সংবাদ শিরোনাম

বাংলাদেশকে তিস্তার পানি না দেয়ার সাফ ঘোষণা মমতারশ্বশুরবাড়ি যাওয়ার আগে কাঁদতে কাঁদতেই মারাই গেলেন কনে!এবার ‘টোকাই’ হয়ে আসছেন হিরো আলমহাসপাতালের ওষুধ পাচারের ছবি তোলায় ১০ সংবাদকর্মী তালাবদ্ধবঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ স্বাধীনতার প্রকৃত ঘোষণা: প্রধানমন্ত্রীনির্মাণকাজ শেষের আগেই ‘মডেল মসজিদের’ বিভিন্ন স্থানে ফাটলআহসানউল্লাহ মাস্টারসহ ১০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান পাচ্ছেন স্বাধীনতা পুরস্কারঐতিহাসিক ৭ মার্চের সুবর্ণ জয়ন্তী: টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে মানুষের ঢলচট্টগ্রাম কারাগারে হাজতি নিখোঁজ, জেলার-ডেপুটি জেলার প্রত্যাহারদেবীগঞ্জে ট্রাক্টরের চাপায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু

  • আজ ২২শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

জঙ্গি ও তার সমর্থক ধরতে এবার সোশ্যাল মিডিয়ায় সাঁড়াশি অভিযান

৫:২০ অপরাহ্ন | শুক্রবার, জুলাই ৮, ২০১৬ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক –   সামাজিক গণমাধ্যমে জঙ্গিরা প্রপাগান্ডা চালাচ্ছে এবং তরুণদদের নিয়োগ দিয়েছে বলে অভিযোগ ওঠার পর জঙ্গি ও তার সমর্থক ধরতে এবারসোশ্যাল মিডিয়া বা সামাজিক গণমাধ্যমে সাঁড়াশি অভিযান শুরু হয়েছে।

jonggi-dhorte

বাংলাদেশ টেলিযোগ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ বলছে, গুলশানে হলি আর্টিজান বেকারি নামের রেস্তোরাঁ জঙ্গিদের তা-বের ঘটনাটি তাদের ‘চোখ খুলে দিয়েছে’।

বিদেশিদের কাছে জনপ্রিয় ওই রেস্তোরাঁয় শুক্রবার জঙ্গি হামলায় ১৭ বিদেশিসহ ২২ জন নিহত হন। পরে কমান্ডো অভিযানে মারা যায় পাঁচ জঙ্গি।

খবরে প্রকাশ, হামলাকারী বেশ কয়েকজন উচ্চশিক্ষিত তরুণকে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে নিয়োগ দেয় ইসলামিক স্টেট জঙ্গিগোষ্ঠী।

‘সোশ্যাল মিডিয়া জঙ্গি রিক্রুটের একটি উর্বরক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে,’ এএফপিকে বলছিলেন বিটিআরসির চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ।

‘এই হামলা আমাদের চোখ খুলে দিয়েছে। তারা (জঙ্গিগোষ্ঠী) সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে তরুণদের আকৃষ্ট করছে।’

ইসলামিক স্টেট দীর্ঘদিন ধরেই জঙ্গি সংগ্রহের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে আসছে এবং বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসবাদী হামলা চালানোর জন্য লোকদেরকে উৎসাহিত করছে।

শুক্রবার গুলশানে হামলার দায় স্বীকার করেছে আইএস।

শাহজাহান মাহমুদ জানান, উগ্রপন্থী ওয়াজ সরিয়ে দেয়ার জন্য বিটিআরসি ইউটিউবকে অনুরোধ করেছে।

গত বুধবার বাংলাদেশের পুলিশ জানিয়েছে, ইসলামিক স্টেট বা অন্য কোনো জঙ্গি সংগঠনের সমর্থনে ফেসবুক, টুইটার কিংবা ইউটিউবের মত সোশ্যাল মিডিয়ায় কোনো ভিডিও, ছবি বা বক্তৃতা আপলোড করলে কিংবা এতে শেয়ার, লাইক ও মন্তব্য করলে তথ্য প্রযুক্তি আইনে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় হামলা থেকে বেঁচে যাওয়া কয়েকজন জানিয়েছেন, হামলাকারী তরুণরা জিম্মিদের মোবাইল কেড়ে নিয়ে সেই মোবাইল দিয়ে হত্যাযজ্ঞের ছবি পাঠায় এবং দ্রুত তা প্রকাশ করে আইএস।

কেউ কেউ বলছেন, তারা ল্যাপটপ সঙ্গে নিয়ে প্রবেশ করেন এবং রেস্তোরাঁয় কর্মীদের ওয়াইফাই চালু করার নির্দেশ দেন।

শাহজাহান মাহমুদ বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় উগ্রপন্থার বিস্তার রোধে সরকার কঠোর আইন প্রণয়নের কথা ভাবছে।

পুলিশ একটি বিশেষ ইমেইল খুলেছে এবং অনলাইনে কোনো সন্দেহভাজন তৎপরতা চোখে পড়লে তা জানাতে জনগণের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে।