আগামী নির্বাচনে তারেক রহমানকে দূরে রাখতেই সরকার হয়রানি করছে


❏ শুক্রবার, জুলাই ২২, ২০১৬ জাতীয়
Vision Led ad on bangla Tribuneসময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক –  রাজনীতি থেকে দূরে রাখতেই সরকার বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে মামলা দিয়ে হয়রানি করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মুদ্রা পাচার মামলায় নিম্ন আদালত তারেক রহমানকে সাতবছরের কারাদণ্ড দেওয়ার পর বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্য বিএনপি আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন,এই মামলার সাথে তারেক রহমানের কোনও সম্পর্ক নেই। ইতোপূর্বে, আদালতে তারেক রহমান নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ার পরও তাকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। শুধু তারেক রহমান নয়, বিএনপির চেয়ারপার্সন তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির অসংখ্য নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, দেশের কারাগারে এখন আর তিল ধারণের স্থান নেই। কেউ সরকারের সমালোচনা করলেই তাকে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা দিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তারেক রহমানের নামে ২৯টি মামলা,মির্জা ফখরুল ইসলামের নামে ৮৬টি মামলাসহ সারাদেশে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মোট ৭৪ হাজার মামলা রয়েছে। ৭১ সালের পর বাংলাদেশে যেমন এক দলীয় শাসন ব্যবস্থা চলেছে, বর্তমানে তেমন শাসন চলছে।
মির্জা ফখরুল বলেন, দেশে কোনও গণতন্ত্র নেই। দেশে এক দলীয় শাসন চলছে। আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রের কফিনে শেষ পেরেকটিও ঠুঁকে দিয়েছে।
হাউজ অব কমন্সের বাংলাদেশ বিষয়ক বিতর্কে অসুস্থতার কারণে অংশ নিতে পারেননি বলে জানান মির্জা ফখরুল।
তবে হাউজ অব কমন্স থেকে জামায়াতে ইসলামীর প্রতিনিধিকে বের করে দেওয়ায় ব্রিটিশ সরকারের ভাবভূর্মি ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে মনে করেন তিনি।
তিনি বলেন, ব্রিটেনকে বলা হয় গণতন্ত্রের সুতিকাগার। আর এই দেশে এ ধরনের ঘটনা অত্যন্ত দু:খজনক।
তবে গুলশানে জঙ্গি হামলার পর জাতীয় ঐক্য ও সংলাপ পশ্নে বিএনপিকে জামায়াতের সঙ্গ ত্যাগের আওয়ামী লীগের প্রস্তাবের প্রতিউত্তরে মির্জা ফখরুল বলেন, এটি আওয়ামী লীগের বাহানা। জামায়াত যদি এতই সমস্যা হয়, তাহলে সরকার জামায়াতকে নিষিদ্ধ করলেই পারে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা সাবিহ উদ্দীন আহমেদ, কেন্দ্রীয় বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক নিতাই রায় চৌধুরী,যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এম এ মালেক, সাধারণ সম্পাদক কয়সর এম আহমেদসহ দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ।