আমার বিরুদ্ধে মিডিয়া ট্রায়াল চলছে: ডা. জাকির নায়েক


❏ বুধবার, জুলাই ২৭, ২০১৬ আন্তর্জাতিক

4bk73c8249882ea37d_800C450


আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

ভারতের মহারাষ্ট্রের ধর্মপ্রচারক ডা. জাকির নায়েক এক বেসরকারি টিভি চ্যানেলকে দেয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে বলেছেন,  ‘আমার বিরুদ্ধে মিডিয়া ট্রায়াল চলছে, কোনো ভারতীয় এজেন্সি আমাকে তলব করেনি।’

সোমবার রাতে টেলিভিশন চ্যানেলটির ওয়েবসাইটে জাকির নায়েকের সাক্ষাৎকারের গুরুত্বপূর্ণ অংশ প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে তিনি বলেছেন, ‘আমি মিডিয়াকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বলছি, একটিও উদাহরণ দেখান যেখানে আমি সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন করেছি। আমি কখনো সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন করিনি এবং কখনও করব না।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের একটি সংবাদপত্র আমার বিরুদ্ধে ভুল খবর ছেপেছিল। ভারতীয় মিডিয়া ওই সংবাদপত্রকে উদ্ধৃত করে খবর চালিয়েছে।’

জাকির নায়েক ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করে বলেন, ‘আমি যেকোনো টেলিভিশন চ্যানেলকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বলছি, (বিশ্ব হিন্দু পরিষদের আন্তর্জাতিক মহাসচিব) প্রবীণ তোগাড়িয়ার সম্পূর্ণ বক্তব্যও দেখানো হোক এবং আমার বক্তব্য সম্পূর্ণ দেখানো হোক। এরপরে সাধারণ মানুষকে সিদ্ধান্ত নিতে দেয়া হোক।’

সন্ত্রাসী সংগঠন আইএসআইএল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এদের ইসলামিক স্টেট বলা অন্যায়, ওরা অনৈসলামিক। আমি সন্ত্রাসবাদকে নিন্দা জানাই।’

আমেরিকা বা অন্য কারো বিরুদ্ধে তিনি মুসলিমদের অস্ত্র হাতে তুলে নেয়ার জন্য বলেননি এবং তিনি কোনো অন্যায় করেননি বলে মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, আমি কখনো দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্প্রীতি খারাপ করা বা কোনো সম্প্রদায়কে খাটো করার চেষ্টা করিনি।

ভারতে ফিরে আসা প্রসঙ্গে জাকির নায়েক বলেন, ‘আমি অনাবাসী ভারতীয় এবং আমার কাছে দুবাই এবং সৌদি আরবের রেসিডেন্ট ভিসা রয়েছে। যদি কোনো সরকারি সংস্থা চায় তাহলে আমি ভারতে এসে সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দেয়ার জন্য প্রস্তুত।’

তিনি বলেন, ‘আমার ১ কোটি ৪০ লাখ ফ্যান রয়েছে, যদি ১০/১৫ জন লোক কারো প্রলোভনে পড়ে ভুল কাজ করে এতে আমার কী দোষ রয়েছে?’

ভারতে বহুলালোচিত ‘অভিন্ন দেওয়ানি বিধি’ প্রসঙ্গে জাকির নায়েক বলেন, ‘আমি অভিন্ন দেওয়ানি বিধিকে সমর্থন করি। এ নিয়ে একটি অবজেক্টিভ প্যানেলের মাধ্যমে শ্রেষ্ঠ বিধিকে নির্বাচন করা উচিত। ‘ইসলামিক বিধি’কে আমি শ্রেষ্ঠ বিধি বলে মনে করি।’

প্রসঙ্গত, গত ১৫ জুলাই জাকির নায়েক সৌদি আরব থেকে ভারতের মুম্বাইতে স্কাইপি’র মাধ্যমে সংবাদ সম্মেলনে নিজেকে ‘শান্তির দূত’ হিসেবে তুলে ধরে ‘নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করা ইসলামে হারাম’ এবং তিনি কখনো সন্ত্রাসবাদকে উৎসাহিত করেননি বলে জানিয়েছিলেন।

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন