সংবাদ শিরোনাম

হাসপাতালের ওষুধ পাচারের ছবি তোলায় ১০ সংবাদকর্মী তালাবদ্ধবঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ স্বাধীনতার প্রকৃত ঘোষণা: প্রধানমন্ত্রীনির্মাণকাজ শেষের আগেই ‘মডেল মসজিদের’ বিভিন্ন স্থানে ফাটলআহসানউল্লাহ মাস্টারসহ ১০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান পাচ্ছেন স্বাধীনতা পুরস্কারঐতিহাসিক ৭ মার্চের সুবর্ণ জয়ন্তী: টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে মানুষের ঢলচট্টগ্রাম কারাগারে হাজতি নিখোঁজ, জেলার-ডেপুটি জেলার প্রত্যাহারদেবীগঞ্জে ট্রাক্টরের চাপায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যুকরোনার এক বছর: মৃত্যু ৮৪৬২, শনাক্ত সাড়ে ৫ লাখটাঙ্গাইলে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উদযাপনমোবাইল ইন্টারনেট গতিতে উগান্ডারও পেছনে বাংলাদেশ

  • আজ ২২শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

পদ্মার ভাঙ্গনের আতংক চারঘাট উপজেলার স্বীমান্তবর্তীবাসীদের

১২:৩১ অপরাহ্ন | রবিবার, জুলাই ১৭, ২০১৬ দেশের খবর, রাজশাহী

ওবায়দুল ইসলাম রবি, রাজশাহী প্রতিনিধি: বর্তমান বৃষ্টি মৌসুমে পদ্মা নদী ফিরে পেয়েছে প্রান। কিন্ত নদীতে পানি বৃদ্ধির ফলে রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার স্বীমান্তবর্তীবাসী আতংক আর উৎকন্ঠার মধ্যে জীবন যাপন করচ্ছে। বিগত বছরের নদী ভাঙ্গনে ঘরবাড়ী, আবাদী জমি সহ বিভিন্ন স্থাপনা পদ্মা নদীতে তলিয়ে যাওয়ার পরে ১৯৮৮ সালের দিকে নির্মাণ করা হয় পদ্মার বাঁধ। ফলে অনেকটা স্বস্তিতেই দিন পার করছিল ইউনিয়নের লক্ষাধিক বসতি।

river

কিন্তু গত ২০১৫ সালের ১১ জুলাই হঠাৎ করেই ইউসুফপুর কৃষি উচ্চ বিদ্যালয় ও ইউসুফপুর বিজিবি ক্যাম্পের এবং রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের বাঁধ নদীর তরঙ্গে ভাঙ্গন সহ প্রায় কয়েকশত একর জমি নদীতে বিলিন হয়ে গেছে। যা বাঁধ ভেঙ্গে পদ্মার পানি প্রবেশ করে লোকালয়ে। বাঁধের উপর দিয়ে সাধারণ মানুষের চলাচলের এক মাত্র রাস্তাটি ভেঙ্গে যাওয়ায় চরম বেকায়দায় পড়তে হয় ইউসুফপুর বাসীকে। আতংকিত হয়ে পড়ে এলাকায় বসবাস কারী লোকজন।

সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশের পরে টনক নড়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের। ওই সময় পানি উন্নয়ন বোর্ড দ্রুততার সাথে বালির বস্তা সহ ইট সুড়কি দিয়ে লোকালয়ে পানি প্রবেশ বন্ধ করে তাৎক্ষনিক সময় প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বন্যার পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথে বাঁধ নির্মাণ করে মানুষের আতংক লাঘব করা হবে। কিন্তু একটি বছর পেরিয়ে গেলেও ইউসুফপুর বিজিবি ক্যাম্পের নিকট ভেঙ্গে যাওয়া বাঁধ সংস্কার বা মেরামত করেনি পানি উন্নয়ন বোর্ড। এরই মাঝে আবারো পদ্মায় বৃদ্ধি পেয়েছে পানি। ফলে আতংকিত হয়ে পড়েছে রাজশাহী ক্যাডেট কলেজও। রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ এ্যাডজুটেন মোবাশসির জানান, ক্যাডেট বাদ রক্ষা কাজ শুরু হলেও বর্তমান সময়ে রক্ষা সম্ভব নাও হতে পারে।

অপরদিকে ইউসুফপুর কৃষি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইমদাদুল ইসলাম বলেন, ২০১৫ সালের জুলাই মাসে পদ্মা নদীতে বন্যার পানি ঢোকার সাথে সাথে ইউসুফপুর এলাকায় শুরু হয় ব্যাপক নদী ভাঙ্গন। ভাঙ্গন শুরু হওয়ার সাথে সাথে ইউসুফপুর বিজিবি ক্যাম্পের নিকট বাঁধে ফাটল দেখা দেয়। তাৎক্ষনিক সময়ে এলাকাবাসি দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিজিবি ক্যাম্প সহ এলাকাবাসিকে নদী ভাঙ্গনের হাত থেকে রক্ষা করতে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ড কতৃপক্ষ ব্যবস্থা নেয়ার কথা থাকলেও কোন পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।

রাজশাহী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমানের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ইউসুফপুর এলাকায় নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধে ইতিমধ্যে টেন্ডার সম্পন্ন হয়েছে। আগামী সেপ্টেম্বর অক্টোবর মাসে কাজ শুরু হবে। এই মহুর্তে নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধ না করা হলে ইউসুফপুর ইউনিয়ন ছাড়াও উপজেলার বেশ কয়েকটি গ্রাম সহ উপজেলার কয়েকটি গ্রাম প্লবিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান এলাকাবাসী।