🕓 সংবাদ শিরোনাম

অভিনেতা মাহমুদ সাজ্জাদ মারা গেছেননাইম-মুশফিকের ফিফটিতে শ্রীলঙ্কাকে বড় লক্ষ্য দিলো বাংলাদেশশাহরুখ মোদীর দলে যোগ দিলেই মাদক হবে চিনির গুঁড়ো: মহারাষ্ট্রের মন্ত্রীপীরগঞ্জে সহিংসতা: স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে আদালতে সেই সৈকতবেলকুচিতে যমুনা নদী থেকে নিখোঁজ স্কুলছাত্রের লাশ উদ্ধারআবরার হত্যা : ২৫ আসামির মৃত্যুদণ্ড চায় রাষ্ট্রপক্ষভোলায় স্বামীকে কুপিয়ে হত্যা করল স্ত্রীপরীমণির রিমান্ড: ব্যাখ্যা দিতে এক সপ্তাহ সময় পেলেন ২ বিচারকরবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনরত ২ শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার চেষ্টা, মহাসড়ক অবরোধশুধু ছাত্রলীগ নয়, অপরাধী যেই হোক বিচার হবে: আইনমন্ত্রী

  • আজ রবিবার, ৮ কার্তিক, ১৪২৮ ৷ ২৪ অক্টোবর, ২০২১ ৷

একাধিকবার ধর্ষণে গর্ভবতী কিশোরী, গর্ভপাতের ওষুধ সেবন করানোয় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে শঙ্কাজনক


❏ মঙ্গলবার, জুলাই ২৬, ২০১৬ অপরাধ, দেশের খবর, বরিশাল

জাহিদ রিপন, পটুয়াখালী প্রতিনিধি- ভয় দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করার ফলে গর্ভবতী হয়ে পড়েছে কিশোরী রেমিজা (১৪)। আর এ অপকর্ম আড়াল করতে গর্ভপাতের ওষুধ খাইয়ে দেয়ায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরনে এখন গুরুতর অবস্থায় জেলার কলাপাড়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে এ কিশোরী।kolaparaএ ঘটনায় অভিযুক্ত কাকলী বেগমকে সোমবার রাতে পুলিশ গ্রেফতার করলেও অভিযুক্ত মুল আসামি পিয়াস ও তার বাবা ফারুক হাওলাদার পলাতক রয়েছে। ভিক্টিম ও আসামিদের বাড়ি উপজেলার পূর্ব মধুখালী গ্রামে।

জানা গেছে, দুই বছর বয়সে রেমিজার বাবা মোতালেব মারা গেছেন। মা মাহিনুর অন্যত্র বিয়ে করেছেন। নিরুপায় হয়ে পুর্বমধুখালী গ্রামের ফরিদ হাওলাদারের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করছিল রেমিজা। চাকরির সুবাদে ফরিদ ঢাকায় থাকেন। একই বাড়িতে বসবাসরত ফরিদের ভাই ফারুক হাওলাদারের ছেলে পিয়াস রেমিজার এমন সর্বনাশ করে বলে রেমিজা ও তার মায়ের অভিযোগ।

চার/পাঁচ দিন পূর্বে, রেমিজার গর্ভে সন্তানের অস্তিত্ত্বের টের পেয়ে পিয়াসের মা কাকলি বেগম ভিটামিন ওষুধের কথা বলে রেমিজাকে গর্ভপাতের ওষুধ খাওয়ায়। ২৩ জুলাই রেমিজার রক্তক্ষরন শুরু হয়। তার অবস্থার অবনতি ঘটলে ২৪ জুলাই সন্ধ্যায় কলাপাড়া হাসপাতালে নিয়ে আসেন কাকলি বেগম। ২৫ জুলাই রেমিজাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

সোমবার রাতে রেমিজা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে থানা পুলিশকে খবর দেয়া হয়। বর্তমানে রেমিজা হাসপাতালের প্রসুতি বিভাগের ২০৫ নম্বর কেবিনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বর্তমানে রক্তশুন্যতায় ভুগছে কিশোরী রেমিজা।

চিকিৎসক কামরুল ইসলাম জানান, রেমিজাকে রক্ত দেয়া প্রয়োজন। প্রয়োজন তার যথাযথ চিকিৎসার। তবে তারা রেমিজাকে যতদুর সম্ভব চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছেন। তবে রেমিজার এখন যথাযথ চিকিৎসার পাশাপাশি সকল ধরনের সহায়তার প্রয়োজন।

গৃহকর্তা ফরিদ দাবি করেন, রেমিজা ও তার মা মিথ্যা কথা বলছে। তাদেরকে হয়রানি করতে এসব বলে বেড়াচ্ছে।

কলাপাড়া থানার ওসি জিএম শাহনেওয়াজ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সোমবার রাতে তিনজনকে আসামি করে থানায় একটি মামলা হয়েছে। পরে সেই রাতেই অভিযুক্ত কাকলী বেগমকে আটক করা হয়েছে।

ওসি আরও বলেন, অভিযুক্ত মুল আসামি পিয়াস ও তার বাবা ফারুক হাওলাদারকে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। কাকলি বেগম রেমিজাকে ওষুধ খাইয়েছিল বলেও এ সময় জানান তিনি।

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন