• আজ বৃহস্পতিবার, ১২ কার্তিক, ১৪২৮ ৷ ২৮ অক্টোবর, ২০২১ ৷

বগুড়ায় বন্যার্তদের জন্য মাথাপিছু সরকারি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে মাত্র ৪৪ পয়সা


❏ শনিবার, জুলাই ৩০, ২০১৬ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক –  পদ্মা, যমুনা, তিস্তা, ব্রহ্মপুত্রসহ উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন নদনদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় গতকালও বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে কুড়িগ্রাম, বগুড়া, জামালপুর, গাইবান্ধা, লালমনিরহাট, রাজবাড়ী ও ফরিদপুর জেলায়। এসব জেলায় পানিবন্দি মানুষের সংখ্যা ১৪ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। সম্পূর্ণ বন্যাকবলিত হওয়ায় দুর্গত এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলাকে। এ উপজেলায় বন্যার সঙ্গে লড়াই করছে দুর্গত মানুষ।nodi-

এদিকে প্রতিদিন দুর্গত মানুষের সংখ্যা বাড়লেও সরকারি বরাদ্দ সে তুলনায় বাড়েনি। ফলে ত্রাণ ও বিশুদ্ধ খাবার পানির সংকটে পড়ে হাহাকার করছে দুর্গতরা। বগুড়ায় বন্যার্তদের জন্য মাথাপিছু সরকারি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে মাত্র ৪৪ পয়সা। পানি বৃদ্ধির সঙ্গে ভাঙন শুরু হওয়ায় হুমকির মুখে পড়েছে গাইবান্ধা শহর রক্ষা বাঁধ।

বগুড়া থেকে প্রদীপ মোহন্ত জানান, বগুড়ায় বন্যার্তদের মাথাপিছু সরকারি বরাদ্দ মিলেছে মাত্র ৪৪ পয়সা। উজান থেকে নেমে আসা পানির তোড়ে সৃষ্ট বন্যায় মারাত্মক তিগ্রস্ত বগুড়ার তিন উপজেলায় দুর্গত এলাকায় খাবার ও বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। সরকারি হিসাবে বন্যায় পানিবন্দি এক লাখ ১২ হাজার ৭০০ মানুষের জন্য এ পর্যন্ত বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে নগদ মাত্র ৫০ হাজার টাকা। এ হিসেবে জনপ্রতি বরাদ্দ মিলেছে মাত্র ৪৪ পয়সা।

এদিকে যমুনার পানি বাড়তে থাকায় সারিয়াকান্দি, ধুনট ও সোনাতলা এলাকার বেশ কয়েকটি পয়েন্টে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ হুমকির মুখে পড়েছে। অন্তত ২০টি পয়েন্টে বাঁধ দিয়ে পানি চুইয়ে ভেতরে প্রবেশ করায় লোকজনের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। শুক্রবার বগুড়ার সারিয়াকান্দি পয়েন্টে যমুনার পানি বিপদসীমার ৯৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। পানি বৃদ্ধির ফলে বিভিন্ন স্থানে নদী ভাঙনও বেড়েছে।