এই মাত্র
  • আ.লীগ নেতারা মুখে এক, কাজে আরেক: মির্জা ফখরুল
  • পুলিশকে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
  • রাজশাহীতে আওয়ামী লীগের জনসভা শুরু
  • এইচএসসির ফল প্রকাশ ৮ ফেব্রুয়ারি
  • প্রধানমন্ত্রী সফরকে ঘিরে মিছিল আর স্লোগানে মুখর রাজশাহী
  • স্মরণকালের সবচেয়ে বড় সমাবেশ হবে রাজশাহীতে: কাদের
  • ক্যালিফোর্নিয়ায় বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত ৩
  • দেশের শান্তি রক্ষায় নিরলসভাবে কাজ করছে পুলিশ: প্রধানমন্ত্রী
  • সংবিধান অনুযায়ীই আগামী নির্বাচন, ব্রিটিশ এমপিদের প্রধানমন্ত্রী
  • আর একজন রোহিঙ্গাকেও ঢুকতে দেওয়া হবে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
  • আজ রবিবার, ১৬ মাঘ, ১৪২৯ | ২৯ জানুয়ারী, ২০২৩

    শিক্ষা

    ক্যাম্পাস পরিচ্ছন্ন অভিযানে ইবি ছাত্রলীগ

    যায়িদ বিন ফিরোজ, ইবি প্রতিনিধি: ক্যাম্পাস ক্লিনিং অভিযানে নেমেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রলীগ লালন শাহ্ হলের কর্মীরা। এসময় প্রায় অর্ধশত নেতা-কর্মীদের অংশগ্রহণে এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।  বৃহস্পতিবার (২৬ জানুয়ারি) সকাল ৭টার দিকে ‘ক্যাম্পাস ক্লিনিং’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়া মোড় সংলগ্ন ক্রিকেট মাঠে এ অভিযান চালানো হয়।  হল ইউনিট সূত্রে জানা যায়, ক্রিকেট মাঠে পড়ে থাকা পরিত্যক্ত খাবারের প্যাকেট, পলিথিন, কাগজসহ সকল অযাচিত আবর্জনাগুলোকে প্রথমে ৬টি বস্তায় সংগ্রহ করা হয়। পরবর্তীতে ময়লাগুলো পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে বলে জানায় সংগঠনটি।  এসময় ছাত্রলীগ কর্মী ফাহিম ফয়সাল প্রত্যাশা করে বলেন, এ কাজের মাধ্যমে ইবি ছাত্রলীগ এর প্রতিটি ইউনিট এরকম গঠনমূলক কাজে এগিয়ে আসবে এবং এরই মাধ্যমে আমাদের ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ সারা বাংলাদেশে ছাত্রলীগের রোল মডেল হিসেবে কাজ করবে। এবিষয়ে শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জয় বলেন, ছাত্রলীগ বরাবর ই সৃজনশীল আর শিক্ষার্থীবান্ধব কাজ করে থাকে। আমাদের খেলার মাঠ যখন আবর্জনায় পূর্ন হয়ে বসা বা খেলার অনুপোযোগী তখন ইবি শাখা ছাত্রলীগের নির্দেশনায় লালন শাহ হল শাখা ছাত্রলীগ এর নেতাকর্মীরা এই ক্লিন ক্যাম্পাস কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে।

    ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে পদ ফিরে পেতে তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারীদের সংবাদ সম্মেলন

    টাঙ্গাইল প্রতিনিধি: সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও সদস্য পদ ফিরে পেতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী সমিতির মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন। তার দাবি, সমিতির গঠনতন্ত্রের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে তার সদস্য পদসহ সাধারণ সম্পাদকের পদ বাতিল করা হয়েছে।  বুধবার (১৮ জানয়ারি) বেলা সাড়ে ১২ টায় বিশ্বিবদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হলের পিছনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন তিনি।  আব্দুল্লাহ আল মামুন অভিযোগ করেন, এর আগে তিনি বেলা সাড়ে ১০ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণী কর্মচারী সমিতির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করতে গেলে প্রক্টর প্রফেসর ড. মীর মো. মোজাম্মেল হক বাধা প্রদান করেন। আব্দুল্লাহ আল মামুন অভিযোগ করে জানান, ২০১৯ সালের ২০ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়া হলের কেয়ারটেকার হিসেবে যোগদান করেন। ২০২১ সালের ৭ নভেম্বর নির্বাচনের মাধ্যমে তিনি সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। গত বছর ১১ ডিসেম্বর নিয়োগ বোর্ডের সুপারিশক্রমে শহীদ জিয়াউর রহমান হলে ‘উচ্চমান সহকারীর বিপরীতে অস্থায়ীভাবে নিম্নমান সহকারী’ হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। তার প্রতিদ্বন্দি মো. জাহিদুল ইসলামের অভিযোগে গত ৭ জানুয়ারি কার্যকরি পরিষদের ৪১ তম সাধারণ সভায় তার সাধারণ সম্পাদক ও সদস্য পদ বাতিল করা হয়। তিনি জানান, সমিতির গঠনতন্ত্রের অনুচ্ছেদ ৫ এর ক ধারায় নিয়োগপত্রে ‘অস্থায়ীভাবে’ উল্লেখ থাকলে সদস্যপদ বাতিল হবে এমন ব্যাখ্যা নেই। তার নিয়োগপত্র বৈধ প্রক্রিয়ায় নিয়োগ বাছাই বোর্ডের সুপারিশক্রমে দেয়া হয়েছে অথচ এডহক (সম্পূর্ণ অস্থায়ী ভিত্তিতে) বা অবেক্ষাধীন (অস্থায়ী) হিসেবে চাকুরীতে কর্মরত আছে তাদের সমিতিতে সদস্য পদ বাতিল হচ্ছে না। গঠনতন্ত্রের সঠিক ও সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা ব্যতীত সাধারন সভা ছাড়াই কোন সদস্যের সদস্য পদ বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা কার্যকরী পরিষদের নেই।  বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার, শিক্ষক সমিতি, অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন ও ৪র্থ শ্রেণী কর্মচারী সমিতিকে সমস্যা সমাধানের জন্য লিখিতভাবে জানিয়েও প্রতিকার পাওয়া পাননি। বিশ্বিবদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. মীর মো. মোজাম্মেল হক জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে গ্যাদারিং বা সংবাদ সম্মেলন করতে গেলে প্রশাসনের মাধ্যমে প্রক্টরের অনুমতি লাগবে। মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন লিখিত কোন অনুমতি না নেয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ে তাকে সংবাদ সম্মেলন করতে দেয়া হয়নি। তৃতীয় শ্রেণী কর্মচারী সমিতির সভাপতি এস এম মাহফুজুর রহমান বলেন, যা করা হয়েছে, সবই সমিতির গঠণতন্ত্র মোতাবেক। আগামী দেড় মাসের মধ্যে ওই পদে নির্বাচন দেয়া হবে। তিনি যদি সাধারণ সম্পাদক পদ ব্যবহার না করে জবাবের চিঠি দিতো তাহলে তার চিঠি গ্রহণ করা হতো। তার চিঠিতে সাধারণ সম্পাদক উল্লেখ থাকায় তার চিঠি গ্রহণ করা হয়নি।  

