে কোনও মার্কিং না থাকলে

২. ফিল্টারিং মাস্কে কোনও টিসি নম্বর না থাকলে

৩. ক্যাপিটাল লেটারে এনআইওএসএইচ লেখা না থাকা বা ভুল বানানে লেখা

৪. সিকোয়েন্স বা কোনও নকশাদার কাপড় ব্যবহার হলে

৫. শিশুদের এই মাস্ক ব্যবহারে সম্মতির উল্লেখ থাকলে (এনআইওএসএইচ কখনওই শিশুদের ক্ষেত্রে এ জাতীয় মাস্কের কথা বলেনি)

৬. ফিল্টারিং রেসপিরেটর মাস্কে হেডব্যান্ড থাকার কথা। ইয়ারলুপ নয়। কারণ হেডব্যান্ড থাকলেই তা মুখে চেপে বসবে। সংক্রমণের আশঙ্কা কমবে।

Skip to toolbar