• আজ শনিবার, ৩ আশ্বিন, ১৪২৮ ৷ ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ৷

ট্রাম্পকেই আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়ন দিলেন রিপাবলিকানরা


❏ বুধবার, জুলাই ২০, ২০১৬ Breaking News, ফিচার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক- আগামী নভেম্বর মাসে অনুষ্ঠেয় মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট প্র্রার্থী হিসেবে রিপাবলিকান দলের নির্বাচিত প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনীতি করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যের ক্লিভল্যান্ড শহরে চলমান রিপাবলিকান পার্টির জাতীয় সম্মেলনে ট্রাম্পের এই মনোনয়ন নিশ্চিত হলো।147598_1গত সোমবার থেকে ক্লিভল্যান্ডে রিপাবলিকান পার্টির জাতীয় সম্মেলন শুরু হয়েছে। শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত কুইকেন লোনস অ্যারেনায় ১৮ থেকে ২১ জুলাই চার দিনব্যাপী এই সম্মেলনের জন্য জড়ো হন সারাদেশের রিপাবলিকান নেতারা।

রিপাবলিকান সম্মেলনে প্রথম দিনেও প্রার্থী নিয়ে তুমুল বিতর্ক হয়। পরে অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে মঙ্গলবার রাতে রিপাবলিকান পার্টির হয়ে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে নিজের নাম বাগিয়ে আনতে সক্ষম হন ট্রাম্প। অবশ্য এর আগেই প্রাইমারিতে মনোনয়নের জন্য প্রয়োজনীয় এক হাজার ৫৪৩ ডেলিগেট নিশ্চিত করেন ট্রাম্প। এর পরও রিপাবলিকান দলের সম্মেলনে ট্রাম্প তুমুল বিরোধিতার শিকার হবেন বলে আশঙ্কা করা হয়েছিল।

মনোনয়ন পাওয়ার জন্য কোটিপতি ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টির ১২৩৭ জন প্রতিনিধির সম্মতি দরকার ছিল। মঙ্গলবার রিপাবলিকানদের জাতীয় সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে সেটি অর্জনের পর ট্রাম্পের নাম প্রেসিডেন্ট প্রার্থীদের তালিকায় প্রথম স্থানে আসে। নিজ অঙ্গরাজ্য নিউইয়র্কে বিপুলসংখ্যক সমর্থন পেয়েছেন ট্রাম্প।

মনোনয়ন পাওয়ার পর সমর্থকদের উদ্দেশে এক ভিডিও বার্তায় ট্রাম্প বলেন, ‘এটি এমন একটি মুহূর্ত, যা আমি কখনোই ভুলব না। রিপাবলিকান পার্টির ইতিহাসে আমরা সবাই মিলে বিপুলসংখ্যক ভোটের পাশাপাশি ঐতিহাসিক ফল অর্জন করেছি। এটি একটি অভ্যুত্থান, তবে আমাদের সব পথ পাড়ি দিতে হবে।’

ট্রাম্পকে প্রতিহত করার জন্য তার বিরোধীরা মঙ্গলবার শেষ চেষ্টা চালান। তারা রিপাবলিকান প্রতিনিধিদের আশ্বস্ত করার চেষ্টা করেন যে, তারা ট্রাম্পকে ভোট দিতে বাধ্য নন এবং নিজের মতামতকে প্রাধান্য দিয়ে তারা ভোট দিতে পারবেন। তবে ট্রাম্পবিরোধীদের সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়।

অনেক আমেরিকানই যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে ট্রাম্পের উত্থান মেনে নিতে পারছেন না। তারা বিভিন্ন সময় ট্রাম্পের বিতর্কিত বক্তব্যের ভর্ৎসনা করেন। ট্রাম্পের বিতর্কিত বক্তব্যের মধ্যে রয়েছে মেক্সিকোর অভিবাসীদের ‘ধর্ষক’ বলে গালি দেওয়া। ট্রাম্প বলেছিলেন, তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতে পারলে মেক্সিকান অভিবাসীদের ফেরত পাঠাবেন। এ ছাড়া তিনি মুসলমানদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপের দাবি জানিয়েছিলেন।

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন