সংবাদ শিরোনাম

মুসলিম হওয়ায় বিতাড়িত করেছিলেন ট্রাম্প, আবার ফিরলেন হোয়াইট হাউসেশনিবারের পর ওবায়দুল কাদেরের প্রতি আর শ্রদ্ধা থাকবে না: কাদের মির্জারংপুরে আল্লাহর গুণবাচক নামের দৃষ্টিনন্দন স্তম্ভ হচ্ছেমহানবীর (সা.) ১৪০০ বছর আগের যে বাণী সত্য প্রমাণ পেল বিজ্ঞানজামালপুরে ট্রাক চাপায় প্রাণ গেল বৃদ্ধারকালীগঞ্জে জন্ম নিবন্ধন কার্ড বিতরণে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগবাইডেন প্রশাসনে বিএনপি নেতা ড. মঈন খানের ভাগ্নি!প্রধানমন্ত্রীর পা ধরে হলেও আপনাদের প্রত্যাশা পূরণ করব : নানকহবিগঞ্জে স্কুলছাত্রকে হত্যা করে ফোনে অভিভাবকের কাছে চাঁদা দাবি, আটক ৩গোপালগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় সবজি ব্যবসায়ী নিহত

  • আজ ১৩ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

এক কেজি মাংসের জন্য ‘পৈশাচিক কায়দায়’ হত্যার শিকার হয় ফাহিম

fahim_1

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: মাত্র এক কেজি মাংসের জন্য পৈশাচিক কায়দায় হত্যা করা হয় সাতক্ষীরা সদর উপজেলার মৃগিডাঙ্গা গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী মনিরুল ইসলামের ছেলে ফাহিম আহমেদকে (৮)।

শুক্রবার দিনগত রাতে এ ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করা হলে হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য বেরিয়ে আসে। সদর উপজেলার কুশখালী গ্রাম থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

এরা হলেন-কুশখালী গ্রামের মুজিবর রহমান (৬০), তার স্ত্রী ছফুরা খাতুন (৫৩), ছেলে ইব্রাহিম হোসেন (৩৩) ও ইসরাফিল হোসেন (২৮)। তবে ইসরাফিল হোসেনের স্ত্রী তামান্না খাতুনকে আটক করা হলেও জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়।

সাতক্ষীরা সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবুল কালাম আজাদ এসব তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা জানায়, স্থানীয় বাজারে মুজিবুর রহমানের সাইকেল মেরামতের একটি গ্যারেজ রয়েছে। ১৪ জুন সকালে এক কেজি গরুর মাংস কিনে প্রতিবেশী ফাহিমকে দিয়ে বাড়ি পাঠান তিনি। সে মাংস নিয়ে মুজিবর রহমানের বাড়ি গিয়ে দেখে বাড়িতে কেউ নেই। এ সময় বাড়ির সামনে থাকা ভ্যানের ওপর মাংস রেখে চলে আসে সে।

পরে মুজিবর রহমানের পরিবারের সদস্যরা বাড়ি এসে দেখে মাংসের প্যাকেট নিয়ে কুকুর টানাটানি করছে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মুজিবর রহমান শিশুটিকে ডেকে পাঠায় এবং মাংসের প্যাকেট কোথায় রেখেছিল জানতে চান। ফাহিম উত্তর দিলে মুজিবর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যরা তাকে বেদম মারপিট করেন। এতে ফাহিমের শরীরের বিভিন্ন অংশ ফেটে রক্ত বের হতে শুরু করলে তারা রক্ত বন্ধ করার জন্য ফেবিকল আঠা লাগিয়ে দেন।

কিন্তু তাতেও রক্ত বন্ধ না হলে উল্টো ফাহিমের শরীরের বিভিন্ন অংশ ফুলে ওঠে। তখন কোনো উপায় না পেয়ে ফাহিমকে একটি বাক্সে বন্দি করে রাখেন তারা। সেখানেই মৃত্যু হয় তার। মৃত্যুর পর রাতের কোনো এক সময় ফাহিমকে পার্শ্ববর্তী পাটক্ষেতে ফেলে দেন তারা।

Sharing is.

Share on facebook
Share On Facebook
Share on whatsapp
Share On WhatsApp
Share on twitter
Share On Twitter