সংবাদ শিরোনাম

বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ স্বাধীনতার প্রকৃত ঘোষণা: প্রধানমন্ত্রীনির্মাণকাজ শেষের আগেই ‘মডেল মসজিদের’ বিভিন্ন স্থানে ফাটলআহসানউল্লাহ মাস্টারসহ ১০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান পাচ্ছেন স্বাধীনতা পুরস্কারঐতিহাসিক ৭ মার্চের সুবর্ণ জয়ন্তী: টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে মানুষের ঢলচট্টগ্রাম কারাগারে হাজতি নিখোঁজ, জেলার-ডেপুটি জেলার প্রত্যাহারদেবীগঞ্জে ট্রাক্টরের চাপায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যুকরোনার এক বছর: মৃত্যু ৮৪৬২, শনাক্ত সাড়ে ৫ লাখটাঙ্গাইলে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উদযাপনমোবাইল ইন্টারনেট গতিতে উগান্ডারও পেছনে বাংলাদেশমশাল মিছিল থেকে গ্রেফতার ৬ ছাত্রনেতার জামিন

  • আজ ২২শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

আধুনিক সভ্যতার আগে মানুষ যেভাবে নির্ধারণ করতো গর্ভের সন্তান ছেলে না মেয়ে ?

৬:২৩ পূর্বাহ্ন | শনিবার, জুলাই ৯, ২০১৬ জানা-অজানা, স্পট লাইট

সম্পাদনা- আফশানা নিশি, লাইফ স্টাইল কন্ট্রিবিউটর,সময়ের কণ্ঠস্বর

জানতে খুব আগ্রহ হচ্ছে নিশ্চয়ই কিভাবে কাজটি করা হতো। অবাক হওয়ারই বিষয়।তখন আলট্রাসোনোর প্রচলন ছিলো না। পরীক্ষা করে জানা সম্ভব ছিলো না গর্ভের সন্তান ছেলে না মেয়ে।তবে মানুষের মধ্যে কিছু নিজেদের তৈরি নিয়ম ছিলো যা দ্বারা নির্ধারণ করা হতো ছেলে হবে না মেয়ে হবে।

১।পায়েস রান্না করে:৭ মাসের গর্ভাবস্থায় স্বাধ দেওয়ার অনুষ্ঠান হতো।সেই অনুষ্ঠানের নিয়ম অনুযায়ী ১ বাড়ি পায়েস ধামা (বাঁশ দিয়ে তৈরি বড় ঝুড়ি বিশেষ) দিয়ে ঢেকে রাখা হতো।তারপর ঢাকনা তুলে পরখ করা হতো।পায়েস যদি ফেটে যেতো তবে বলা হতো মেয়ে হবে আর পায়েস ঠিক থাকলে অর্থাৎ কোন শির বা ফাটল না হলে বলা হতো ছেলে হবে।

২।নাভি পরীক্ষা:গর্ভবতী থাকা কালিন যদি নাভি সামান্য ফুলে উঠে তবে বলা হতো মেয়ে হবে। নাভি পূর্বের মতো স্বাভাবিক থাকলে ছেলে হবে।

৩।খাবারের রুচি:ধারণা করা হতো গর্ভাবস্থায় ঝাল জিনিস বেশি খেতে ইচ্ছে হলে ছেলে হবে আর যদি মিষ্টি জাতীয় জিনিসের প্রতি আকর্ষণ বেশি হয় তবে মেয়ে হবে।

৪।ত্বকের পরিবর্তন:মুখে যদি ব্রণ বা কালো দাগ হতো তবে বলা হতো মেয়ে হবে।মেয়েরা নাকি মায়ের সৌন্দর্য নিয়ে আসে তাই মুখ ব্রণ বা কালো দাগ হয়।
মুখে যদি কোন প্রকার দাগ বা ব্রণ না হতো তবে বলা হতো ছেলে হবে।

pragnent

৫।মহিলার নাড়ির রঙ:প্রথম সন্তান হওয়ার পর নাড়ি কাটার সময় যদি দেখা যেতো কালো নাড়ি তবে ধারণা করা হতো পরের সন্তান ছেলে হবে।আর সাদা নাড়ি হলে পরের সন্তান মেয়ে হবে।

৬।পূর্বে কোন সন্তান থাকলে তার মাথার ধরণ:পূর্বের সন্তান যদি কণ্যা সন্তান হতো আর মাথা যদি আলোক মাথা হতো তবে বলা হতো এবার এর ভাই হবে।অন্যথায় বোন হবে।

৭।পূর্বের সন্তানের কথা বলা:পূর্বের সন্তান প্রথমে দাদা বা নানা বলা শিখলে নাকি পরের সন্তান ছেলে হবে আর নানি বা দাদি বলা শিখলে মেয়ে হবে।

আমাদের কাছে এগুলো কুসংস্কার মনে হলেও পূর্বের মানুষ এগুলোতেই বিশ্বাস করতো।এভাবে তারা নির্ধারণ করতো গর্ভে কি সন্তান।অনেক ক্ষেত্রে তাদের এ গণনা মিলে যেতো।