    বইয়ের কাগজে বেশি উজ্জ্বলতা চোখের জন্য ক্ষতিকর: শিক্ষামন্ত্রী

    মাহফুজুর রহমান, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট: নতুন শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ করা পাঠ্যপুস্তকের মান নিয়ে উঠা প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।  অনেকেই অভিযোগ করছেন নিম্নমানের কাগজে এবার পাঠ্যপুস্তক ছাপানো হয়েছে। এ প্রসঙ্গে পাঠ্যপুস্তকের কাগজের উজ্জ্বলতা কম হলেও মান খারাপ নয় বলে দাবি করেছেন শিক্ষামন্ত্রী। একইসাথে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে সব শিক্ষার্থীর হাতে বই পৌঁছে দেওয়া হবে বলেও জানান মন্ত্রী বুধবার (০৪ জানয়ারি) দুপুরে চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী। শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, বিদেশেও যখন বই ছাপা হয়, তখনও উজ্জ্বলতা কমিয়ে বই ছাপানো হয়। আমাদের দেশে অনেকেই মনে করেন কাগজ যত বেশি সাদা হবে, ততই ভালো। শুধুমাত্র কাগজের উজ্জ্বলতা কম হতে পারে। এটিতে কোনো সমস্যা নয়। কারণ কাগজে বেশি উজ্জ্বলতা হলে তা চোখের জন্যও ক্ষতিকর। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এ বছর বিদেশ থেকে কাগজ আনার কোনো সুযোগ ছিল না। আমাদের যে কাগজ ছিল তা দিয়েই বই ছাপাতে হয়েছে। আর এটির মান একেবারে খারাপ হওয়ার কথা নয়। দীপু মনি বলেন, আগে একটি বই অনেকজন শিক্ষার্থী পড়েছে। এখন একটি বই একজন শিক্ষার্থী এক বছরই শুধু পড়ে। সুতরাং এই বই নিয়ে বড় ধরনের কোনো অসুবিধা হওয়ার কারণ নেই। আমাদের যে কোনো বিষয় নিয়ে গেল গেল বলে রব ওঠে। কিন্তু সেটি সত্যিকার অর্থে দেখে এবং তার গুণাগুণ বিচার না করে, সেটি কেন করা হয়েছে, কি ধরনের সমস্যা হচ্ছে, সেগুলো নিয়ে আমরা কেউ মাথা ঘামাই না। এসময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম নাজিম দেওয়ান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সানজিদা শাহনাজ, চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তাফাজ্জুল হোসেন (এসডু) পাটওয়ারী, সদর উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মো. তানজিমুল ইসলাম, চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আল-ইমরান শোভন প্রমুখ।. 

    একাদশে ভর্তি শিক্ষার্থীদের বেতন জানুয়ারি থেকে আদায়ের নির্দেশ

    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে জানুয়ারি থেকে মাসিক বেতন আদায়ের নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড।  সোমবার (১৬ জানুয়ারি) ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। এরই মধ্যে সারাদেশে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। অনলাইন আবেদনের মাধ্যমে দুই ধাপের মেধাতালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। সোমবার তৃতীয় ধাপের আবেদন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে অনলাইন মাধ্যমে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের মাসিক বেতন চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আদায় করতে হবে। ভর্তি নীতিমালা অনুসরণ করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশের সব উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে অনলাইনের মাধ্যমে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের মাসিক বেতন এর আগে আদায় না করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এদিকে উচ্চ মাধ্যমিকে অনলাইন ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ করা হয়েছে। গত ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় এ ফল প্রকাশ করা হয়। গত ৯ ও ১০ জানুয়ারি দ্বিতীয় পর্যায়ের আবেদন গ্রহণ করা হয়। পছন্দক্রম অনুযায়ী, প্রথম মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ করা হয় ১২ জানুয়ারি। একই দিনে দ্বিতীয় পর্যায়ে আবেদনের ফল প্রকাশ হয়।  পছন্দক্রম অনুযায়ী দ্বিতীয় মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ করা হবে ১৮ জানুয়ারি। একই দিনে তৃতীয় পর্যায়ের আবেদনের ফল প্রকাশ করা হবে। তৃতীয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীর নির্বাচন নিশ্চায়ন চলবে ১৯ ও ২০ জানুয়ারি। আগামী ২২-২৬ জানুয়ারি একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি চলবে। ২ ফেব্রুয়ারি থেকে বিভিন্ন কলেজ ও মাদরাসায় একাদশ শ্রেণিতে ক্লাস শুরু হবে।

    বন্ধ হচ্ছে জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা

    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: করোনার সংক্রমণের কারণে গত তিন বছর ধরে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা হয়নি। নতুন শিক্ষাক্রমেও এই পরীক্ষা নেওয়ার কথা বলা নেই। এমন অবস্থায় সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এই দুই পাবলিক পরীক্ষা বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এ বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও অনুমোদন দিয়েছেন। সোমবার (১৬ জানুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের উপ-সচিব আক্তার উননেছা শিউলী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জাতীয় শিক্ষাক্রম রূপরেখা ২০২১ অনুযায়ী জেএসসি ও জেডিসি পাবলিক/বোর্ড পরীক্ষা গ্রহণের ব্যবস্থা রাখা হয়নি বিধায় ২০২২ ও ২০২৩ এবং তার পরে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) এবং জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা বাদ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে। প্রধানমন্ত্রী উপরিউক্ত প্রস্তাব সানুগ্রহ অনুমোদন করেছেন। বর্ণিতাবস্থায়, উল্লিখিত বিষয়ে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো, বলেও এতে উল্লেখ করা হয়।

    বোয়ালমারীতে প্রাথমিকে নেই ৪৬ প্রধান শিক্ষক!

    হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় ১০২ টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৪৭ টি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে! এতে ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষা কার্যক্রম অনেকটা স্থবির হয়ে পড়েছে। উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় মোট ১০২ টি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে বর্তমানে ৫৫টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক রয়েছে। চলতি দায়িত্বের হিসেবে প্রধান শিক্ষক পদে রয়েছে ৩৪ জন। প্রধান শিক্ষক পদে শূন্য রয়েছে ১৩ টি। সহকারী শিক্ষক পদ শূন্য রয়েছে ৭৪ টি। ৭৪ টির মধ্যে প্রাক প্রাথমিকে নবসৃষ্ট পদ শূন্য ৩৩ টি।  বোয়ালমারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবু আহাদ মিয়া বলেন, প্রাধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে ১৩টি। ৩৪টি পদে চলতি দায়িত্বে ৩৪ জন শিক্ষক রয়েছে। সহকারী শিক্ষক ও প্রাক প্রাথমিকে নবসৃষ্ট শিক্ষক পদ শূন্য আছে ৭৪ টি। এর মধ্যে সহকারী শিক্ষক পদে ৬৪ জন নিয়োগ পেয়েছে। নিয়োগ প্রাপ্তরা চলতি মাসের ২২ তারিখের মধ্যে যোগদান করার কথা।

    ইবিতে ‘বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক পরিষদ’র আত্মপ্রকাশ

    যায়িদ বিন ফিরোজ, ইবি প্রতিনিধি: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক পরিষদ। এতে হিসাববিজ্ঞান ও তথ্যপদ্ধতি বিভাগের অধ্যাপক ড. অরবিন্দ সাহাকে সভাপতি এবং বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. বাকী বিল্লাহ বিকুলকে সাধারণ সম্পাদক মনোনীত করা হয়েছে। রোববার (১৫ জানুয়ারি) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব ম্যুরালে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদনের মাধ্যমে সংগঠনটি আত্মপ্রকাশ করে। পরে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালামের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।  এদিকে ৩৭ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন সহসভাপতি অধ্যাপক শাহাদৎ হোসেন আজাদ, অধ্যাপক ড. শেখ মহা. রেজাউল করিম, অধ্যাপক ড. দেবাশীষ শর্মা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মাহবুব বিন শাহজাহান, সাংগঠনিক সম্পাদক ড. সঞ্জয় কুমার সরকার, দপ্তর সম্পাদক জয়শ্রী সেন, অর্থ সম্পাদক ড. সুতাপ কুমার ঘোষ, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সম্পাদক শিরিনা খাতুন বিথী, নারী ও শিশু বিষয়ক সম্পাদক শামীমা নাসরিন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক ড. শিবলি মো. ফতেহ আলী চৌধুরী, তরুণ প্রজন্ম বিষয়ক সম্পাদক মিথুন বৈরাগী। যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মো. মাজেদুল হক, মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. আনিচুর রহমান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক খালিদ হোসেন জুয়েল, আইন বিষয়ক সম্পাদক বিলাসী সাহা, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক মো. ফিরোজ খান, প্রচার প্রকাশনা ও গণমাধ্যম সম্পাদক রায়হান উদ্দিন ফকির, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ড. ধনঞ্জয় কুমার, শিক্ষা ও সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ড. রোজী আহমেদ। এছাড়া, অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর সাদাত সহ ১৪ জনকে সদস্য হিসেবে মনোনিত করা হয়েছে।  

    ইবিতে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত 

    যায়িদ বিন ফিরোজ, ইবি প্রতিনিধি: আনন্দ র‌্যালি, পুষ্পস্তবক অর্পণ ও দোয়া-মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় প্রশাসন ভবন চত্বর হতে উপাচার্যের নেতৃত্বে আনন্দ র‌্যালি বের হয় এবং র‌্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব ম্যুরাল চত্বরে সমবেত হয়। দিবসটি স্বরণে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব মুর‌্যালে পুষ্পার্ঘ্যর মাধ্যমে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম। এ সময় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ মাহবুবুর রহমান, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোঃ আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া ও রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এইচ. এম. আলী হাসান উপস্থিত ছিলেন।  র‌্যালি পরবর্তী সংক্ষিপ্ত আলোচনায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম বলেন, আজকের দিনের বাংলাদেশের সত্যি ইতিহাস যদি না জানে মিথ্যার উপর দাঁড়িয়ে ওই সেদিনের পচাত্তরের কুলাঙ্গাররা আজকের ইতিহাস থেকে বিতাড়িত। আজকের দিনের ইতিহাসগুলো নতুন প্রজন্মকে জানান। ইতিহাস বানানো যায় না, ইতিহাস ঐতিহাসিক ভাবে সৃষ্টি হয়। বর্তমান প্রজন্মকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আমরা এক ধরণের স্থাপতি। মানুষের আত্মার পরিবর্তনের, চিন্তা পরিবর্তনের স্থাপতি। সেই সত্যের সাথে থেকে আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়তে সকলে একত্রে এগিয়ে যাই। এরপর বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁর আত্মার শান্তি কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।  এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শাপলা ফোরামের শিক্ষকবৃন্দ, শিক্ষক সমিতির শিক্ষকবৃন্দ, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ইবি শাখা, সাধারণ শিক্ষার্থী, ইবি কর্মকর্তা'সহ প্রমুখ। 

    ডিগ্রি প্রথম বর্ষের পরীক্ষা ৮ জানুয়ারি শুরু

    মাহমুদুল হাসান, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট : জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ২০২১ সালের ডিগ্রি পাস ও সার্টিফিকেট কোর্সের প্রথম বর্ষের পরীক্ষা আগামী রবিবার (৮ জানুয়ারি) থেকে সারাদেশে একযোগে শুরু হয়ে তা চলবে আগামী ১২ মার্চ পর্যন্ত। বৃহস্পতিবার (৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক মো. আতাউর রহমান সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানান। তিনি আরো জানান, সারাদেশে মোট ১৯৩৫টি কলেজের ৭০২টি কেন্দ্রে প্রায় ৩ লাখ পরীক্ষার্থী প্রথম বর্ষের পরীক্ষায় অংশ নেবে। পরীক্ষা শুরুর সময় বেলা একটা হতে। পরীক্ষার যাবতীয় প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের গাজীপুর ক্যাম্পাসে পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। জরুরি প্রয়োজনে ০২-৯৯৬৬৯১৫১৭ এবং ০২-৯৯৬৬৯১৫৩৮ নম্বরে যোগাযোগের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ করা হয়েছে। পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করছে।

    প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এক শিফট চালুর নির্দেশ

    সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষ ও শিক্ষক সংখ্যা এবং দূরত্ব বিবেচনায় ডাবল শিফটের পরিবর্তে এক শিফট চালুর নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। নিকটবর্তী প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো একীভূত করার উদ্যোগের অংশ হিসেবে এই নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের পর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর মঙ্গলবার (০৪ জানুয়ারি) জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছে এই নির্দেশনা পাঠিয়েছে। এ লক্ষ্যে সিঙ্গেল শিফটে শিখন-শেখানো কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে কর্মপরিকল্পনা সংক্রান্ত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান গতবছর জানিয়েছিলেন, ছাত্র ও শিক্ষক সংখ্যায় ভারসম্যহীনতা, দূরত্ব, সিফট ইত্যাদি বিবেচনায় কিছু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় একীভূত করা হবে। তার যুক্তি ছিল, ছাত্র কম শিক্ষক বেশি, শিক্ষক কম ছাত্র বেশি- এরকম ভারসম্যহীনতা কোথাও কোথাও আছে। নিকটবর্তী স্কুলে যদি একীভূত করা হয় তাহলে ছাত্রদের শিখন ঘণ্টাও বেশি হবে। মন্ত্রণালয় জানায়, যেখানে দুই সিফট সেখানে শিখন ঘণ্টা কম। যেখানে শিক্ষার্থী বেশি সেখানে শিফট চালু করতে হয়েছে, সেই স্কুলগুলোর শিফট একীভূত করে দেওয়া হয়েছে। এখন সেই স্কুলগুলোতে সিফট নেই। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নতুন নির্দেশনায় বলা হয়, যেসব বিদ্যালয়ে বর্তমানে পর্যাপ্ত সংখ্যক ব্যবহারযোগ্য শ্রেণিকক্ষ ও শিক্ষক রয়েছে, সে সব বিদ্যালয়ে অবিলম্বে সিঙ্গেল শিফটে পাঠদান পরিচালনার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। যেসব বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষ বা শিক্ষক নেই বা উভয়ক্ষেত্রেই ঘাটতি রয়েছে; এমন কাছাকাছি অবস্থিত (সর্বোচ্চ ১ কিলোমিটার দূরত্বের) দুইটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে পাঠদানের ক্ষেত্রে একটি সমন্বিত কার্যক্রম চালু করতে হবে। এক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য দূরত্বের বিদ্যালয়সমূহের শিক্ষার্থী, শিক্ষকের সংখ্যা এবং বিদ্যালয়ের ব্যবহারযোগ্য শ্রেণিকক্ষের তথ্য বিশ্লেষণ করে পাশাপাশি দুইটি বিদ্যালয়ে দুইভাগ করে সিঙ্গেল শিফটে পাঠদান পরিচালনা করতে হবে। দুটি বিদ্যালয়ের মাঝে শ্রেণি বিভাজনের ক্ষেত্রে প্রাক-প্রাথমিক থেকে দ্বিতীয় শ্রেণি পর্যন্ত একটি বিদ্যালয়ে এবং অন্যটিতে তৃতীয় শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। স্থানীয় পর্যায়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরাধীন জনবলের মাধ্যমে সরেজমিনে পরিদর্শন করে সিঙ্গেল শিফট চালুর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এক্ষেত্রে প্রয়োজনে স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তা নেওয়া যেতে পারে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারদের নির্দেশনায় বলা হয়, তার জেলায় যেসব বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত সংখ্যক ব্যবহারযোগ্য শ্রেণিকক্ষ ও শিক্ষক রয়েছে, সে সব বিদ্যালয়ে অবিলম্বে সিঙ্গেল শিফটে পাঠদান পরিচালনার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে তার জেলায় যেসব বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষ বা শিক্ষক নেই বা উভয়ক্ষেত্রেই ঘাটতি রয়েছে; এরূপ কাছাকাছি অবস্থিত (সর্বোচ্চ ১ কিলোমিটার দূরত্বের) দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গ্রহণযোগ্য দূরত্বের বিদ্যালয়সমূহের শিক্ষার্থী, শিক্ষকের সংখ্যা এবং বিদ্যালয়ের ব্যবহারযোগ্য শ্রেণিকক্ষের তথ্য বিশ্লেষণ করে পাশাপাশি দুটি বিদ্যালয়ে দুইভাগ করে সিঙ্গেল শিফটে পাঠদান চালুর সম্ভাব্যতা যাচাই করে বিস্তারিত তথ্যসহ (গাণিতিক ও বাস্তবতা) প্রতিবেদন পাঠাতে হবে।   এক্ষেত্রে, কাছাকাছি অবস্থিত কর্মরত দুইটি বিদ্যালয়ের নাম, শিক্ষক সংখ্যা, শ্রেণিকক্ষের সংখ্যা, ছাত্র (শিক্ষক কক্ষ ব্যতীত)-ছাত্রীর সংখ্যা, ভৌগলিক অবস্থান (প্রতিবন্ধকতা আছে কিনা), দুটি বিদ্যালয়ের মধ্যবর্তী দূরত্বের তথ্য ছক আকারে পাঠাতে হবে। আগামী ২২ জানুয়ারির মধ্যে ই-মেইলে তথ্য পাঠানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    এইচএসসি বিএমটি-ভোকেশনালের ক্লাসসূচি ১৮১ দিন, ছুটি ৮০ দিন

    এইচএসসি বিএমটি, ভোকেশনাল ও ডিপ্লোমা ইন কমার্স শিক্ষাক্রমের প্রতিষ্ঠানগুলোতে ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দে এইচএসসি বিএমটি, ভোকেশনাল ও ডিপ্লোমা ইন কমার্স শিক্ষাক্রমে ১৮১ দিন ক্লাস চলবে। আর চলতি বছর সাপ্তাহিক ছুটি ছাড়াও ৮০ দিন ছুটি থাকছে। এ প্রতিষ্ঠানগুলোতে শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে। এসব তথ্য জানিয়েছে এইচএসসি বিএমটি, ভোকেশনাল ও ডিপ্লোমা ইন কমার্স শিক্ষাক্রমের ছুটির তালিকা ও শিক্ষাপঞ্জি প্রকাশ করেছে কারিগরি শিক্ষা বোর্ড। বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরিচালক (কারিকুলাম) প্রকৌ. ফরিদ উদ্দিন আহম্মেদ স্বাক্ষরিত  শিক্ষাক্রমের ছুটির তালিকা ও শিক্ষাপঞ্জির আদেশে এই তথ্য জানা গেছে। আদেশে বলা হয়েছে, সরকারি সিদ্ধান্ত অনুসারে ছুটি, ক্লাস শুরু এবং চূড়ান্ত পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তন হতে পারে।

    জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে মূল সনদ উত্তোলনের আবেদন অনলাইনে

    জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অধিভুক্ত কলেজ থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মূল সনদ উত্তোলনের আবেদন শুরু হয়েছে। শিক্ষার্থীরা অনলাইনে নির্ধারিত ফরম পূরণ করে এ সনদ প্রাপ্তির আবেদন করতে পারবেন। আবেদন করার ১৫ দিনের মধ্যে ফি জমা না দিলে আবেদনটি বাতিল হয়ে যাবে বলে জানানো হয়েছে। তবে থাকছে না সরাসরি আবেদনের সুযোগ।  সম্প্রতি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বদরুজ্জামানের সই করা এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।  এতে বলা হয়েছে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অধিভুক্ত কলেজ থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মূল সনদ উত্তোলনের আবেদন অনলাইনে গ্রহণ করা হচ্ছে। অনলাইনে আবেদনের জন্য নিম্নোক্ত নির্দেশনা অনুসরণ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। নির্দেশনাসমূহ-  ১. মূল সনদ প্রাপ্তির জন্য যথাযথভাবে আবেদন ফরমটি পূরণ করুন। আবেদন ফরম বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। ২. ২০০১ সালের পূর্বে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন কার্ড, প্রবেশপত্র ও সাময়িক সনদের স্ক্যান করা ফাইল (পিডিএফ) আবেদনের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে। তবে ২০০১ সাল বা এর পরে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের শুধু সাময়িক সনদের স্ক্যান করা ফাইল (পিডিএফ) সংযুক্ত করলেই চলবে। আবেদনকারীকে তার ছবি স্ক্যান করে সংযুক্ত করতে হবে। ৩. আবেদনকারীর নিজস্ব মোবাইল নাম্বার ও ই-মেইল অ্যাড্রেস ব্যবহার করতে হবে। ৪. প্রত্যেকটি মূল সনদের জন্য পৃথক আবেদন করতে হবে (যদি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে একাধিক ডিগ্রি সম্পন্ন করে থাকেন)। ৫. আবেদনের ফি এর পে-স্লিপ ডাউনলোড করে নিকটস্থ সোনালী ব্যাংকের যেকোনো শাখায় ফি এর টাকা জমা দেওয়া যাবে। এছাড়া সোনালী ব্যাংকের পেমেন্ট গেটওয়ের অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন কার্ড, মোবাইল ব্যাংকিং অথবা সোনালী ব্যাংকের অনলাইন পেমেন্ট অপশন ব্যবহার করে ফি জমা দেওয়া যাবে। তবে যেভাবেই পেমেন্ট করুন না কেন আবেদনের সময় সফটওয়্যারে উল্লিখিত ট্রানজেকশন আইডি সংরক্ষণ করুন। কারণ মূল সনদ সংগ্রহের সময় এ ট্রানজেকশন আইডি প্রদর্শন করতে হবে। ৬. আবেদন করার ১৫ দিনের মধ্যে ফি জমা দিতে হবে। অন্যথায় আবেদনটি বাতিল হয়ে যাবে। ৭. ফি জমা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আবেদনটি সক্রিয় হয়ে যাবে। মূল সনদ প্রস্তুত হওয়ার পর এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হবে। আবেদনকারী চাইলে সফটওয়্যারে লগইন করেও আবেদনের সর্বশেষ অবস্থা জানতে পারবেন। আবেদনের হার্ডকপি জমা দেয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে আসার কোনো প্রয়োজন নেই। ৮. মূল সনদ সংগ্রহের সময় সাময়িক সনদের মূল কপি ও ফি জমা দেওয়ার রশিদ অবশ্যই জমা দিতে হবে। সাময়িক সনদের মূল কপি ফেরৎ না দিলে মূল সনদ দেওয়া হবে না। ৯. মূল সনদ সংগ্রহের স্থান জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টার। নিজের মূল সনদ নিজে সংগ্রহ করুন। একান্ত অপারগ হলে সম্মতিপত্রসহ (অথোরাইজেশন লেটার) প্রতিনিধির মাধ্যমেও সংগ্রহ করা যাবে। এতে আরও বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে সরাসরি কোনো আবেদন করা যাবে না। আবেদন করার জন্য বা আবেদনের হার্ডকপি জমা দেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে আসার কোনো প্রয়োজন নেই। সার্ভিস গ্রহণে কোনো সমস্যার সম্মুখীন হলে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করুন। কারো প্ররোচনায় কোনো ধরনের লেনদেন না করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।

    হবিগঞ্জ শিমের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি

    মঈনুল হাসান রতন, হবিগঞ্জ প্রতিনিধি: বাহুবলে শীত মৌসুমের সবজি শিমের ব্যাপক ফলন হয়েছে। এতে শিম চাষীদের মুখে হাসি ফুটে উঠেছে। হবিগঞ্জের বিভিন্ন হাট বাজারে এখন শিমের সমারোহ। প্রতিদিন এখানকার উৎপাদিত শিম স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হচ্ছে। জানা যায়, হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার পুটিজুরী, সুখচর, যাদবপুর, মিরেরপাড়া, লামাপুটিজুরী, আব্দানারায়ণ, রাজসূরত, ভবানীপুর, কল্যাণপুর, হাজিনাদাম গ্রামসহ পুরো উপজেলাজুড়ে শীতকালীন সবজি হিসেবে শিমের চাষাবাদ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে বাহুবল উপজেলার সীমানায় প্রবেশ করার পর মহাসড়কের দুই পাশে বিস্তীর্ণ এলাকায় সবুজ শিমের বাগান দৃষ্টিগোচর হয়। এসময় শিম বাগানের পরিচর্যায় কৃষকদের সাথে তাদের পরিবারের মহিলা ও শিশুদেরকেও তৎপর দেখা যায়। গত ২৫/২৬ বছরে ওই এলাকায় বিশেষ করে গুঙ্গিয়াজুরী হাওরের পাশে অর্থকরী ফসল হিসেবে শিম চাষ ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। বাহুবলের দ্বিগাম্বর, মিরপুর, ডুবাঐ বাজারসহ উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, শীতকালীন অন্যান্য সবজির পাশাপাশি বাজারে দেশি জাতের শিমের প্রচুর সরবরাহ। বর্তমানে এখানকার বাজারে প্রতি কেজি দেশি শিম বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০ টাকায়। প্রতিদিন ভোর বেলা জমে উঠে দ্বিগাম্বর বাজার। এ সময় ব্যবসায়ীরা পাইকারী দরে শিম ক্রয় করে ট্রাক বা বিভিন্ন যানবাহনে করে তা ঢাকা, সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের পাইকারী বাজারে নিয়ে যান। দ্বিগাম্বর বাজারের ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম জানান, বাজারে বেশি পরিমাণে স্থানীয়ভাবে চাষকৃত শিম আসতে শুরু করেছে। দেশি শিমের স্বাদ আলাদা হওয়ার কারণে ক্রেতারা অন্য সবজির পাশাপাশি শিম বেশি কিনছেন। পাইকারী ব্যবসায়ী সানু মিয়া জানান, চাষিদের ক্ষেত থেকে নগদ টাকায় শিম কিনে ট্রাকে করে পাঠানো হয় ঢাকা-সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন পাইকারি বাজারে। কয়েক বছর ধরে এ ব্যবসায় জড়িয়ে আমার পাঁচ সদস্যের সংসার ভালোই চলছে।  

    ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আনন্দ শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত 

    অনিল চন্দ্র রায়, ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে বর্নাঢ্য আয়োজনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  বাংলাদেশ ছাত্রলীগের গৌরব, ঐতিহ্য, সংগ্রাম ও সাফল্যের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বুধবার (০৪ জানয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২ টায় উপজেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে আনন্দ শোভাযাত্রা উপজেলার সদরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে ছাত্রলীগের সভাপতি তৌকির হাসান তমালের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোছাব্বীর রহমান। হ্যাভেনের সঞ্চলনায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্তরে এক আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আতাউর রহমান শেখ, সাধারণ সম্পাদক আহাম্মদ আলী পোদ্দার রতন। সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান মিঠু, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক হারুন-অর-রশিদ, যুবলীগের সভাপতি আশরাফুল আলম মন্ডল বুলবুল, সাধারণ সম্পাদক আবুবক্কর সিদ্দিক মিলন ও সাবেক ছাত্রলীগের সভাপতি এমদাদুল হক মিলন প্রমূখ।     

    পুরনো ৫ শিক্ষককে বাদ দিয়ে মোটা টাকার বিনিময়ে নতুন নিয়োগের অভিযোগ

    নাজমুস সাকিব মুন, পঞ্চগড় প্রতিনিধি: পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার বিলুপ্ত ছিটমহলে প্রতিষ্ঠিত দইখাতা নাজিরগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়টি এমপিওভুক্তির ঘোষণার পর প্রতিষ্ঠানটির ৭ বছর চাকরি করে আসা পুরনো ৫ জন শিক্ষককে বাদ দিয়ে নতুন করে শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে।  জনপ্রতি ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা করে নিয়ে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আলাউদ্দিন আলাল ও প্রধান শিক্ষক মোজাহেদুল ইসলাম গোপনে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে নতুন নিয়োগকৃত শিক্ষকদের তালিকা প্রেরণ করেছেন বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী শিক্ষকরা। বুধবার (০৪ জানয়ারি) দুপুরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে সংবাদ সম্মেলন করে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে এসব অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী শিক্ষকদের পক্ষে রাসেল হোসেন। তারা জানান, বিলুপ্ত ছিটমহলে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর কেউ এগিয়ে না এলেও তারা মোটা অঙ্কের ডোনেশন দিয়ে বিদ্যালয়টি পরিচালনা করে আসছিলেন। তাদের পরিশ্রমে বিদ্যালয়টি খুব অল্প সময়েই এমপিওভুক্ত হয়। গত বছর এমপিওভুক্ত ঘোষণার পর শুরু হয় ষড়যন্ত্র। গোপনে বিদ্যালয়ের সভাপতি আর প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ের ত্যাগী ও পরিশ্রমী শিক্ষক রাসেল হোসেন, গোকুল চন্দ্র রায়, আয়েশা খাতুন, শাহনাজ পারভীন ও মজিবুল ইসলামকে বাদ দিয়ে রাতারাতি মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে নতুন শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে তাদের নামের তালিকা প্রেরণ করা হয়েছে অধিদপ্তরে। দীর্ঘদিন শ্রম দিয়ে আসা শিক্ষককে এমন অমানবিকভাবে বাদ দেয়ায় শিক্ষক শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী শিক্ষকরা সভাপতি ও প্রধান শিক্ষককের অনিয়ম তদন্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন। এদিকে বিদ্যালয়ের নামে ২ বিঘা জমি স্টাম্পে লিখে দিয়ে নিজের সন্তানকে চাকরি নিয়ে দেন আমজাদ আলী নামে স্থানীয় এক ব্যাক্তি। তবে সেই দুই বিঘা জমি বিদ্যালয়টির ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আলাউদ্দিন আলাল নিজের নামে নিয়ে বিদ্যালয়ে দান করে নিজেই প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বনে যান বলে অভিযোগ করেন তিনি। তবে আমজাদ আলীকে সেখানে দাতা সদস্য রাখা হয়নি বলে জানান তিনি। অভিযোগ অস্বীকার করে প্রধান শিক্ষক মোজাহেদুল ইসলাম বলেন, নিবন্ধন না থাকায় তাদের নাম বাদ দেয়া হয়েছে। এখানে কোন প্রকার আর্থিক লেনদেন হয়নি। বিদ্যালয়টির ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আলাউদ্দিন আলাল বলেন, আমজাদ আলী নামে ওই ব্যাক্তির অভিযোগ সঠিক নয়। তিনি জমির বিনিময়ে টাকা নিয়েছেন। কোন জমি দান করেননি। কাজলদিঘী কালিয়াগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মমিন বলেন, আমি ওই বিদ্যালয়ের বিষয়ে নানা অভিযোগ পেয়েছি। কয়েকজন শিক্ষককে বাদ দিয়ে টাকার বিনিময়ে অন্যদের নিয়োগ দেয়ার কথা জানতে পেরেছি। এছাড়া আমজাদ আলী নামে এক লোকের জমি বিদ্যালয়ের নামে দানের পরেও তাকে দাতা না করে অন্য একজন দাতা হয়েছেন মর্মে অভিযোগ পেয়েছি। আমি এ বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে শীঘ্রই জানাবো।  

    লটারিতে ১০৫ কোটি টাকা জিতলেন বাংলাদেশি রয়ফুল

    প্রবাসের কথা ডেস্ক: সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে নতুন বছরের প্রথম ‘দ্য বিগ টিকিট’ লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই ড্রয়ে ২৪৭ সিরিজের প্রথম ও সবচেয়ে বড় পুরস্কার জিতেছেন মুহাম্মদ রায়ফুল নামের এক প্রবাসী বাংলাদেশি। তার পুরস্কারের অর্থমূল্য ৩৫ মিলিয়ন দিরহাম (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১০৫ কোটি টাকা)। রায়ফুলের লটারি টিকিট নম্বর ছিল ০৪৩৬৭৮। তিনি গত ১০ ডিসেম্বর অনলাইনে টিকিটটি কিনেছিলেন। খালিজ টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, আরব আমিরাতের আল আইনে বসবাস করেন রায়ফুল। তবে এই ড্রয়ের পর বাংলাদেশ কিংবা আমিরাতে তার বসবাসের বিস্তারিত তথ্য এখনও জানা যায়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, ৩৯ বছর বয়সী রায়ফুল আবুধাবির আল আইনের একটি কোম্পানিতে পিকআপ চালক হিসেবে কর্মরত। তিনি ৯ বছর ধরে এ লটারির টিকিট কিনছেন। তবে এবার যে টিকিটে লটারি জিতেছেন, সেটি তিনি ২০ বন্ধুর সঙ্গে মিলে কিনেছিলেন। এখন পুরস্কারের অর্থ সবাই মিলে নেবেন। টিকিটটির মূল্য ছিল ৫০০ দিরহাম (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৪ হাজার টাকা)। দুটি টিকিট কিনলে একটি ফ্রি ছিল। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, যখন লটারির র‌্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত হয়, তখন অনুষ্ঠানের হোস্ট বেশ কয়েকবার রায়ফুলের ফোনে ফোন করেন। কিন্তু তাকে তখন পাওয়া যায়নি। তিনি তখন গাড়ি চালাচ্ছিলেন। পরে অবশ্য আয়োজকরা তার সঙ্গে যোগাযোগ করে এ লটারি জয়ের খবর তাকে দেন। তাৎক্ষণিক এক প্রতিক্রিয়ায় রায়ফুল বলেন, ১২ বছর ধরে আমি সংযুক্ত আরব আমিরাতে আছি। বিশ্বাস করতে পারছি না, আমি এ লটারি জিতেছি। আমি খুবই উচ্ছ্বসিত এবং আনন্দিত।. এই টাকা তিনি কীভাবে খরচ করবেন—জানতে চাইলে জানান, তিনি এখনো কোনো পরিকল্পনা করেননি। প্রসঙ্গত, প্রায় তিন দশক আগে ১৯৯২ সালে আবুধাবি এয়ারপোর্ট ও শহরের প্রমোশনের জন্য ‘বিগ টিকিট’ লটারি চালু করা হয়। প্রতি মাসে এই লটারির ড্র হয়। প্রথম স্থানের জন্য পুরস্কারের অর্থের পরিমাণ প্রতি মাসে পরিবর্তন হয়। ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষে জানুয়ারির প্রথম পুরস্কার ছিল ৩৫ লাখ দিরহাম। এ মাসের দ্বিতীয় পুরস্কার জিতেছেন ভারতীয় নাগরিক উমশাদ উল্লি ভেটিল। তিনি পেয়েছেন ১০ লাখ দিরহাম।

