• আজ বৃহস্পতিবার, ১২ কার্তিক, ১৪২৮ ৷ ২৮ অক্টোবর, ২০২১ ৷

রিজার্ভের অর্থ ফেরাতে আরেক ধাপ অগ্রগতি


❏ শনিবার, জুলাই ২৩, ২০১৬ আন্তর্জাতিক, আলোচিত বাংলাদেশ

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক- বাংলাদেশ ব্যাংকের রিভার্জ থেকে চুরি যাওয়া অর্থের মধ্যে ফিলিপাইনের ক্যাসিনো ব্যবসায়ী কিম অংয়ের ফেরত দেয়া অর্থ বাংলাদেশকে ফিরিয়ে দেয়ার এক আবেদন মঞ্জুর করেছে দেশটির নিম্ন আদালত। এর ফলে বাংলাদেশের দেড় কোটি ডলার ফেরত পাওয়ার পথে আরও এক ধাপ অগ্রগতি হলো।bangladesk-bankবিজনেস ওয়ার্ড অনলাইনের খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকার ১৫ দিনের মধ্যে ওই টাকার দাবি নিয়ে ওই আদালতে গেলে এবং আদালত তাতে সম্মতি দিলে ফিলিপাইনের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে রক্ষিত ওই অর্থ ফেরত দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু করা যাবে।

বৃহস্পতিবার ম্যানিলায় ফিলিপাইন ন্যাশনাল ব্যাংকের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক আলোচনা অনুষ্ঠানে দেশটির মুদ্রা পাচার প্রতিরোধ কাউন্সিল এএমএলসির নির্বাহী পরিচালক জুলিয়া বাক আবাদ আদালতের সম্মতি পাওয়ার বিষয়টি জানান।

যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে রক্ষিত বাংলাদেশের অর্থ থেকে হাতিয়ে নেওয়া ৮১ মিলিয়ন ডলারের মধ্যে প্রায় দুই কোটি ১৫ লাখ ডলার দেশটির রিজল কমার্শিয়াল ব্যাংক হয়ে কিম অংয়ের ক্যাসিনোতে ঢুকেছিল।

ফিলিপাইনের সিনেট কমিটি এ বিষয়ে তদন্ত শুরুর পর গত এপ্রিল-মে মাসে কয়েক ধাপে ১৫ মিলিয়ন ডলার ফিলিপাইন কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেন অং।

এদিকে চুরি যাওয়ার অর্থের মধ্যে যে টাকা ফেরত পাওয়া গেছে, তা দ্রুত হস্তান্তরের পদক্ষেপ নিতে ফিলিপিন্সের নতুন সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ম্যানিলায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জন গোমেজ।

বৃহস্পতিবার এক গোলটেবিল বৈঠকে গোমেজ বলেন, নতুন প্রেসিডেন্ট যেহেতু দুর্নীতি ও অপরাধের বিরুদ্ধে সোচ্চার, সেহেতু বাংলাদেশের রিজার্ভ চুরির বিষয়েও তার নজর দেয়া উচিৎ। অংয়ের ফেরত দেয়া ১৫ মিলিয়ন ডলার বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক এক মাসের মধ্যে ফেরত পাবে বলেও অনুষ্ঠানে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

গোমেজ বলেন, সোলারিজ রিসোর্ট অ্যান্ডর ক্যাসিনোর অ্যাকাউন্টে জব্দ থাকা আরও ২.৭৫ মিলিয়ন ডলার ফেরত পাওয়ার জন্য তিনি ইতোমধ্যে তিনি ফিলিপাইন অ্যামিউজমেন্ট অ্যান্ড গেইমিং করপোরেশনের প্রধানের সঙ্গে কথা বলেছেন।

টাকা ফেরত আনার জন্য আদালতের আনুষ্ঠানিকতা সারতে বাংলাদেশের কর্মকর্তাদের একটি দল আগস্টের শুরুতে ম্যানিলায় পৌঁছাবেন বলেও রাষ্ট্রদূত জানান।

গত ফেব্রুয়ারির শুরুতে সুইফট মেসেজিং সিস্টেমের মাধ্যমে ৩৫টি ভুয়া বার্তা পাঠিয়ে ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউ ইয়র্কে রক্ষিত বাংলাদেশের এক বিলিয়ন ডলার সরিয়ে ফেলার চেষ্টা হয়। এর মধ্যে পাঁচটি মেসেজে আট কোটি ১০ লাখ ডলার যায় ফিলিপিন্সের একটি ব্যাংকে। আর আরেক আদেশে শ্রীলঙ্কায় পাঠানো হয় ২০ লাখ ডলার।