ভার্চুয়াল কোর্ট স্থাপনের নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী


❏ মঙ্গলবার, জুলাই ১২, ২০১৬ Breaking News, আলোচিত বাংলাদেশ, জাতীয়, স্পট লাইট

সময়ের কণ্ঠস্বর –

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়াল কোর্ট স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল। আজ মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর এ নির্দেশের কথা জানিয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ভার্চুয়াল কোর্ট স্থাপিত হলে যেসব আসামির জেলখানা থেকে কোর্টে আনতে সমস্যা মনে হবে তাদের সেখান থেকেই বিচার পরিচালনা করা সম্ভব হবে।

এছাড়া প্রকল্পের ব্যয় না বাড়াতে আগে থেকেই ব্যয় নির্ধারণ করার নির্দেশও প্রধানমন্ত্রী দিয়েছেন বলে জানান পরিকল্পনামন্ত্রী।

একনেকের বৈঠকে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের ভৌতকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পসহ ৫ প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৭০০ কোটি টাকা। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপার্সন শেখ হাসিনা।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য ড. শামসুল আলম এবং আইএমইডির সচিব ফরিদ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী।

একনেকে অনুমোদিত প্রকল্পগুলো হচ্ছে-বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের জন্য বিভিন্ন প্রকার জলযান নির্মাণ প্রকল্প, এটি বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৪৫ কোটি ৪২ লাখ টাকা। এছাড়া অনুমোদন দেওয়া অপর প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে-জেলা সদর ও ব্যাটালিয়ন সদরের আনসার ও ভিডিপির ব্যারাকসমূহের ভৌত সুবিধাদি সম্প্রসারণ প্রকল্প, এর ব্যয় ৫২ কোটি ৭১ লাখ টাকা; সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে বেগম আমিনা মনসুর টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট প্রকল্প, এর ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৭ কোটি ৪৬ লাখ টাকা; ভৈরব বিসিক শিল্প নগরী প্রকল্প, এর ব্যয় ধরা হয়েছে ৭২ কোটি ৯১ লাখ টাকা; নরসিংদীর মাধবদীতে অবস্থিত কাপড় প্রক্রিয়াজাতকরণ সেন্টারের আধুনিকায়ন, সংস্কার (বিএমআরই)প্রকল্প। এর ব্যয় ধরা হয়েছে ৪১ কোটি ৫৮ লাখ টাকা।

virtual-court-in-bangladesh

কোস্টগার্ড প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে, এ বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি করা। ১৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৫ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ডিসেম্বর ১৯৯৫ সালে নৌ-বাহিনী থেকে ধার নেওয়া দুটি টহল জাহাজের সমন্বয়ে তাদের কার্যক্রম শুরু করে। এরপর ২০ বছরে উপকূলীয় অঞ্চলের চোরাচালান, ডাকাতি, মাদক থেকে শুরু করে মানব পাচার প্রতিরোধে সংস্থাটি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার ক্ষেত্রে ভৌত স্থাপনা, যান ও উপকরণের ঘাটতি রয়েছে সংস্থাটির। প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে এ ঘাটতি কমবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন