শারীরিক কিছু সমস্যার সহজ কয়েকটি সমাধান


❏ সোমবার, জুলাই ২৫, ২০১৬ আপনার স্বাস্থ্য

easy-solution


স্বাস্থ্য ডেস্কঃ

শারীরিক কার্যক্রমের অভাব, ঘুমের ঘাটতি, অত্যধিক মানসিক চাপ, দুর্বল খাদ্যাভ্যাস এবং আরো বেশকিছু কারণের জন্য আমাদের স্বাস্থ্য ও মনের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। বেশিরভাগ মানুষ রাতারাতি তাদের অভ্যাস পরিবর্তন করতে পারেনা কিন্তু কিছু নিয়ম অনুসরণ করে তারা এই সমস্যাগুলো থেকে বের হয়ে আসতে পারেন। এই কৌশলগুলো ব্যক্তির মানসিক ও স্বাস্থ্যগত উন্নতি ঘটাতে সাহায্য করে। আপনার জীবনকে আরো সহজ করার জন্য এই কৌশলগুলো সম্পর্কে জেনে নিই  চলুন।

১. দ্রুত ঘুমিয়ে পড়ার জন্য নিজেকে কন্ডিশন করুন বিছানায় গিয়ে কোন কাজ করা যেমন- ইমেল চেক করা বা টিভি দেখা থেকে বিরত থাকুন। সকালে ঘুম ভাঙ্গার সাথে সাথে বিছানা থেকে উঠে যান এবং রাতে ঘুমানোর আগে আর বিছানায় যাবেন না। এটি অনুসরণ করলে আপনি রাতে বিছানায় যাওয়া মাত্রই ঘুমিয়ে পড়বেন।

২. ব্রেইন ফ্রিজ হওয়া প্রতিহত করুন অনেক বেশি ঠান্ডা খাবার খেলে ব্রেইন ফ্রিজ হওয়ার সমস্যাটি হয়। যার ফলে তীব্র ব্যথা হয়। বিশেষ করে যখন ঠান্ডা খাবার দ্রুত খাওয়া হয় তখন মুখের পেছনের দিকের নরম তালুতে ঠান্ডা খাবারের স্পর্শে স্নায়ুর প্রতিক্রিয়ার ফলে এমন হয়। মস্তিষ্কের এই নিশ্চল সংবেদন বন্ধ করার জন্য আপনার জিহ্বা দিয়ে উপরের নরম তালুকে উপরের দিকে ঠেলুন।

৩. এসিড রিফ্লাক্স প্রতিহত করুন যদিও এসিড প্রতিপ্রবাহের অনেক কারণ আছে। এর মধ্যে একটি প্রতিরোধযোগ্য কারণ হল ডানপাশে কাত হয়ে ঘুমালে এটি প্রতিহত করা যায়। ডানপাশে কাত হয়ে শুলে পাকস্থলী অন্ননালীর চেয়ে উপরের দিকে থাকে। মাধ্যাকর্ষণের ফলে এসিড উল্টো দিকে  প্রবাহিত হয়। এই ধরণের অস্বস্তি থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য রাতে বামপাশে কাত হয়ে ঘুমান।

৪. হাই তোলা বন্ধ করুন লেকচার শুনার সময় বা মিটিং এ বসে হাই তোলা বিরক্তিকর একটি বিষয় যার সম্মুখীন হতে হয় বেশিরভাগ মানুষকেই। এই রকম পরিস্থিতিতে হাই তোলা বিতৃষ্ণা বা উদাসীনতার লক্ষণ প্রকাশ করে। হাই তোলা প্রতিহত করার জন্য এক গ্লাস ঠান্ডা পানি আস্তে আস্তে চুমুক দিয়ে পান করুন। এটি দেহকে পুনরুজ্জীবিত করবে এবং হাই তোলা প্রতিহত করবে কিছু সময়ের জন্য।

৫. কান্না বন্ধ করুন কান্না একটি মানসিক প্রতিক্রিয়া। এমন অনেক সময় থাকে যখন আমরা কান্না আটকাতে চাই বিশেষ করে জন্য সম্মুখে। যখন আপনার খুব কান্না পাবে কিন্তু আপনি কান্না প্রকাশ করতে চাননা তখন চোখগুলো খোলা রাখুন এবং এই সময় চোখের পর্দা ফেলবেননা। এটি অশ্রু গঠনে বাধা দেয়। ইতিমধ্যেই যদি আপনি কান্না শুরু করে দেন তাহলে কয়েক মিনিট চোখের পাতা ফেলুন অথবা উপরের দিকে তাকিয়ে থাকুন।

৬. বমি বমি ভাব দূর করুন যদি আপনার মোশন সিকনেস থাকে যার জন্য বিমানে উঠলে বা অন্য কোন কারণে বমি বমি ভাব হয়। তাহলে তা দূর করার জন্য আকুপ্রেশার আপনাকে দ্রুত সাহায্য করতে পারে। ২০০২ সালে বার্থ নামক জার্নালে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয় যে, গর্ভাবস্থার প্রথম দিকের বমি ও বমি বমি ভাব দূর করতে সাহায্য করে আকুপ্রেশার। আপনার হাতের কবজি থেকে তিন আঙ্গুল নীচে বড় দুটি টেন্ডনের মধ্যবর্তী স্থানে পেরিকার্ডিয়াম আকুপয়েন্ট আছে। এই পয়েন্টে কয়েকমিনিট চাপ দিয়ে রাখুন। দিনে কয়েকবার এটি করুন যখন প্রয়োজন হয়।

এছাড়াও গলা খস খস করলে মনে হয় যেনো একটু চুলকাতে পারলে ভালো হত। কিন্তু তা করা অসম্ভব। তাই কানের পেছনের দিকে ঘষুন বা চুলকান। উষ্ণ গরম পানি পান করলেও এই সমস্যাটি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। স্ট্রেস থেকে রক্ষা পেতে আপনার অনুভূতিগুলো লিখে ফেলুন। চোখের চাপ দূর করার জন্য মুখের সব গুলো মাংসপেশী কুঁচকানোর চেষ্টা করুন এবং এভাবে কিছুক্ষণ থাকুন। তারপর স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসুন। এই পদ্ধতিটির পুনরাবৃত্তি করুন কিছুক্ষণ। আঁচড় বা কাটা স্থানে ও সানবার্ন হলে বেবি ওয়াইপস দিয়ে মুছে নিলে আরাম পাওয়া যাবে। হাতের উল্টো দিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি ও তর্জনীর মধ্যবর্তী ভি আকৃতির স্থানে আইস কিউব রাখলে দাঁতব্যাথা কমে। নীল আলো ঘুম থেকে জেগে উঠতে সাহায্য করে। স্ট্রবেরি দাঁত সাদা করতে সাহায্য করে।.

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন