সংবাদ শিরোনাম
মাগুরায় বাস খাদে পড়ে প্রাণ গেল চারজনের | কিশোরগঞ্জে একসঙ্গে ৪ কন্যা শিশুর জন্ম | এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় আনা হল আল্লামা শফীকে | ফ্যানে ঝুলছিল বড় বোনের নিথর দেহ, মেঝেতে ছোট বোনের লাশ! | নোবিপ্রবির গবেষকদের গবেষণা: বর্জ্য পানিতে করোনা ভাইরাসের সন্ধান! | আরব-ইসরাইল সম্পর্কের প্রতিবাদে বাহরাইনে বিক্ষোভ অব্যাহত | আল্লামা শফীর শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন, এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে আনা হচ্ছে ঢাকায় | ‘পাত্র চাই’ বিজ্ঞাপন দিয়ে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ | খাগড়াছড়িতে বাস ও মোটরবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১ | ‘বঙ্গবন্ধু শুধু আ.লীগের না সারাদেশের ও সারাবিশ্বের অবিসংবাদিত নেতা’- খাদ্যমন্ত্রী |
  • আজ ৩রা আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

ইউপি মেম্বরের ভয়ে একটি পরিবার ১১দিন ঘর ছাড়া !

৮:৫৪ অপরাহ্ণ | বুধবার, জুন ১৫, ২০১৬ মফস্বল সংবাদ

ঙৃ্রঙৃ

রৌমারী (কুড়িগ্রাম): ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে ভোট না দেয়ার অপরাধে একটি পরিবারকে মারপিট করে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

গত ৪জুন অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার ইউপি নির্বাচনের পর সদর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের মেম্বার প্রার্থী ইব্রাহিম খলিল বিজয়ী হয়ে ৫জুন ভোট না দেয়ার অভিযোগ তোলেন দুবলাবাড়ি গ্রামের জহর উদ্দিনের পরিবারের বিরুদ্ধে। পরে ওই মেম্বার প্রার্থীর আত্মীয় মাসউদ আহমেদ ও আহমদ উল্লাহর নির্দেশে ১০/১২ জন সন্ত্রাসী তাদের বাড়ি থেকে হাসনাবাদ ইসলামীয়া দাখিল মাদ্রাসার একটি রুমে আটকে রেখে জহর উদ্দিন, তার স্ত্রী এবং ছেলের ওপর  অমানষিক নির্যাতন চালায়। এরপর পরিবারটির সদস্যরা চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়। বর্তমানে তারা সেখানেই চিকিৎসার পাশাপাশি অবস্থান করছেন। দ্বিতীয় কোনো আশ্রয় না থাকায় এবং আবারও মারপিটের হুমকির কারণে ১১দিনেও বাড়ি ফিরতে পারছে না পরিবারটি।

জহর উদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, ‘থানায় অভিযোগ দিছি পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি, মামলাও করেনি। ওসি স্যার হাসপাতালে দেখবার আইসা কইছে চিকিৎসা শেষে তোমরা বাড়ি যাও কেউ কিছু বলব না। গ্রাম থিকা খবর আইছে বাড়িতে উঠলে তোর বউ বেডাসহ তিনজনকে আবার মারপিট করা হইব।’ জহর উদ্দিনের স্ত্রী মাজেদা বেগম বলেন, ‘আমার একটা বেডা (ছেলে)। আমগর সঙ্গে বেডাগও মাইরা ফেলব কইছে। আমরা নদী ভাঙ্গা মানুষ। ওই গেরামে নতুন বাড়ি করছি। গেরামে আমগর আপন বলতে কেউ নাই।’

এ ব্যাপারে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবিএম সাজেদুল ইসলাম অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করে জানান, হাসপাতালে গিয়ে পরিবারটিকে দেখে এসেছি। ওই ঘটনায় তদন্তের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।