সংবাদ শিরোনাম
ধর্ষণে অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা সাইফুরের রুম থেকে অস্ত্র উদ্ধার | স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ভাঙা কুটিরে মানবেতর জীবন যাপন করছেন আ.লীগ নেতা বাচ্চু | উইঘুর সংস্কৃতি বিলুপ্ত করতেই হাজার মসজিদ ধ্বংস করে চীন | যে কারণে এই মুহূর্তে সরকার পতনের আন্দোলন করবেন না নুর | টাঙ্গাইলে বন্যায় সড়ক বিভাগের ৬০ কিলোমিটার রাস্তার ক্ষয়ক্ষতি | এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে গণধর্ষণ, ছাত্রলীগের যাদের খুঁজছে পুলিশ | মসজিদে নামাজ পড়তে আসলেই উপহার পাচ্ছে শিশুরা | স্কুলছাত্রী নীলা হত্যার প্রধান আসামি মিজান গ্রেফতার | করোনায় বিশ্বে ২০ লাখ মানুষের মৃত্যু হতে পারে: ডব্লিউএইচও | এমসি কলেজ হোস্টেলে স্বামীকে বেধে স্ত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগ ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে |
  • আজ ১১ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

এসপি বাবুল আক্তারকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া প্রসঙ্গে জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

২:২৫ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, জুন ২৮, ২০১৬ Breaking News, জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর – চট্টগ্রামের আলোচিত মাহমুদা খানম মিতু হত্যায় তার স্বামী এসপি বাবুল আক্তার পুলিশের নজরদারিতে নেই বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক মাদক প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

sorastro-montri-kamal

এসপি বাবুলকে ডিবি কার্যালয়ে নেয়া প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেন, বাবুল আক্তারকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছিল মিতু হত্যায় গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের মুখোমুখি বসিয়ে আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য। পুলিশি হেফাজতে নেওয়ার মতো কোনো অভিযোগ বাবুল আক্তারের বিরুদ্ধে নেই। তাকে পুলিশের নজরদারিতেও রাখা হয়নি।

স্বরাষ্টমন্ত্রী বলেন, “সিসিটিভির ফুটেজ দেখে দুজন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছিলো। তাদের চিহ্নিত করতেই এসপি বাবুল আক্তারকে নেয়া হয়েছিলো।”

মিতু হত্যা মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে, তদন্ত শেষে এ মামলার বিস্তারিত জানা যাবে বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী।

উল্লেখ্য, গত ৫ জুন সকালে চট্টগ্রাম নগরীর ও আর নিজাম রোডের বাসার অদূরে ছেলেকে স্কুল বাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে খুন হন মাহমুদা খানম মিতু। মোটরসাইকেলে আসা তিন হামলাকারী মিতুকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করে পালিয়ে যায়।

ঘটনার পর থেকে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছিলো, গত কয়েক বছরে চাকরিকালীন সময়ে চট্টগ্রামে জঙ্গি দমন অভিযানে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছিলেন মিতুর স্বামী এসপি বাবুল আক্তার। আর এ কারণে জঙ্গিদেরই টার্গেটে ছিলেন তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা।

তবে ঘটনার দুই দিন আগে বদলিজনিত কারণে ঢাকায় আসেন এসপি বাবুল আক্তার। ঘটনার দিন ৫ জুন তার নতুন কর্মস্থলে যোগ দেয়ার কথা ছিল। আর এ দিনই ঘটে যায় মর্মান্তিক এই ঘটনা।