হোটেল সিরাজ থেকে আটক ৫ যুবক-যুবতীকে কারাদন্ড, দুইজনের বিয়ে

৭:৪৪ অপরাহ্ন | মঙ্গলবার, জুলাই ১২, ২০১৬ দেশের খবর, সিলেট

hg


মঈনুল হাসান রতন, হবিগঞ্জ প্রতিনিধি:

শায়েস্তাগঞ্জ পৌর শহরের বহুল আলোচিত আবাসিক হোটেল সিরাজ থেকে আপত্তিকর অবস্থায় ৪ যুবক-যুবতীসহ হোটেল ম্যানেজারকে এক মাস করে কারাদন্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমান আদালত।

দুইজনকে পারিবারিক ভাবে বিয়ে দেওয়া হয়। গতকাল দুপুরে ভ্রাম্যমান আদালাতের বিচারক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশফাকুল হক চৌধুরী এ রায় দেন। পুলিশ সূত্র জানায়, গতকাল দিবাগত রাত দেড়টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসি ইয়াছিনুল হক, এসআই আতিকুল আলম খন্দকার ও আবুল কালাম আজাদের নেতৃত্বে একদল পুলিশ অভিযান চালিয়ে শহরের দাউদনগর বাজারের হোটেল সিরাজের বিভিন্ন রুম থেকে তাদের আটক করেন।

তারা হলেন- চুনারুঘাট উপজেলার নরপতি গ্রামের মুসলেম উদ্দিনের পুত্র আঃ রহিম (১৯), একই উপজেলার গোবরখলা গ্রামের তাহির মিয়ার মেয়ে লাভলী আক্তার (১৯), গোলগাও গ্রামের আব্দুল কাদির পুত্র আব্দুল হামিদ (২০), বি-বাড়ীয়া জেলার বিজয়নগর উপজেলাল বড়পুকুর গ্রামের শহীদ মিয়া মেয়ে ইয়াসমিন আক্তার সুইটি (২০হোটেল ম্যানেজার লেনজাপাড়া গ্রামে খলিলুর রহমানের পুত্র রফিক মিয়া (১৮)।

অন্য যুবক-যুবতীকে পারিবারিক ভাবে বিয়ে দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয় এবং ৫ জনকে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করে জেল হাজতে প্রেরণ করেন। এর আগে রবিবার দুপুরে শহরের চেয়ারম্যান বডিং থেকে অসামাজিক কাজের জড়িত থাকার অভিযোগে যুবক-যুবতীকে আটক করা হয়। শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসি ইয়াছিনুল হক জানান, হোটেল মালিকদের বার বার সর্তক করে দেওয়া হয়। তারপরও তাদের অপকর্ম থেমে থাকেনি। হোটেলের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

শায়েস্তাগঞ্জ থেকে নিখোঁজ হওয়া ২ ছাত্র বাহুবল থেকে উদ্ধার

লেখাপড়ার চাপে শায়েস্তাগঞ্জ থেকে নিখোঁজ হওয়া দুই শিক্ষার্থীকে বাহুবলে দুলাভাই’র বাড়ি থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। উদ্ধারকৃতরা হলো- শায়েস্তাগঞ্জের পশ্চিম বড়চরের আব্দুল জব্বারের ছেলে সুকড়িপাড়া হাইস্কুলের ৮ম শ্রেণির ছাত্র ফয়সল মিয়া (১৪) ও একই এলাকার বাসিন্দা আব্দুস শহীদের ছেলে কাশফিয়ান স্কুলের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র আব্দুল হাসান রিয়াজ (১২)।

পুলিশ সূত্র জানায়, সোমবার রিয়াজ ও ফয়সল স্কুলে যাওয়ার জন্য একসাথে বের হয়ে বিকেল পর্যন্ত বাড়িতে ফিরেনি। এ অবস্থায় ফয়সলের বাবা আব্দুল জব্বার সন্ধ্যায় শায়েস্তাগঞ্জ থানায় একটি জিডি করেন। তাৎক্ষণিক থানার ওসি মোঃ ইয়াছিনুল হকের নেতৃত্বে এসআই সামিউল ইসলাম, ডিএসবি’র ফারুক আহমেদসহ একদল পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করেন।

অবশেষে রাতে রিয়াজ ও ফয়সলের দুলাভাই তাজুল ইসলামের গ্রামের বাড়ি বাহুবলের শিমুলিয়া থেকে তাদেরকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়। পরে অভিভাবকরা থানায় এসে মুচলেকা দিয়ে তাদেরকে নিয়ে যান। শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসি মোঃ ইয়াছিনুল হক বলেন- লেখাপড়ার চাপে রিয়াজ ও ফয়সল পালিয়ে তাদের দুলাভাই’র বাড়িতে আশ্রয় নেয়। পুলিশ তাদেরকে উদ্ধার করে স্বজনদের কাছে বুঝিয়ে দিয়েছে।