🕓 সংবাদ শিরোনাম
  • আজ সোমবার, ৯ কার্তিক, ১৪২৮ ৷ ২৫ অক্টোবর, ২০২১ ৷

সামাজিক মাধ্যমে উঠে আসা প্রশ্নের জবাব দিলেন মনিরুল ইসলাম


❏ বুধবার, জুলাই ২৭, ২০১৬ Breaking News

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক –  কল্যাণপুরের জঙ্গি অপারেশনের পর যোগাযোগ মাধ্যমে কিছু  প্রশ্ন উঠে আসে যেটা বাংলাদেশ পুলিশ প্রশাসন কে অনেকটাই প্রশ্ন বিদ্ধ করে । সামাজিক মাধ্যমে  উঠে আসা এসব প্রশ্নের জবাব দেন কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট প্রধান মনিরুল ইসলাম  ।

তিনি তার  ব্যক্তিগত যোগাযোগ মাধ্যমে এসব প্রশ্নের সঠিক উত্তর দেন । একটু নাটকীয় ভঙ্গিমায় তিনি তার  লিখাটা শুরু করেন । তিনি তার বক্তব্যর প্রথম দিকে মানুষের প্রথমিক একটা ধারণার কথা বলেন ”কল্যাণপুরে জঙ্গী আস্তানায় অভিযানকালে সন্ত্রাসীদের গ্রেনেড নিক্ষেপে পুলিশের ৪ কর্মকর্তার মৃত্যু, আহত ৪২ কর্মকর্তা, তিন জঙ্গী গ্রেফতার হলেও বাকীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে!”দুঃখিত, বন্ধু, এ রকম একটা খবর যদি আপনি আশা করে থাকেন তাহলে আমরা আপনার প্রত্যাশা পূরণ করতে পারি নি! প্রত্যাশা পূরণ না হওয়ায় আপনি যদি কষ্ট পেয়ে থাকেন, আমরা সত্যিই দুঃখিত!

monirul

যেসব প্রশ্ন গুলো উঠে আসে তার মধ্য জঙ্গিদের পরিচয়ের বিষয়টি ও সমালোচনার বিষয় হয়ে দাড়াই “নাম-ঠিকানা না জেনে জঙ্গী বলছেন কিভাবে?” “জঙ্গীরা এ রকম পাঞ্জাবি, কেডস পরে ঘুমাতে গিয়েছিল কেন?” “৪টি পিস্তল দিয়ে কিভাবে সারারাত মূর্হূ মূর্হূ গুলি চালানো সম্ভব?” “কেন তাদের জীবিত ধরা গেল না?” এ রকম অনেক যৌক্তিক প্রশ্ন কারো মনে আসতেই পারে।

তিনি বেশ কয়েকটি বিষয়ে নজর রেখে সমগ্র বিষয়টিকে সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করেন । তিনি এক পর্যায়ে বলেন ” আমি যদি বলি আপনি বুঝে ও না বোঝার ভান করছেন আপনি খন্ডাবেন কি করে? গোটা সোস্যাল মিডিয়া জুড়ে আলোচনা হচ্ছে যে প্রতিবশীরা বলছে, ঐ বাসার লোকেরা সারারাতই কথিত জিহাদের স্বপক্ষে শ্লোগান দিয়েছে, তাদের রুমে কথিত আইএসের পতাকা পাওয়া গিয়েছে, প্রচুর সংখ্যক উগ্রবাদী বইপুস্তক পাওয়া গেছে। তারপরও এরা জঙ্গী কিনা তা বোঝার জন্য কি রিসার্চের প্রয়োজন আছে?

আনুমানিক রাত একটার কাছাকাছি পুলিশের প্রথম দলটি বাসাটিতে নক করে এবং প্রথম দফা সংঘর্ষের পরে প্রায় সারারাত বিল্ডিংটা কর্ডন করে রাখা হয়। চূড়ান্ত অভিযান শুরু হয় ভোর ৫.৫০ এর দিকে। এতদীর্ঘ সময় তারা ঘুমিয়ে ছিল কিনা, এই পোষাক পরার সময় পেয়েছিল কিনা তা বোঝার জন্য বুদ্ধিজীবী হওয়ার প্রয়োজন আছে কিনা দয়া করে ভেবে দেখবেন কি?

সারারাত মূর্হূ মূর্হূ গোলাগুলি হয়েছে এ রকম কোন তথ্য আমার জানা নাই। আমি যতটুকু জানি যখনই পুলিশ বাসাটিতে ঢুকতে চেষ্টা করেছে ততবারই গুলি চালানো হয়েছে। চূড়ান্ত অভিযান হয়েছে একঘন্টার কাছাকাছি। ঐ সময়েই মূলতঃ চূড়ান্ত গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। আপনার বিশ্বাস এ তথ্য আপনার অজানা নয়। তাহলে কেন এ রকম প্রশ্ন তুলছেন? পুলিশের সাফল্য মানতে পারছেন না তাইতো!

আপনি তো সবজান্তা অথচ আপনি এই ধরনের অপারেশন গুলোর ইতিহাস জানেন না। দেশে এবং দেশের বাইরে কোথায় এই ধরনের অপারেশনে কতজন জীবিত গ্রেফতার হয়েছে জানালে বাধিত হবো।

আসলে, পুলিশের কেউ মারা যায় নি কিংবা কেউ গুরুতর আহত হয় নি-এতেই তো আপনার যতো আপত্তি তাই না, বন্ধু! ”

 

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন