• আজ সোমবার, ২ কার্তিক, ১৪২৮ ৷ ১৮ অক্টোবর, ২০২১ ৷

ধামরাই ,আশুলিয়া ও সাভারে অবাধে বিক্রি হচ্ছে নিষিদ্ধ নোট ও গাইড বই


❏ মঙ্গলবার, জুলাই ২৬, ২০১৬ ফিচার

আনোয়ার হোসেন রানা, স্টাফ রিপোর্টার:আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্তেও ধামরাই ,আশুলিয়া ও সাভার উপজেলায় অবাধে চলছে নিষিদ্ধ নোট বইয়ের রমরমা ব্যাবসা। প্রশাসন এ ব্যাপারে নিস্ক্রিয় ভুমিকা পালন করছে বলে অভিবাবক মহলের অভিযোগ। সরকার শিক্ষর্থীদেও মেধা বিকাশের জন্য যুক্ত করেছে সৃজনশীল পদ্ধতি। একই সঙ্গে সরকার ও দেশের সর্বোচ্চ আদাল অষ্টম শ্রেনি পর্যন্ত্ নোট ও গাইড বই বিপণন, প্রর্দশন, প্রস্তুতকরণ, মুদ্রান ও প্রকাশনা নিষিদ্ধ করেছে।

কিন্তু এ নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে এই উপজেলায় এক শ্রেণির লাইব্রেরির মালিকরা ইতিমধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত নোই ও গাইড বইয়ের মজুত গড়ে তুলেছে ফলে বাজার ও এসব নিষিদ্ধ ঘোষিত নোই ও গাইডে সয়লাব। প্রকাশ্যেই বিক্রি করছে তা চড়াদামে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, অষ্টম শ্রেণির একটি গাইড বই বিক্রি হচ্ছে ৮’শ ১০ টাকা থেকে ৯’শ ৫০ টাকায়। ৪র্থ শ্রেণির একটি গাইড বইয়ের মূল্য ৪’শ ৫০ টাকা। ধামরাই পৌর শহরের ইসলামপুর মহল্লার বসিন্দা মকলেছুর রহমান বলেন, সরকার বিনামূল্যে বই দিলেও ৬ষ্ট শ্রেণিতে পড়ুয়া আমার মেয়ের জন্য স্কুল শিক্ষকদের চাহিদা অনুযায়ী ভালো ফলের আশায় কয়েকটি গাইড বই কিনে দিতে হয়েছে। একই এলাকার ছালমা বেগম তার ইসলামপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৫ম শ্রেণি পড়ুয়া ছেলের জন্য নোট বই কিনেছেন কারণ স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা বলেদিচ্ছেন ভাল রেজাল্ট করতে হলে নোট বই ও গাইড বই কিনতে হবে।

guideধামরাই উপজেলার ঐতিহ্যবাহী স্কুল হার্ডিঞ্জ উচচ বিদ্যালয়ে ও কলেজের প্রিন্সিপাল মুছাদ্ধেকূল ইসলাম চৌধুরী বলেন আমরা নোট ও গাইড বই কেনার ব্যাপাওে শিক্ষর্থীদেও নিরুৎসাহিত করি অথচ এগুলো সব লাইব্রেরিতেই পাওয়া যায়। তাই অনেক শিক্ষর্থী এগুলো কিনে থাকে। নামপ্রকাশ না করা র্শত্যে এক বই ব্যবসায়ী জানান, গাইড ও নোট বই প্রকাশনীর লোকজন প্রতিটা স্কুলের প্রধান শিক্ষকের সাথে যোগাযোগ করেন এবং তাদের ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা দেওয়া হয় যেন ছাত্র-ছাত্রীদের নোট ও গাইড বই কিনতে বলার জন্য। ফলে ছাত্র-ছাত্রীরাও নোট ও গাইড বই খুজে আর ব্যবসার কারণে আমাদেরও তা রাখতে হয়।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার দৈলতুর রহমানের সাথে বার বার ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে এ বিষয়ে ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম রফিকুল ইসলাম বলেন নিষিদ্ধ গাইড ও নোট বিক্রির বিষয়টি আমার অজানা তবে আমরা অবশ্যই এবিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করবো।

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন