মিতু হত্যা: সন্দেহভাজন ৫ জনের দেশ ত্যাগ ঠেকাতে বিশেষ সতর্কতা জারি

৬:২৭ অপরাহ্ন | বুধবার, জুন ২৯, ২০১৬ Breaking News, ফিচার, স্পট লাইট

সময়ের কণ্ঠস্বর : আলোচিত পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যায় অংশ নেয়া সাতজনের নাম এসেছে ১৬৪ ধারায় আদালতে দেয়া ওয়াসিম ও আনোয়ারের জবানবন্দিতে। হত্যার মূল অভিযুক্তরা হলেন- মুসা, নবী, রাশেদ, শাজাহান ও কালুসহ অন্যান্য আসামিরা যেন দেশ ছাড়তে না পারে, সেজন্য বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে পুলিশ।

গত ৫ জুনের হত্যাকাণ্ডে এরা সরাসরি জড়িত ছিলেন বলে পুলিশ কর্মকর্তাদের ধারণা। তাদের নাম-ঠিকানা এবং ছবি দিয়ে দেশের সব বিমান ও স্থল বন্দরে সতর্কতা জারি করা হয়। আসামিরা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে এমন গোয়েন্দা তথ্য পাওয়ার পর এ ব্যবস্থা নেয়া হয়।

মিতু হত্যার পুরো চিত্র এখন তদন্তকারী গোয়েন্দা পুলিশের হাতে। ভিডিও ফুটেজের পাশাপাশি গ্রেপ্তারকৃত দু’ আসামী ওয়াসিম এবং আনোয়ারের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেয়ায় বাকি আসামীদের শনাক্তে সুবিধা হয়েছে।

এর মধ্যে কিলিং মিশনের অন্যতম দু’ আসামী মুসা এবং নবী’র ছবিসহ যাবতীয় তথ্য পেয়েছে পুলিশ। তার সাথে রেকিতে থাকা রাশেদ, শাহাজাহান এবং কালু’র তথ্যও বাদ যায়নি। এ অবস্থায় পুলিশের পক্ষ থেকে শুরু হয়েছে তাদের বিদেশ পালানো ঠেকানোর প্রক্রিয়া।

বুধবার চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) পক্ষ থেকে এ নিষেধাজ্ঞা দিয়ে বাংলাদেশের সব স্থল ও বিমানবন্দরে বার্তা পাঠানো হয়।

মিতু হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, ‘আমরা খুনিদের ব্যাপারে যতটুকু তথ্য পেয়েছি ততটুকু দেশের সবগুলো সীমান্তের চেকপোস্টে দিয়েছি। সেই সাথে তাদের আমরা ছবিও পাঠিয়েছে, যাতে কোনো আসামি দেশ ত্যাগ না করতে পারে।’

mitu-hottakando

মিতু হত্যাকাণ্ডে ‘সরাসরি জড়িত’ মোতালেব মিয়া ওয়াসিম ও আনোয়ার হোসেনের আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে এই পাঁচজনের সংশ্লিষ্টতার কথা এসেছে বলে পুলিশ কর্মকর্তারা জানান।

ওয়াসিম ও আনোয়াকে গত শনিবার গ্রেপ্তারের পর সিএমপি কমিশনার বলেছিলেন, জিইসি মোড়ের কাছে মিতু হত্যাকাণ্ডে সাত-আটজন অংশ নিয়েছিল। তার মধ্যে ওয়াসিম গুলি চালান, আনোয়ার অনুসরণকারী ছিলেন।

তাদের জবানবন্দির ভিত্তিতে ওই হামলার ‘অস্ত্র জোগানদাতা’ এহতেশামুল হক ভোলা ও মনির হোসেন নামে দুজনকে মঙ্গলবার গ্রেপ্তারের কথা জানায় পুলিশ।

গতকাল মঙ্গলবার বাকলিয়া থানায় অস্ত্র আইনে ভোলা ও মনিরকে আসামি করে একটি মামলা হয়েছে। তবে মনিরকে মিতু হত্যামামলায় আসামি করা হয়নি। বিকালে এই দুই আসামিকে আদালতে হাজির করা হলে ভোলাকে মিতু হত্যামামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়।

এদিকে মাহমুদা খানম মিতু হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী ও নির্দেশদাতা বড়ভাইয়ের নাম এখনো প্রকাশ করেনি পুলিশ।

গত ৫ জুন নগরীর জি ই সি মোড়ে সংগঠিত এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ এ পর্যন্ত গ্রেফতার করেছে চার জনকে। উদ্ধার করা হয়েছে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র এবং মোটর সাইকেল।
মোহাম্মদ এরফান সেলিম হাজী সেলিমের ছেলে ইরফান গ্রেফতার

সোমবার, অক্টোবর ২৬, ২০২০

ব্যারিস্টার রফিক-উল হক আর নেই

শনিবার, অক্টোবর ২৪, ২০২০

Durga puja আজ মহাষ্টামী

শনিবার, অক্টোবর ২৪, ২০২০