• আজ শনিবার, ৫ আষাঢ়, ১৪২৮ ৷ ১৯ জুন, ২০২১ ৷

সেঞ্চুরি করে মাঠের মধ্যেই দশবার বুক ডন দিলেন মিসবাহ, অবশেষে জানালেন রহস্য!


❏ শুক্রবার, জুলাই ১৫, ২০১৬ খেলা, স্পট লাইট

স্পোর্টস আপডেট ডেস্ক- ক্রিকেট বিশ্বে কোনো ক্রিকেটারের ৪০ বছর হয়ে গেলেই অনেকে মনে করেন তার আর দেয়ার মতো কিছু নেই। বেশিরভাগ ক্রিকেট বোদ্ধারাই তাকে বাতিলের খাতায় রাখার পক্ষে মত পোষণ করেন।

এই বয়সে ব্যাট-প্যাড পরে মাঠে নামার কথা তো দূরে থাক, কেউ কেউ কোচিং ক্যারিয়ারেরও হয়তো দশকখানি পার করে ফেলেছেন। আর সেখানে পাকিস্তানের অধিনায়ক মিসবাহ-উল-হক এখনো কিনা দিব্যি তার খেলা চালিয়ে যাচ্ছেন তবে শুধু খেলে যাচ্ছেন বললে কমই বলা হবে, ছন্দময় ব্যাটিংও করে যাচ্ছেন এই বয়সে। বৃহস্পতিবার এই ‘বুড়ো’ বয়সে রীতিমতো ইতিহাসই গড়ে ফেলেছেন মিসবাহ।Misbah1468573290ব্যাট হাতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে করলেন নতুন এক রেকর্ড। সবচেয়ে বেশি বয়সী অধিনায়ক হিসেবে সেঞ্চুরি করে রেকর্ড বুকে নাম লেখালেন মিসবাহ। সেঞ্চুরির পর হেলমেট খুলে ফেললেন। ড্রেসিংরুমের দিকে তাকিয়ে একটা স্যালুট দিলেন প্রথমে। এর পরই মিসবাহ-উল-হক শুয়ে পড়লেন মাটিতে, গুনে গুনে বুক ডন (পুশ আপ) দিলেন দশবার। উঠে পেশি দেখিয়ে বুঝিয়ে দিতে চাইলেন, বয়স ৪২ পেরিয়ে গেলেও এখনো ফুরিয়ে যাননি!

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে লর্ডস টেস্টের প্রথম দিন মিসবাহর অমন অদ্ভুত উদযাপন নিয়েই এখন তুমুল আলোচনা। কেন পাকিস্তান অধিনায়কের অমন উদযাপন? এটা মিসবাহর দশম টেস্ট সেঞ্চুরি। অনেকে ভেবেছেন, দশ সেঞ্চুরির জন্যই তার দশবার বুক ডন। আসলে তা নয়। দিন শেষ সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তান অধিনায়ক জানালেন, কথা রাখার জন্যই তিনি কাজটা করেছেন।

ইংল্যান্ড সফরের আগে অ্যাবোটাবাদের সেনানিবাসে ক্যাম্প করেছিল পাকিস্তান ক্রিকেট দল। সেখানে সবার শারীরিক সামর্থ্যের বড় একটা পরীক্ষাও হয়েছিল। মিসবাহ জানালেন, সেখানকার সৈন্যদের দেওয়া কথা রাখতেই তার এই বুক ডন। মিসবাহ বলেন, ‘এটা ছিল সৈন্যদের কাছে আমার প্রতিশ্রুতি। লাহোরে স্কিল ক্যাম্পের আগে অ্যাবোটাবাদে একটা ক্যাম্প করেছিলাম আমরা। বুট ক্যাম্পে একটা নিয়ম ছিল দশটা করে বুক ডন দেওয়ার। আমি তাদের কথা দিয়েছিলাম, যদি আমি সেঞ্চুরি করতে পারি তাহলে এটা করব।’