    দুই সপ্তাহের মধ্যে শিক্ষার্থীদের হাতে সব বই পৌঁছবে: শিক্ষামন্ত্রী

    সময়ের কণ্ঠস্বর, চাঁদপুর: আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে শিক্ষার্থীরা শ্রেণির সব বই হাতে পাবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। বলেন, বিগত অতিমারি ও বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতির মধ্যেও বছরের প্রথমদিন আমরা বই উৎসব করতে পেরেছি এটিই বড় বিষয়। বুধবার দুপুর ১২টার দিকে চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পে নিবন্ধিত জেলেদের মাঝে বকনা বাছুর বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, কিছু মানুষ সময় মতো বই বিতরণের সাফল্যকে পাশ কাটাবার জন্য নানান রকম কথা বলছে। আমি মনে করি প্রতিটি শিশুই বই পেয়েছে। তবে যে শিশু ৫টি বই পাওয়ার কথা সে ৩টি বই পেয়েছে। তিনি বলেন, এ বছর বই ছাপানোর জন্য বিদেশ থেকে কাগজ আনার কোন সুযোগ ছিল না। আমাদের যে কাগজছিল সেই কাগজ দিয়েই বই ছাপাতে হয়েছে। সেই ছাপাতে মান একেবারে খারাপ হওয়ার কথা নয়। শুধু কাগজের উজ্জ্বলতা কম হবে। এটিতে কোনো সমস্যা নয়। কারণ কাগজে বেশি উজ্জ্বলতা হলে চোখের জন্যও ভাল হয় না। বিদেশেও যখন বই ছাপা হয় তখনও উজ্জ্বলতা কমিয়ে বই ছাপানো হয়। আমাদের দেশে অনেকেই মনের করেন কাগজ যতবেশি সাদা হবে ততই ভালো। দীপু মনি বলেন, আমরা কাগজ আনার সুযোগ না থাকায় বইয়ের রং কিছুটা ভিন্ন হয়েছে। এর কোনটাই নিউজ প্রিন্ট না। আর আগে একটি বই কতজন শিক্ষার্থী পড়েছে। এখন একটি বই একজন শিক্ষার্থী একবছরই শুধু পড়েন। সংতরাং এই বই নিয়ে বড় ধরণের কোনো অসুবিধা হওয়ার কারণ নেই। আমাদের যে কোনো বিষয় নিয়ে গেল গেল বলে রব উঠে। কিন্তু সেটি সত্যিকার অর্থে দেখে এবং তার গুণাগুণ বিচার না করে, এটা কেন করতে হল, কি ধরণের সমস্যা হল, সেগুলো নিয়ে আমরা কেউ মাথা গামাই না।

    রোববার পর্যন্ত ফখরুল-আব্বাসের কারামুক্তিতে বাধা

    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের কারামুক্তিতে জামিননামা দাখিল না করতে নির্দেশ দিয়েছেন চেম্বার আদালত। এ সময় তারা মুক্ত হতে পারবেন না। এ বিষয়ে শুনানির জন্য আগামী রোববার (৮ জানুয়ারি) দিন নির্ধারণ করেছেন আদালত বুধবার (৪ জানুয়ারি) দুপুর আড়াইটায় রাষ্ট্রপক্ষের এক আবেদনের শুনানি করে চেম্বার বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন এই আদেশ দেন। আদেশে চেম্বার আদালত বলেন, হাইকোর্টের দেওয়া জামিন আদেশের বিষয় কোনো জামিননামা দাখিল করা যাবে না। রোববার এ বিষয়ে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানি হবে। এদিন সকালে বিএনপির এই শীর্ষ দুই নেতাকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন আটকাতে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ। এর আগে বিচারিক আদালতে চার দফা জামিন নাকচ হওয়ার পর সোমবার (২ জানুয়ারি) মির্জা ফখরুল ও মির্জা আব্বাসের জামিন চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন তাদের আইনজীবীরা। মঙ্গলবার (৩ জানুয়ারি) এ বিষয়ে শুনানি করে বিচারপতি মো. সেলিম ও বিচারপতি মো. রিয়াজ উদ্দিন খানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ তাদের জামিন মঞ্জুর করেন। এদিন আদালতে বিএনপির দুই নেতার পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সভাপতি জয়নুল আবেদীন। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ বি এম গোলাম মোস্তফা।

    ফরিদপুরে রাস্তার পাশে পড়ে ছিল ভ্যানচালকের মরদেহ

    হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলায় রাস্তার পাশে থেকে জিহাদ হোসেন নামে (১৫) এক কিশোর ভ্যানচালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।  বুধবার (০৪ জানুয়ারি) সকাল ১০ টার দিকে উপজেলার জাহাপুর ইউনিয়নের চরমুরারদিয়া ব্রীজ সংলগ্ন একটি রাস্তার পাশে থেকে ওই ভ্যান চালকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।  নিহত ভ্যান চালক জিহাদ ওই উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের দিঘলিয়া মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত লালু শেখের ছেলে বলে জানা যায়। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জিহাদ মঙ্গলবার (০৩ জানুয়ারি) বিকাল ৩টার দিকে ব্যাটারী চালিত অটোভ্যান নিয়ে বাড়ী থেকে বের হওয়ার পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন। বুধবার (০৪ জানুয়ারি) মৃতদেহ পড়ে থাকার সংবাদ পেয়ে মধুখালী থানার পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যান। মধুখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম বাংলানিউজকে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে জিহাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে উদ্ধারকৃত ওই মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।  তিনি বলেন, ধারণা করা হচ্ছে ওই কিশোরের ভ্যান ছিনতাই করে তাকে হত্যা করা হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

    নোরা ফাতেহির প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছেন শাহরুখপুত্র আরিয়ান!

    বিনোদন ডেস্ক: বছরের শুরুতে আবারও নতুন সম্পর্কের গুঞ্জন। এবার গুঞ্জনটা যাদের ঘিরে তাদের একজন বলিউড বাদশা শাহরুখ খানের পুত্র আরিয়ান খান এবং আরেকজন বলিউড আইটেম গার্ল মরোক্কান সুন্দরী নোরা ফাতেহি। কানাঘুষো চলছে, ২৫ বছর বয়সী আরিয়ান বছর ৩০-এর নোরার প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছেন! খবর- আনন্দবাজার পত্রিকার বলিউডের ‘দিলবার গার্ল’ এই মুহূর্তে অন্যতম জনপ্রিয় তারকা। যদিও বলিউডে নিজের মাটি শক্ত করাটা সহজ ছিল না নোরার জন্য। কিন্তু এখন নোরার ওঠাবসা সবটা বলিউডের প্রথম সারির তারকাদের সঙ্গে। কখনও মালাইকার সঙ্গে দেখা গিয়েছে তাকে। কখনও আবার ডাক পেয়েছেন করণ জোহরের পার্টিতে। এবার একই অনুষ্ঠানে দেখা গেল আরিয়ানের সঙ্গে। তবে এই প্রথম নয়, আজকাল নাকি বিভিন্ন সময় একসঙ্গে সময় কাটাতে দেখা যাচ্ছে তাদের। এককথায় ঘনিষ্ঠতা বাড়ছে দুজনের। সম্প্রতি এক রেডিট ব্যাবহারকারী আরিয়ান ও নোরার সঙ্গে আলাদা আলাদা ছবি দেন। কিন্তু ক্যাপশনে লেখেন, ‘তোমাদের দুজনের সঙ্গে দেখা করে ভালো লাগল।’ এরপরই দুইয়ে দুইয়ে চার মেলাতে শুরু করেন নেটাগরিকরা। বছর পঁচিশের আরিয়ানের সঙ্গে সত্যি সত্যি কি প্রেমে করছেন বলিউডের এই আইটেম গার্ল? নাকি অনুরাগীদের কল্পনা, সেটা সময় বলবে। আরিয়ানের সঙ্গে নোরা ফাতেহির প্রেম নিয়ে যখন চর্চা তুঙ্গে তখন শাহরুখ পুত্রের চর্চিত প্রেমিকা অনন্যা পান্ডেকে কিন্তু, মোটেই ভোলেননি নেটিজেনরা। নোরার সঙ্গে ছবি ভাইরাল হওয়ার পরেই অনন্যাকে নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে নেটপাড়া। আরিয়ানের বোন সুহানার বেস্টি অনন্যা। কফি উইথ করণের সেটে লাইগার অভিনেত্রী স্বীকার করে নিয়েছিলেন যে আরিয়ানকে তার বেশ ভালোই লাগে। সোশাল মিডিয়ায় সেই এপিসোডের ভিডিও যথেষ্ট ভাইরালও হয়। একই সঙ্গে আরিয়ানের অনন্যাকে এড়িয়ে যাওয়ার মুহূর্তও নজর এড়ায়নি নেটিজেনদের। আরিয়ানের সঙ্গে অনন্যা পান্ডের নাম জড়ানোর আগে ঈশান খট্টরের প্রেমিকা হিসাবে পরিচিত ছিলেন অনন্যা পান্ডে। খালি পিলি ছবির শুটিংয়ের সময়ই তাদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে উঠে বলেই ইন্ডাস্ট্রির গুঞ্জন। কিন্তু ২০২২ সালে নিজেদের সম্পর্কে ইতি টানেন ওই স্টার কাপল। তবে খান পরিবারে নতুন করে প্রেমের হাওয়া লাগল কিনা সেটা তো সময়ই বলবে।

