সংবাদ শিরোনাম
দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও মঙ্গল কামনা প্রধানমন্ত্রীর | ভুল স্বীকার করে সেই নোটিশ প্রত্যাহার জনস্বাস্থ্য পরিচালকের | ‘জাতি বিনির্মাণে মানুষের মনন তৈরিতে গণমাধ্যম অনন্য’- তথ্যমন্ত্রী | শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ বাসস্থানে থাকার নির্দেশ | রংপুরে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: এএসআইয়ের রিমান্ড আবেদনের শুনানি ৪ নভেম্বর | সিরাজগঞ্জে খাস জমিতে রাস্তা বন্ধ করে ঘর নির্মাণ করার অভিযোগ | পর্দার নির্দেশনা দেয়া জনস্বাস্থ্য ইন্সটিটিউটের পরিচালককে শোকজ | রাজধানীর ৩টি হাসপাতালে র‌্যাবের অভিযান : মালিকসহ ৬ জনের কারাদণ্ড | টাঙ্গাইলে দীর্ঘ ২১ বছর পর বাহাদুর হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন | ফুলবাড়ীতে ছেলের কুড়ালের কোপে শিক্ষক বাবা হাসপাতালে |
  • আজ ১৩ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

এখনো সময় রয়েছে রাজপথে আসুন, রাজপথে ফয়সালা করুন – খন্দকার মাহবুব

১:৪৪ পূর্বাহ্ন | শনিবার, জুলাই ২৩, ২০১৬ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক –   বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা খন্দকার মাহবুব হোসেন সরকারের উদ্দেশে বলেছেন, এখনো সময় রয়েছে, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জন্য আদালতের শরণাপন্ন না হয়ে রাজপথে আসুন, রাজপথে ফয়সালা করুন।

rajpothe

অর্থপাচার মামলায় তারেক রহমানকে সাজা দেওয়ার প্রতিক্রিয়ায় আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে খন্দকার মাহবুব হোসেন এ মন্তব্য করেন।

খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, ‘সরকার ২০০৩ থেকে ২০০৬ সালের ঘটনার ওপর ২০০৯ সালে মামলা করে তাঁর অনুপস্থিতিতে সাজা দেওয়া হয়েছে। এই সাজা আমরা মনে করি ন্যায়বিচারের পরিপন্থী হয়েছে। এখনো সময় রয়েছে, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জন্য আদালতের শরণাপন্ন না হয়ে রাজপথে আসুন, রাজপথে ফয়সালা করুন। আর আসতেই যদি হয় সঠিকভাবে সঠিক ব্যক্তি দিয়ে তদন্ত করে মামলার সাক্ষী প্রমাণ তৈরি করে পেছনের দরজা দিয়ে সাজা দেওয়ার চেষ্টা যদি করেন তার পরিণতিতে দেশের আইনের শাসন ধ্বংস হয়ে যাবে, মানুষের বিচার ব্যবস্থার ওপর আস্থা হারিয়ে যাবে।’

মামলার বিভিন্ন দিক বিশ্লেষণ করে খন্দকার মাহবুব আরো বলেন, ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই তারেক রহমানকে হয়রানি করা হচ্ছে। ধ্বংস করে দেওয়ার পাঁয়তারা করা হচ্ছে জাতীয়তাবাদী শক্তি ও জিয়া পরিবারকে।’

এ সময় বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ এই রায়ের প্রতিবাদে দলের পক্ষ থেকে আগামীকাল শনিবার রাজধানীসহ সারা দেশে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার অর্থপাচার মামলায় বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাত বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে তাঁকে ২০ কোটি টাকা জরিমানা করা হয়। বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি আমির হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ঘুষ হিসেবে গ্রহণের পর ২০ কোটি টাকা বিদেশে পাচারের অভিযোগে করা মামলার রায়ে ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ মো. মোতাহার হোসেন ২০১৩ সালের ১৭ নভেম্বর তারেক রহমানকে বেকসুর খালাস দেন। এ মামলায় তারেক রহমানের বন্ধু গিয়াসউদ্দিন আল মামুনকে দেওয়া হয় সাত বছরের কারাদণ্ড এবং ৪০ কোটি টাকা জরিমানা করা হয়।

রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানায় ২০০৯ সালের ২৬ অক্টোবর দায়ের করা এ মামলায় তারেক-মামুনের বিচার শুরু হয় ২০১১ সালের ৬ জুলাই।

রিজভী হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরলেন রিজভী

বুধবার, অক্টোবর ২৮, ২০২০

এরদোয়ান শিগগিরই ঢাকায় আসছেন এরদোয়ান

বুধবার, অক্টোবর ২৮, ২০২০