সংবাদ শিরোনাম

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে পরিবর্তনের ইঙ্গিত আইনমন্ত্রীরপঞ্চম দফায় স্বেচ্ছায় ভাসানচর যাচ্ছেন আরও ৩ হাজার রোহিঙ্গাআল-জাজিরার বিরুদ্ধে ৫০০ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণের মামলারাজশাহীতে বিএনপির সমাবেশ আজ, সব রুটের বাস বন্ধনিষেধাজ্ঞা পৌঁছানোর ৫২ মিনিট আগে বেনাপোল দিয়ে ভারতে পালান পি কে হালদার৮ম শ্রেণি পাস করে ‘ডাক্তার’, চেম্বার খুলে দেখছেন রোগী!বাংলাদেশের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পুনর্বিবেচনার আহ্বান জাতিসংঘেরফুলবাড়ীতে টিভি দেখার প্রলোভনে প্রতিবন্ধী শিশুকে বলাৎকারআল-জাজিরা একটা নাটক লিখেছে, যা বেমানান: পররাষ্ট্রমন্ত্রীসিএমপিতে ৮ পুলিশ কর্মকর্তার দফতর বদল

  • আজ ১৭ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

জঙ্গি তত্পরতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ডজন শিক্ষক

২:১৭ পূর্বাহ্ন | শুক্রবার, জুলাই ১৫, ২০১৬ আলোচিত বাংলাদেশ

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক –   রাজধানীর ৪টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, ৪টি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল এবং একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ডজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে জঙ্গিবাদে মদদ দেয়ার অভিযোগের প্রমাণ মিলেছে।  নানা কৌশলে এসব শিক্ষক শিক্ষার্থীদের জঙ্গিবাদে উত্সাহ দিয়েছেন। এছাড়া আরো ২টি সরকারি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েক জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে জঙ্গিবাদে মদদ দেয়ার অভিযোগ রয়েছে।
12-jon
জানা গেছে, ধানমন্ডির একটি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে জঙ্গি কার্যক্রমে অংশ নিতে ছাত্রছাত্রীদের নানাভাবে প্রভাবিত করা হয়। একজন অভিভাবক জানিয়েছেন, ওই স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা নিজেই তাকে জঙ্গিবাদে উত্সাহ দিয়েছেন। তাকে ওই প্রতিষ্ঠাতা বলেন, ‘সারাবিশ্বে মুসলমানদের উপর হামলা হচ্ছে। চলেন আমরাও বিধর্মীদের উপর হামলার প্রস্তুতি নেই।’
অপর একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক একটি জঙ্গি গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা। তাকে একবার গ্রেফতারও করা হয়। পরে তিনি জামিনে বের হয়ে আসেন। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে জঙ্গিবাদ ছড়ানোর ক্ষেত্রে তিনি এখনও তত্পরতা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে গোয়েন্দারা নিশ্চিত হয়েছেন।
গুলশান এলাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছাত্রদেরকে জঙ্গিবাদে সরাসরি উত্সাহ দিতেন। আত্মঘাতী হামলার প্রশিক্ষণও দিতেন তিনি। অপর একটি নামিদামি ইংলিশ স্কুলের শিক্ষকের পুত্র জেএমবির সদস্য। গুলশান হামলার সঙ্গে সে জড়িত ছিল। এই জঙ্গির মাও জঙ্গি তত্পরতায় জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে।
জঙ্গিবাদ নিয়ে কাজ করেন এমন ব্যক্তিরা বলছেন, নর্থ-সাউথে খুব সহজেই হিযবুত তাহরীরের মতো জঙ্গি সংগঠন বেড়ে উঠতে পারার অন্যতম কারণ তাদের প্রশাসনের সহযোগিতা। প্রশাসন থেকে কখনো কোনও ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। এমনকি তাদের গ্রন্থাগারে জঙ্গিবাদি বই পাওয়া গেলেও সে বিষয়ে কোনও ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।