এইমাত্র
  • হাসপাতাল থেকে দালাল চক্র নির্মূল করা হবে: স্বাস্থ্যসচিব
  • চার সপ্তাহ সময় বেঁধে দেয়া ট্রাম্পই এখন বলছেন ‘যুদ্ধ’ দীর্ঘস্থায়ী হবে
  • উত্তরায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, শিশুসহ ১০ জন দগ্ধ
  • সেনাবাহিনীর নার্সিং সার্ভিসে নিয়োগ, বিবাহিতরাও পাচ্ছেন সুযোগ
  • হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল-গ্যাসবাহী জাহাজ চলাচল নিয়ে ইরান-চীন আলোচনা
  • ইরানের পর কিউবা এখন ‘সময়ের ব্যাপার মাত্র’: ট্রাম্প
  • বাহরাইনে হোটেলে ড্রোন হামলা, মার্কিন সেনারা সেখানে ছিলেন ধারণা করা হচ্ছে
  • সৌদি আরবকে ধন্যবাদ দিলেন ইরানের রাষ্ট্রদূত
  • জামালপুরে স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যা করল আইনজীবি স্বামী
  • আইভী ও বদির জামিন স্থগিত
  • আজ শনিবার, ২২ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ৭ মার্চ, ২০২৬
    দেশজুড়ে

    এক বছর ধরে অনুপস্থিত, শোকজেও সাড়া নেই সহকারী শিক্ষিকার

    আব্দুল লতিফ রঞ্জু, পাবনা প্রতিনিধি প্রকাশ: ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৫:১০ পিএম
    আব্দুল লতিফ রঞ্জু, পাবনা প্রতিনিধি প্রকাশ: ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৫:১০ পিএম

    এক বছর ধরে অনুপস্থিত, শোকজেও সাড়া নেই সহকারী শিক্ষিকার

    আব্দুল লতিফ রঞ্জু, পাবনা প্রতিনিধি প্রকাশ: ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৫:১০ পিএম


    পাবনার ভাঙ্গুড়া পৌরসভার আরাজি পার-ভাঙ্গুড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা ইফফাত মোকাররমা সানিমুনের বিরুদ্ধে এক বছর ধরে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সন্তান ও বাবার চিকিৎসার অজুহাতে দীর্ঘদিন ধরে তিনি ঢাকায় অবস্থান করছেন। তার বাড়ি উপজেলার চরভাঙ্গুড়া গ্রামে হলেও তিনি পৌরশহরের একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন।


    এ অবস্থায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা নিশাত রেহানা গত ৩১ জুলাই তাকে শোকজ করেন। এতে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে তাকে জবাব দিতে বলা হয়। এরপরেও এখন পর্যন্ত তিনি কর্মস্থলে যোগদান করেননি, এমনকি শোকজের কোনো জবাবও দেননি।


    এদিকে ওই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে তার ব্যাংক কর্মকর্তা বান্ধবীর ১৫ ভরি স্বর্ণের গহনা চুরির অভিযোগে গত ৯ জুলাই ভাঙ্গুড়া থানায় একটি মামলা হয়। তবে ওই মামলায় বর্তমানে তিনি ৬ সপ্তাহের জামিনে রয়েছেন।


    জানা গেছে, গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর এক মাসের জন্য অসুস্থতা জনিত ছুটি নেন শিক্ষিকা সানিমুন। পরে আরো কয়েক দফা ছুটি বাড়িয়ে নেন তিনি। সর্বশেষ তিনি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে গত ২৬ মে থেকে ৩০ জুলাই পর্যন্ত দুই মাসের বিশেষ ছুটি নিয়ে তা প্রধান শিক্ষিকাকে অবহিত করেন। কিন্তু তার এই ছুটি মঞ্জুর করা হয় না। অবশেষে বিনা ছুটিতে দীর্ঘদিন বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকায় গত ৩১ জুলাই তাকে শোকজ করা হয়। কিন্তু আজ পর্যন্ত তিনি কর্মস্থলে যোগদান করেননি, এমনকি শোকজের জবাবও দেননি।


    বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা নিশাত রেহানা বলেন, 'অসুস্থতা জনিত ছুটি শেষ হওয়ার পরও ওই শিক্ষিকা বিদ্যালয়ে যোগদান না করায় তাকে গত ৩১ জুলাই শোকজ করা হয়। তারপরেও তিনি বিদ্যালয়ে যোগদান করেননি, এমনকি শোকজের কোনো জবাবও দেননি। বিষয়টি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে অবহিত করা হয়েছে।'


    এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষিকা ইফফাত মোকাররমা সানিমুন বলেন, 'আমার সন্তান ও বাবার অসুস্থতার জন্য এতোদিন ছুটিতে ছিলাম। আর মে থেকে জুলাই পর্যন্ত দুই মাস আমি অর্জিত ছুটি কাটিয়েছি। আমাকে শোকজ করা হয়েছে ৩১ জুলাই। আর আমি নোটিশ পেয়েছি গত ৭ আগস্ট। তাই শোকজের জবাব দেইনি।'


    তিনি আরও বলেন, 'যেহেতু আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগে একটা মামলা হয়েছে। তাই এ মামলা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কর্মস্থলে ফিরবো না।'


    উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. সেকেন্দার আলী জানান, 'ওই শিক্ষিকা এতোদিন অসুস্থতা জনিত ছুটিতে ছিলেন। তবে তার দুই মাসের বিশেষ ছুটিটা মঞ্জুর করা হয়নি। আর ছুটি শেষে কর্মস্থলে না ফেরায় তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তার সবকিছুই জেলা কর্মকর্তাকে অবহিত করা হয়েছে।'


    এসআর

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…