সংবাদ শিরোনাম
সরকার টিকে আছে সন্ত্রাসীদের মাধ্যমে: নুরুল হক | সিলেটে রায়হান হত্যা: কনস্টেবল টিটু পাঁচদিনের রিমান্ডে | সিলেটে বিক্ষোভে পুলিশের গাড়িতে হামলা | পিরোজপুরে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে জীবিকা নির্বাহ উপকরণ দিল নৌবাহিনী | নওগাঁর মান্দায় ভোট বর্জনের ঘোষণা বিএনপি প্রার্থীর | এসআই আকবর গ্রেফতারের খবরে সিলেটে তোলপাড় | পুনরায় নির্বাচনের দাবিতে মির্জাপুরে বিএনপির মানববন্ধন ও সমাবেশ | ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন তালিকা, বাদ পড়বে ৫ থেকে ৭ ভাগ মুক্তিযোদ্ধা | চুয়াডাঙ্গা জেলার প্রথম ইউ‌নিয়‌নে প্রথম ভোট গ্রহণ চল‌ছে ই‌ভিএম এ | পাবনায় একসাথে জন্ম নেয়া ৩ সন্তান নিয়ে বিপাকে দিনমজুর দম্পতি |
  • আজ ৪ঠা কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

নীলফামারীতে প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে বিষাক্ত পটকা ও পিরানহা মাছ

২:৫৪ অপরাহ্ণ | শুক্রবার, জুলাই ২২, ২০১৬ দেশের খবর, রংপুর

picture- fish-


মোঃ মহিবুল্লাহ্ আকাম, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট- নীলফামারীর সৈয়দপুরের হাটে-বাজারে প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর পটকা ও পিরানহা মাছ। মাছ বিক্রেতারা ক্রেতাদের সামুদ্রিক বা রুপচাঁদা মাছ বলে এসব বিক্রি করছেন। প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে। ফলে স্বাস্থ্য ঝুঁকি নিয়ে উদ্বিগ্ন সচেতনমহল। সৈয়দপুর শহরের দু’টি মাছ বাজার ও গ্রামের হাট-বাজারগুলোতে প্রকাশ্যে বিক্রি করা হচ্ছে পটকা ও পিরানহা মাছ। ক্রেতারা এসব সামুদ্রিক বা রুপচাঁদা মাছ হিসাবে কিনছেন। অনেকের ধারণা পটকা ও পিরানহা মাছ রান্না করলে এর বিষ নষ্ট হয়ে যায়। ফলে দাম সস্তা হিসাবে পটকা মাছ কিনছেন। ক্রেতা মাহবুব হোসেন জানান, রুপচাঁদা মনে করে তিনি এসব মাছ কিনেছেন। এই মাছে মানুষের জন্য ক্ষতিকর উপাদান আছে তা তার জানা নেই।

আরেক ক্রেতা বেলাল হোসেন জানান, তার পরিবার পছন্দ করেন বলে এই রুপচাঁদা মাছ কিনতে এসেছেন। এটি বিষাক্ত মাছ এবং খেলে মানুষ মারা যায় এটা তার জানা ছিল না। সাধারণত গ্রামীণ জনপদের অভাবী ও দরিদ্র শ্রেণির লোকেরা পটকা ও পিরানহা মাছ সস্তায় কিনে খায়। সৈয়দপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডা. আখতারুজ্জামান জানান, পটকা ও পিরানহা মাছ খেলে মানবদেহের মারাত্মক ক্ষতি হয়।

বিশেষ করে কিডনি ও অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অকেজো হয়ে পড়ে। এসব মাছ রান্না করলে অত্যধিক তাপে বিষের উপাদান এক অবস্থা থেকে অন্য অবস্থায় রূপান্তর হতে পারে। কিন্তু এতে বিষ খুব একটা তারতম্য হয় না। খালি পেটে পটকা মাছ খাওয়া খুবই বিপজ্জনক এবং মৃত্যুর ঝুঁকিও বেশি বলে মন্তব্য করেন তিনি। এসব মাছ খেলে সাময়িক ও দীর্ঘমেয়াদী রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

উপজেলা মত্স্য কর্মকর্তা দীপক কুমার পাল জানান, পটকা ও পিরানহা মাছ খেয়ে মানুষের মৃত্যুর ঘটনায় পটকা খাওয়া থেকে বিরত থাকার জন্য অনেক আগেই গণসচেতনতা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। নিয়মিত হাট-বাজারগুলো মনিটরিং করা হচ্ছে। তবুও চুপিসারে মাছ বিক্রেতারা এসব বিষাক্ত মাছ বিক্রি করছেন। ইতিপূর্বে মাছ বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে বিষাক্ত মাছ ও ছোট মাছ ধরে বিক্রি করার কারণে কয়েকজন মাছ বিক্রেতার জরিমানা করা হয়। ফলে কিছুদিন এসব কর্মকাণ্ড বন্ধ থাকলেও বর্তমানে প্রকাশ্যে এসব কর্মকাণ্ড চলছে বলে অভিযোগ রয়েছে।