    ভারত ও সিঙ্গাপুর থেকে চাল কিনবে সরকার

    সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক: ভারত ও সিঙ্গাপুর থেকে প্রায় ৪২৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ১ লাখ মেট্রিক টন চাল কেনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। বুধবার (৪ জানুয়ারি) অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সাঈদ মাহবুব খান। তিনি জানান, সভায় খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দুটি ও স্থানীয় সরকার বিভাগের দুটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অনুমোদন দেওয়া চারটি প্রস্তাবে মোট অর্থের পরিমাণ ৭৩৯ কোটি ২৮ লাখ ৩৩ হাজার ৩৬ টাকা। এর মধ্যে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে ভারতের মেসার্স বাগাদিয়া ব্রাদার্স প্রাইভেট লিমিটেড থেকে ৫০ হাজার মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে এ চাল কিনবে খাদ্য অধিদপ্তর। ৫০ হাজার মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল কিনতে মোট খরচ হবে ২১০ কোটি ৩৫ লাখ ৬৬ হাজার ৫০০ টাকা। অর্থাৎ প্রতি কেজি চালের দাম পড়বে ৪২ টাকা ৭ পয়সা। অন্যদিকে, সিঙ্গাপুরের এগ্রোক্রপ ইন্টারন্যাশনাল প্রাইভেট লিমিটেড থেকে ৫০ হাজার মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ চালও আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে কিনছে খাদ্য অধিদপ্তর। এজন্য ব্যয় হবে ২১৩ কোটি ৪০ লাখ ৩৬ হাজার ২৫০ টাকা। অর্থাৎ প্রতি কেজি চাল কিনতে খরচ হবে ৪২ টাকা ৬৮ পয়সা।

    ফরিদপুরে শীতে কাপছে জনপদ, দেখা মিলছেনা সূর্যের

    হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর প্রতিনিধি: উত্তরের হিমেল হওয়া ও তীব্র শীত জেঁকে বসেছে ফরিদপুরে। আর এই শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। গরমের কাপড়ের চাহিদাও দেখা দিয়েছে। সাথে বেড়েছে ঠান্ডা জনিত রোগও। ফরিদপুরের আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, বুধবার (০৪ জানুয়ারি) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মঙ্গলবার (০৩ জানুয়ারি) এ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ১৩.০২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। প্রতিদিনই এ তাপমাত্রা কমছে।  টানা দুই দিন সূর্যের দেখা নেই এ জেলাতে। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ঘন কুয়াশা, আর কুয়াশা কিছুটা কাটলেও হাড় কাঁপানো বাতাসে জনজীবনে দুর্ভোগ নেমে আসছে। বৃদ্ধ ও ছিন্নমূল মানুষের মাঝে কষ্ট নেমে এসেছে। দিনমজুর ও কৃষকও পড়েছেন বিপাকে। চাকুরীজীবি ও জরুরি কাজ ব্যতিত ঘরের বাহির বেড় হচ্ছেনা মানুষ। রিক্সা ও অটোরিকশার সংখ্যা সড়কে কম দেখা মিলছে। মহাসড়কগুলোতে হেডলাইট জ্বালিয়ে গাড়ি চলতে দেখা গেছে।

    সংসদ ভবন এলাকায় ডিএমপির বিধিনিষেধ

    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: একাদশ জাতীয় সংসদের ২১তম অধিবেশন বৃহস্পতিবার (৫ জানুয়ারি) থেকে শুরু হচ্ছে। সংসদ অধিবেশন চলাকালে জাতীয় সংসদ ভবন ও এর আশপাশের এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় কিছু নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। বুধবার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে এ তথ্য জানিয়েছেন ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. ফারুক। তিনি জানান, সংসদ অধিবেশন কেন্দ্র করে ডিএমপি কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুকের সই করা এক আদেশে এ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। বুধবার রাত ১২টা থেকে একাদশ জাতীয় সংসদের ২১তম অধিবেশন শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ আদেশ বলবৎ থাকবে। নিষেধাজ্ঞায় উল্লেখ করা হয়, বুধবার (৪ জানুয়ারি) মধ্যরাত থেকে অত্র এলাকায় সব প্রকার অস্ত্রশস্ত্র, বিস্ফোরক দ্রব্য, অন্যান্য ক্ষতিকারক ও দূষণীয় দ্রব্য বহন নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়াও যে কোনো প্রকার সমাবেশ, মিছিল, শোভাযাত্রা, বিক্ষোভ প্রদর্শন ইত্যাদি নিষেধ করা হয়েছে। যেসব এলাকায় এই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে— ময়মনসিংহ রোডের মহাখালী ক্রসিং থেকে পুরাতন বিমানবন্দর হয়ে বাংলামোটর ক্রসিং পর্যন্ত, বাংলামোটর লিংক রোডের পশ্চিম প্রান্ত থেকে হোটেল সোনারগাঁও রোডের সার্ক ফোয়ারা পর্যন্ত, পান্থপথের পূর্ব প্রান্ত থেকে গ্রিন রোডের সংযোগস্থল হয়ে ফার্মগেট পর্যন্ত, মিরপুর রোডের শ্যামলী মোড় থেকে ধানমন্ডি-১৬ (পুরাতন-২৭) নম্বর সড়কের সংযোগস্থল, রোকেয়া সরণির সংযোগস্থল থেকে পুরাতন ৯ম ডিভিশন (উড়োজাহাজ) ক্রসিং হয়ে বিজয় সরণির পর্যটন ক্রসিং, ইন্দিরা রোডের পূর্ব প্রান্ত থেকে মানিক মিয়া এভিনিউয়ের পশ্চিম প্রান্ত, জাতীয় সংসদ ভবনের সংরক্ষিত এলাকা ও এ সীমানার মধ্যে অবস্থিত সব রাস্তা ও গলিপথ।