সংবাদ শিরোনাম
পুলিশি নির্যাতনে নিহত রায়হানের বাড়িতে সদর দফতরের তদন্ত দল | টাঙ্গাইলে ঘারিন্দা ইউপি উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জয়ী | সাতক্ষীরায় ৪ জন‌কে গলা ‌কে‌টে হত্যা: আরো তিনজন গ্রেপ্তার | দেবীগঞ্জে মাইকে সাবধান করে বসত ভিটায় হামলা! | দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে ৫ম শ্রেণীর মাদ্রাসা ছাত্র গ্রেপ্তার! | এক শিশু দিয়ে টানা একাধিক রাত তৃপ্তি খুঁজে পান না তিনি! | প্রাথমিকে শিক্ষক পদে আবেদন করবেন যেভাবে | এবার ভিসা ছাড়াই ভ্রমণে সম্মত আমিরাত-ইসরায়েল | দিনাজপুর সদরে আ.লীগের সোহাগ চিরিরবন্দরে বিএনপির এনামুল বিজয়ী | সন্ত্রাসবাদের মাধ্যমে মুসলিম ভ্রাতৃত্ববোধে ফাটল ধরানোর ষড়যন্ত্র চলছে: এরদোয়ান |
  • আজ ৫ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

ওষুধ না খেয়েও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব…

১২:০১ পূর্বাহ্ণ | রবিবার, জুলাই ১৭, ২০১৬ আপনার স্বাস্থ্য

control-blood-pressure


স্বাস্থ্য ডেস্কঃ

কাজের চাপ, টেনশনের মতো নানা কারণে শরীরে রক্তচাপ বেড়ে যাওয়া অস্বাভাবিক নয়। আর এটি হলেই সবাই আমরা ছুটি ডাক্তারের কাছে। ব্লাড প্রেশার অর্থাৎ রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত খেতে হয় নানা ওষুধ। তবে নিজের প্রতি একটু যত্ন নিলেই এই রক্তচাপের সমস্যা এড়ানো সম্ভব। জেনে নেই রক্তচাপ কীভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হয়।

১. পূর্ণবয়স্কদের জন্য সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট হাল্কা ব্যায়াম কিংবা ৭৫ মিনিটের ভারি ব্যায়াম করা জরুরি। তাই ব্যায়ামই হল ওষুধ ছাড়া রক্তচাপ কমানোর মূল চিকিত্সা। প্রতিদিন ব্যায়াম করলে হার্টের কার্যকারিতা বাড়ে। শক্তিশালী হার্ট সহজেই বেশি পরিমাণে রক্ত সঞ্চালন করতে পারে।

২. শরীরে অ্যাড্রিনালিনের ক্ষরণ বেশি হলে শ্বাস দ্রুততর হয়। হার্টের গতি বাড়ে, বাড়ে রক্তচাপ। এই অবস্থা এড়াতে মনকে দুশ্চিন্তা থেকে মুক্ত রাখতে হবে। দুশ্চিন্তা কমাতে মনঃসংযোগ করে প্রতিদিন ধ্যান করুন অন্তত ১০ মিনিট।

৩. শরীরের মেদ জমলে রক্ত চলাচলে বাধার সৃষ্টি করে। তাতে হার্টের ওপর চাপ পড়ে বেশি। ওজন বেশি থাকলে অন্তত দু-তিন কেজি ওজন কমানো উচিৎ। সোজা কথায়, যতটা ক্যালরি খরচ হয়, খেতে হয় তার চেয়ে কম।

৪. রাতে পাঁচ ঘণ্টা কিংবা তার কম সময় ঘুমালে রক্তচাপ বাড়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। কম ঘুমোলে হরমোনে স্বাভাবিকতা হারায়। ফলে রক্তচাপ বাড়ে। রাতের ঘুম হতে হয় গাঢ়। তাই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে অন্তত সাত ঘণ্টা ঘুমানো উচিৎ।

৫. লবন বেশি খেলে শরীরে পানির পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। শরীরে বেশি পানি জমলে রক্তচাপ বাড়ে। আবার ওজন বেশি হলে এবং লবন বেশি খেলে হার্টে সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই বিপদ এড়াতে অতিরিক্ত মসলাযুক্ত মাছ-মাংস খাওয়া কমান। খাবার টেবিল থেকে সরিয়ে দিন লবণদানিটাও।

৬. যেসব ফল ও সবজিতে ফ্যাটের পরিমাণ কম সেগুলো রক্তচাপ কমায়। ফল ও সবজির মধ্যে থাকা ভিটামিন, খনিজ ও ফাইবার শরীরকে সুস্থ রাখে। পটাসিয়াম থাকার কারণে আলু শরীরে লবনের প্রভাব কমায়। অতএব রক্তচাপ কমাতে নিয়মিত ফল ও সবজি খান।

চিকিত্সকদের এসব পরামর্শ মেনে চললে সুস্থ থাকার সম্ভাবনা অনেক বেশি।.