🕓 সংবাদ শিরোনাম

কেরানীগঞ্জে ফুটবল আনতে খালে নেমে দুই বন্ধুর মর্মান্তিক মৃত্যু‘যমুনা পাড়ের জনপদ’র মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিসংবাদ সম্মেলনে বিয়ারের বোতল সরিয়ে রাখলেন পগবাহজে সাধারণ কাপড় বাদ,আসছে ন্যানোটেকনোলজি যুক্ত ইহরামপরীমনির বিষয়ে যা বললেন অল কমিউনিটি ক্লাবের প্রেসিডেন্টরাঙামাটির চন্দ্রঘোনায় এলজি ও কার্তুজসহ পাহাড়ি সন্ত্রাসী আটকমুহাম্মাদ আদনানকে খুঁজতে হাইকোর্টে লড়তে চান ব্যারিস্টার সুমনটাঙ্গাইলে পৌঁছেছে চীনের ভ্যাকসিন, প্রয়োগ শুরু ১৯ জুনকেরানীগঞ্জে অপহরণের দুইদিন পর ভিকটিম উদ্ধার, গ্রেফতার ৭বগুড়ায় প্রেমের ফাঁদে ফেলে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ, গ্রেফতার ১

  • আজ বৃহস্পতিবার, ৩ আষাঢ়, ১৪২৮ ৷ ১৭ জুন, ২০২১ ৷

এসপি বাবুল আক্তারকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া প্রসঙ্গে জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী


❏ মঙ্গলবার, জুন ২৮, ২০১৬ Breaking News, জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর – চট্টগ্রামের আলোচিত মাহমুদা খানম মিতু হত্যায় তার স্বামী এসপি বাবুল আক্তার পুলিশের নজরদারিতে নেই বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক মাদক প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

sorastro-montri-kamal

এসপি বাবুলকে ডিবি কার্যালয়ে নেয়া প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেন, বাবুল আক্তারকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছিল মিতু হত্যায় গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের মুখোমুখি বসিয়ে আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য। পুলিশি হেফাজতে নেওয়ার মতো কোনো অভিযোগ বাবুল আক্তারের বিরুদ্ধে নেই। তাকে পুলিশের নজরদারিতেও রাখা হয়নি।

স্বরাষ্টমন্ত্রী বলেন, “সিসিটিভির ফুটেজ দেখে দুজন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছিলো। তাদের চিহ্নিত করতেই এসপি বাবুল আক্তারকে নেয়া হয়েছিলো।”

মিতু হত্যা মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে, তদন্ত শেষে এ মামলার বিস্তারিত জানা যাবে বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী।

উল্লেখ্য, গত ৫ জুন সকালে চট্টগ্রাম নগরীর ও আর নিজাম রোডের বাসার অদূরে ছেলেকে স্কুল বাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে খুন হন মাহমুদা খানম মিতু। মোটরসাইকেলে আসা তিন হামলাকারী মিতুকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করে পালিয়ে যায়।

ঘটনার পর থেকে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছিলো, গত কয়েক বছরে চাকরিকালীন সময়ে চট্টগ্রামে জঙ্গি দমন অভিযানে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছিলেন মিতুর স্বামী এসপি বাবুল আক্তার। আর এ কারণে জঙ্গিদেরই টার্গেটে ছিলেন তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা।

তবে ঘটনার দুই দিন আগে বদলিজনিত কারণে ঢাকায় আসেন এসপি বাবুল আক্তার। ঘটনার দিন ৫ জুন তার নতুন কর্মস্থলে যোগ দেয়ার কথা ছিল। আর এ দিনই ঘটে যায় মর্মান্তিক এই ঘটনা।