ময়মনসিংহের ভালুকায় কমছে ফসলি জমি

১২:৩৩ অপরাহ্ন | শুক্রবার, জুলাই ১, ২০১৬ দেশের খবর, ময়মনসিংহ

untitled-25_58149

মোঃ মমিনুল ইসলাম, ভালুকা প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের সর্ব দক্ষিনে অবস্থিত নব্য শিল্পাঞ্চল ভালুকা উপজেলা। এক সময় কৃষি নির্ভর এ অঞ্চলটি বিগত নব্বই দশক থেকে শিল্প মালিকদের পছন্দের তালিকায় স্থান পায়। যার ফলশ্রুতিতে দ্রুত শিল্পায়নের দিকে ধাবিত হচ্ছে। উচুঁ এবং বন্যা মুক্ত লাল মাটির ভালুকায় শতাধিক কল-কারখানা স্থাপিত হয়েছে।

এসব কারখানা স্থাপনের ফলে অবহেলিত এলাকাটি ব্যাপক উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, তেমনি কমে আসছে ফসলি জমি। বনাঞ্চলের অভয়ারন্যখ্যাত ভালুকার অনেক জায়গায় এখন কারখানা স্থাপনের দরুন পরিবেশ হুমকির মুখে পতিত হচ্ছে। ভালুকার উচুঁ জমিগুলোতে বনবিভাগের মালিকানার দাবি থাকায় শিল্প মালিকগন একশ্রেণীর ভুমি দালালদের মাধ্যমে বাইদের নিচু জমি ক্রয় করে ফ্যাক্টরি নির্মাণ করছেন যার দরুন দু‘ফসলি এসব ধানের জমি কমে যাচ্ছে। দ্রুত শিল্পায়নের ফলে এ অঞ্চলে বাড়ছে জনসংখ্যার চাপ।দেখা দিচ্ছে আবাসনের প্রয়োজনীতা। আর এ সুযোগে গড়ে উঠছে ব্যাপকহারে ঘর-বাড়ী।

অপরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা আবসনের জন্য কমে যাচ্ছে ফসলি জমি। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত কারখানা শ্রমিকদের নিকট সহজেই বাড়ী বাড়া দিতে পারায় ভুমি মালিকদের ফসলে প্রতি আগ্রহ দিনদিন কমে যাচ্ছে। অপরদিকে ভালুকার অনেক ইউনিয়নে অবৈধভাবে ইটভাটা আর মাটি বিক্রি ও মাছ চাষের জন্য পুকুর খননের মহোৎসবে হুমকির মুখে পড়েছে ভালুকার ফসলি ভূমি। প্রশাসনের নীরবতার সুযোগে ও নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ফসলি জমিতে কল-কারখানা স্থাপন, পুকুর খনন আর পরিবেশ অধিদফতরের ছাড়পত্র ছাড়ায় গড়ে উঠছে ইটভাটা। ফলে ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে ফসলি জমি।

ফসলি জমির ব্যাবহারে সচেতনা ও পতিত ও উচুঁ জমি যেখানে ফসল কম ফলে সেসব জমিতে কারখানা স্থাপন করে কৃষিজ পণ্য উৎপাদনে নজর দিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ জরুরী বলে মনে করেন সচেতন মহল।

এসিল্যান্ডের যোগদান সালথায় নবাগত এসিল্যান্ডের যোগদান

সোমবার, অক্টোবর ২৬, ২০২০