• আজ সোমবার, ৯ কার্তিক, ১৪২৮ ৷ ২৫ অক্টোবর, ২০২১ ৷

বন্যা পরিস্থিতির চরম অবনতি : খাদ্য সংকটে বানভাসীরা


❏ রবিবার, জুলাই ২৪, ২০১৬ দেশের খবর, রংপুর

ফয়সাল শামীম, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় ব্রহ্মপুত্রের পানি বিপদসীমার ৫৫ ও ধরলার পানি বিপদসীমার ৩৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বেড়েছে দুধকুমার, তিস্তা সহ অন্যান্য নদ-নদীর পানিও ফলে কুড়িগ্রামে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে। কুড়িগ্রাম সদর, চিলমারী, উলিপুর, রৌমারী, রাজিবপুর, নাগেশ্বরী ও ফুলবাড়ী উপজেলার ৪০ টি ইউনিয়নের প্রায় আড়াই লাখ মানুষ পানিবন্দী হয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছে।

ban-vasi

গত ৭ দিন ধরে এসব মানুষ পানিবন্দী থাকায় দেখা দিয়েছে খাদ্য ও বিশুদ্ধ খাবার পানির তীব্র সংকট। রাস্তা-ঘাট তলিয়ে থাকায় ভেঙ্গে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে প্রায় শতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। বন্যা দুর্গত এলাকার অনেক পরিবার গবাদিপশু নিয়ে উঁচু বাঁধ ও পাকা সড়কে আশ্রয় নিতে শুরু করেছে। এসব এলাকায় ছড়িয়ে পড়ছে পানি বাহিত নানা রোগ।

নাগেশ্বরী উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়নের আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, বন্যার পানি ঘড়ে ওঠান আজ ৭ দিন থেকে তিনি পরিবার নিয়ে খেয়ে না খেয়ে হাটসেটে দিন কাটাচ্ছে। এখন পর্যন্ত কোন ত্রান সহাতা পাইনি তিনি।

কুড়িগ্রামে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আকতার হোসেন আজাদ জানান, বন্যার্তদের জন্য ৫ লাখ টাকার শুকনো খাবার বিতরন শুরু হয়েছে। এছাড়া আরো ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা ও ৯৮ মেট্রিক টন চাউল বিতরনের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। নতুন করে আরো ২শ মেট্রিক টন চাউল ও ২ লাখ টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে যা পর্যায়ক্রমে বিতরন করা হবে।

স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, গত ২৪ ঘন্টায় ব্রহ্মপুত্রের পানি চিলমারী পয়েন্টে ৯ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৫৫ সেন্টিমিটার ও ধরলার পানি সেতু পয়েন্টে ৪ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৩৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি বৃদ্ধি পেয়েছে তিস্তা, দুধকুমার সহ অন্যান্য নদীর পানিও। এসব এলাকায় সুপেও খাবান পানি ও শুকনো খাবারের চরম সংকট বলে তিনি স্বীকার করেন।

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন