সংবাদ শিরোনাম

ইরানের পরমাণু বিজ্ঞানী হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় যা বললেন বাইডেন | শেখ হাসিনার প্রশংসায় কমনওয়েলথ মহাসচিব | সারাদেশে পৃথক দুর্ঘটনায় নিহত ২০ | ঠাকুরগাঁওয়ে পরিত্যক্ত ঘরে আগুন লাগিয়ে প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর অভিযোগ! | অসহায় মানুষের আশ্রয়স্থল নগরকান্দা ব্লাড ডোনার্স ক্লাব | কৃষি বিক্ষোভে ট্রুডোর সমর্থন, কানাডার রাষ্ট্রদূত তলব করে ভারতের প্রতিবাদ | প্রতি শুক্রবার উইঘুর মুসলিমদের শূকর খেতে বাধ্য করে চীন | ছাত্রকে বলাৎকার, মাদ্রাসা শিক্ষককে গণধোলাইয়ের পর পুলিশে দিলেন জনতা | মধ্যরাত থেকে করোনা নেগেটিভ সনদ ছাড়া দেশে প্রবেশ নিষেধ | বিদায় নেয়ার আগে ইরানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা ট্রাম্প প্রশাসনের |

  • আজ ১৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

'জীবিতরা ভোট দিতে না পারলেও মৃতরা ঠিকই দিয়েছেন'

⏱ ৪:০৭ অপরাহ্ন | বৃহস্পতিবার, জুন ১৬, ২০১৬ 📂 ফিচার

sihab

সময়ের কণ্ঠস্বর- সম্প্রতি ছয় ধাপে অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) নির্বাচনকে 'ভৌতিক' আখ্যা দিয়েছে বেসরকারি সংস্থা সুশাসনের জন্য নাগরিক সুজন। সংস্থাটি বলছে, দেড়শ’ বছরের ইতিহাসে এবারই সবচেয়ে খারাপ ইউপি নির্বাচন হয়েছে। নির্বাচনে ভয়ে জীবিতরা ভোট দিতে না পারলেও মৃত ভোটাররা ঠিকই তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে বৃহস্পতিবার ‘ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন-২০১৬’ এর সার্বিক প্রতিবেদন শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনটির আয়োজন করে সুজন।

এতে বলা হয়, সদ্য অনুষ্ঠিত নবম ইউপি নির্বাচনে ১৪৫ জন নিহত এবং সাড়ে ১১ হাজার জন আহত হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, পাকিস্তান আমলে নির্বাচনে পর আইয়ুব খান সেটিকে মৌলিক গণতন্ত্র বলে উল্লেখ করেছিলেন। আর এই সরকার যে নির্বাচন দিচ্ছে, আমি এই নির্বাচনকে বলব- ভৌতিক নির্বাচন।

নিজের এই বক্তব্যের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে তিনি বলেন, এবারের নির্বাচন ভয়ের কারণে জীবিত ভোটাররা ভোট দিতে পারেননি। কিন্তু মৃত ভোটাররা ভোট দিয়েছেন।

আবুল মকসুদ দাবি করেন, দেড়শ’ বছরের ইতিহাসে এটি সবচেয়ে খারাপ ইউপি নির্বাচন হয়েছে। দেশী-বিদেশী কোনো স্থানীয় নির্বাচনের সঙ্গে এই নির্বাচনের কোনো মিল নেই। তিনি আরও বলেন, এবারের ইউপি নির্বাচন ক্ষমতাসীন দল লাভবান হয়েছে। তবে ভেঙে পড়েছে নির্বাচনী ব্যবস্থা।

সুজনের সমন্বয়ক দিলীপ কুমার সরকার বলেন, বিভিন্ন ধাপে শেষ হওয়া ইউপি নির্বাচনে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার প্রায় প্রতিটি ঘটনা ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মাধ্যমে ঘটেছে। এই নির্বাচনে দেশের কোনো কোনো অঞ্চল, বিশেষ করে পটুয়াখালী, বরিশাল, বরগুনা, পিরোজপুর, বাগেরহাট ও খুলনা জেলায় নির্বাচনপূর্ব ও পরবর্তীকালে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায় হামলার শিকার হয়েছেন। যার প্রায় প্রতিটি ঘটনা ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ অথবা তাদের বিদ্রোহী প্রার্থী ও কর্মী-সমর্থকদের মাধ্যমে হয়েছে।

নির্বাচনে হতাহতের ঘটনা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের দেশে নির্বাচনে বিশেষ করে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গ্রামে- গঞ্জে একদিকে যেমন ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়, তেমনি অন্যদিকে প্রার্থী ও সমর্থকদের বিরোধে হতাহতের ঘটনা ঘটে। কিন্তু এবারের নির্বাচনে সহিংসতা অতীতের সকল রেকর্ড অতিক্রম করেছে।