🕓 সংবাদ শিরোনাম

পুলিশ যেভাবে মার খাচ্ছিল, অ্যাকশনে যাওয়া ছাড়া উপায় ছিল না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী * ১০ ডিসেম্বর গাড়ি চলাচল স্বাভাবিক থাকবে: মালিক সমিতি * ২৪ ঘণ্টা পর খুলে দেয়া হলো নয়াপল্টনের সড়ক * গাবতলীতে পুলিশের চেকপোস্ট, ঢাকামুখী গাড়িতে তল্লাশি * নয়াপল্টনের ঘটনা পরিকল্পিত, এর জন্য বিএনপি দায়ী: তথ্যমন্ত্রী * ১০ই ডিসেম্বর নয়াপল্টনেই সমাবেশ হবে: মির্জা ফখরুল * নয়াপল্টনের ঘটনায় তিন মামলা, আসামি বিএনপির তিন হাজার নেতাকর্মী * বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে প্রেসক্লাবে বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা * আর্জেন্টিনার জার্সি পরা সেই ব্যক্তির পরিচয় খুঁজছে পুলিশ * ‘বোমা পাওয়ায় কাউকে বিএনপি অফিসে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না’ *

  • আজ বৃহস্পতিবার, ২৩ অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ ৷ ৮ ডিসেম্বর, ২০২২ ৷

শিশুদের অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগে যেভাবে ক্ষতি হচ্ছে !


❏ শুক্রবার, জুন ১৭, ২০১৬ আপনার স্বাস্থ্য

wasfia

স্বাস্থ্য ডেস্ক: অসুখ সারাতে ওষুধ লাগবেই। আর সেই ওষুধই ডেকে আনছে বিপদ! অ্যান্টিবায়োটিকের অত্যাধিক ব্যবহার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দিচ্ছে নবজাতক ও শিশুদের। সামান্য জ্বর, পেটের অসুখ বা শ্বাস কষ্ট হলেই ছোট্ট শিশুটিকে সুস্থ করতে অ্যান্টিবায়োটিক প্রেসক্রাইব করেন চিকিৎসক। অবাক লাগলেও, গবেষকরা বলছেন এই অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারই ভবিষ্যতে দুর্বল করে দিচ্ছে শিশুদের।  দেখুন কীভাবে অ্যান্টিবায়োটিক সমস্যায় ফেলছে শিশুদের-

কী ভাবে বিপদ?

অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়া শুধু হজমে সাহায্য করে এমনটা নয়। অ্যাজমা, অ্যালার্জি, পেটের অসুখের মতো বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধেও সাহায্য করে এই ব্যাকটেরিয়া। প্রত্যেক শিশুর দেহেই তৈরি হয় নিজস্ব ব্যাকটেরিয়ার সেট, মাইক্রোবায়োম। জীবনের প্রথম দুই-তিন বছর এই মাইক্রোবায়োম গঠন হওয়ার ক্ষেত্রে খুবই গুরত্বপূর্ণ। কিন্তু গবেষণা বলছে, অ্যান্টিবায়োটিকের প্রভাব পড়ছে এই মাইক্রোবায়োম গঠনে।

‘বিপদ অ্যান্টিবায়োটিকে!’

অ্যান্টিবায়োটিকের বারবার ব্যবহার ব্যাকটেরিয়া গঠনে বাধা সৃষ্টি করে। যার নিট ফল সুগঠিত মাইক্রোবায়োম তৈরিই হয় না শিশুর দেহে। স্থিতিশীল হয় না শিশুদেহের প্রয়োজনীয় ব্যাকটেরিয়াগুলি।

বিপদ সিজারিয়ান শিশুদেরও!

বিপদসীমার মধ্যে রয়েছেন সিজার করে জন্ম নেওয়া নবজাতকেরাও। এমনটাই দাবি গবেষকদের। সিজারিয়ান বেবিদের অন্ত্রে রোগ প্রতিরোধকারী ব্যাকটেরিয়ার পরিমাণ কম থাকে। এই শিশুদের উপর অ্যান্টিবায়োটিকের প্রভাব আরও খারাপ হতে পারে।

তাই গবেষকরা বলছেন, শিশুদের অ্যান্টিবায়োটিক দিন একেবারে সাবধানে। কারণ শিশুর জীবনের প্রথম তিন বছর অহেতুক অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার মোটেই ভাল নয়।