উদ্ধার হয়নি মা ও বড় বোনের লাশ অবশেষে নুসরাত ফিরছে স্বজনের কাছে

৫:৪৫ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, জুলাই ১২, ২০১৬ দেশের খবর, বরিশাল

এম এ সাইদ খোকন, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বরগুনা :

ঢাকা থেকে বরগুনা আসার পথে এমভি স¤্রাট নামক লঞ্চ থেকে মেঘনা নদীতে পড়ে নিখোঁজ মা ও মেয়ের আজও পাওয়া যায়নি। রবিবার রাতে পরী বানু ও তার ৯ বছরের মেয়ে জান্নাতি ওরফে নাজিয়া লঞ্চ থেকে নিখোঁজ হয়েছে।

তাদের সাথে থাকা নুসরাত নামে ৭ বছরের শিশুকে গতকাল দুপুরে লঞ্চ থেকে উদ্ধার করে পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়েছে। নুসরাত জানিয়েছেন, তার বাবার নাম আক্তার হোসেন। তিনি ঢাকার যাত্রাবাড়িতে একটি চশমার দোকানে কাজ করেন।

তার বড় ভাই আল-আমিন ঢাকার দলপুর লিচু বাগান মাদ্রাসার দশম শ্রেনীর ছাত্র। মায়ের সাথে নিখোঁজ বড় বোন জান্নাতি ও নুসরাত ঢাকার সাউদুল কোরান মহিলা মাদ্রাসার দ্বিতীয় ও প্রথম শ্রেনীর ছাত্রী। রবিবার বিকেল ৫ টায় তারা ঢাকার সদরঘাট থেকে বরগুনাগামী লঞ্চ এমভি স¤্রাটে উঠেছিল।

barguna-news somoyerkonthosor

লঞ্চের মাস্টার আবুল হোসেন জানিয়েছেন, রাত ১১টার দিকে চাঁদপুর ঘাট দিয়ে লঞ্চটি মিয়ার চরের কাছাকাছি আসলে পরীবানু রহস্যজনকভাবে মেঘনা নদীতে পড়ে যায়। মাকে বাঁচাতে গিয়ে জান্নাতি ওরফে নাজিয়াও তার মায়ের সাথে নদীতে পড়ে গিয়েছে। বরগুনা থানার ওসি রিয়াজ হোসেন পিপিএম জানিয়েছেন, শিশুটির মামা ও ভাই গণমাধ্যমে খবর পেয়ে মঙ্গলবার বরগুনা রওনা হয়েছেন। তারা আসার পরে শিশুটিকে তাদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

বরগুনায় ভিটামিন এ ক্যাপসুল বিষয়ক কর্মশালা

বরগুনা প্রতিনিধি : আগামী ১৬ জুলাই বরগুনার ১ লাখ ১৫ হাজার ৬৫১ জন শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন এ ক্যাপসুল। যাদের মধ্যে ৬ মাস থেকে ১ বছরের কম বয়সি ১৩ হাজার ১৪ জন শিশুকে খাওয়ানো হবে নীল রংয়ের ক্যাপসুল। আর ১ থেকে ৫ বছরের কম বয়সি ১ লাখ ২ হাজার ৬৩৭ জন শিশুকে খাওয়ানো হবে লাল রংয়ের ক্যাপসুল। মঙ্গলবার বরগুনা সিভিল সার্জন অফিসে সাংবাদিকদের নিয়ে আয়োজিত কর্মশালায় এ তথ্য জানানো হয়েছে। বরগুনা সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. মো. ইউনুস আলী কর্মশালাটি পরিচালনা করেন। কর্মশালায় বরগুনা প্রেসক্লাবের সদস্য ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার ১৮ জন সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন। আগামী ১৬ জুলাই শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

 

বরগুনার পাথরঘাটায় স্কুল ছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

বরগুনা প্রতিনিধি : পাথরঘাটা উপজেলার কাকচিড়া থেকে মঙ্গলবার সকালে সখী নামে এক স্কুল ছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তার বাবার নাম কবির হোসেন। গত ৩ দিন আগে তিনি বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়েছেন। সখীর মা থাকেন জর্ডানে।

সখী কাকচিড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর ছাত্রী ছিলো। সোমবার রাতে সখী ছাড়াও ওই বাসায় তার ভাইয়ের স্ত্রী ও ফুফাতো বোন ঘুমিয়ে ছিলো। গভীর রাতে সখী ঘরের আড়ার সাথে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দিয়েছে।

সকালে তার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তার মৃত্যুর সঠিক কারন জানা না গেলেও অনেকেই বলেছেন, পরীক্ষার ফি না দিতে পেরে সে আত্মহত্যা করেছে। পাথরঘাটা থানার এসআই ফারুক হোসেন জানিয়েছেন, লাশ উদ্ধার করে তারা ময়না তদন্তের জন্য বরগুনা মর্গে পাঠিয়েছেন।